মেয়েদের ভালোবাসা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে থাকে, আপনাকে(প্রেমিক) সে ভালোবাসে তবে বিয়ের পর সে তার স্বামীকেও ভালোবাসবে যতই অচেনা হোক পুরুষটি। টাকা অনেক ক্ষেত্রে মেয়েদের ভালোবাসাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারে। স্বামীর অঢেল টাকা থাকলে তারা শতবছরের টাকাহীন প্রেমকে বিসর্জন দিবে আবার পরকীয়াও(টাকাহীন প্রেমিকার সাথে) করবে। মেয়েরা বহুগামিতাকে(নিজে এবং নিজের স্বামীও যদি বহুগামি হয়) কিছুই মনে করে না কিন্তু ছেলেরা বহুগামি মহিলাকে সহ্যও করতে পারে না।
মনস্ত্বাতিক এই পার্থক্য, সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্ববহন করে। স্ত্রীরা যদি সতি হয়, পুরুষরা নারীর সব আবদার মেনে নেয়, সবধরনের প্রচেষ্টা চলে সম্পর্কে এগিয়ে নিতে। মেয়েরাও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে সচেষ্ট হয়, যদি পুরুষদের অঢেল সম্পদ থাকে যদিও পুরুষটি বহুগামি। উপমহাদেশে মেয়েদের সম্পদের প্রতি আকর্ষন বা লোভের সবচেয়ে বড় কারণ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা(). এই মহাদেশের মেয়েরা কর্মহীন বা সমাজিক ভাবে মেয়েরা বেকার এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও মেয়েদের কর্মের রেস্ট্রিকশন রয়েছে যার দরুন তাদের ভবিষ্যৎ খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা নিরাপত্তার জন্য একজন সম্পদশালী পুরুষ দরকার। তবে চিরন্তর সত্য হল, পুরুষরা কমই বেকার থাকে যা মেয়েরা অনেকক্ষেত্রে ভুলে যায়, যার ফলে মেয়েরা প্রেমিকের ভালোবাসা উপেক্ষা করে। তবে ভালোবাসার যে স্নিগ্ধতা জাগে হৃদয়ের গহীনে,যে অতৃপ্তি সৃষ্টি হয় তা বহমান থাকে অমৃত্যু।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

