কালকে থেকে 'অথবা' দিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছা করছে। 'অথবা আমি ভাল আছি'। 'অথবা আমি ভালবাসি'। এই রকম কিছু। কবি হলে নিশ্চয়ই অথবা দিয়ে শুরু করে কোন কবিতা লিখে ফেলতে পারতাম। প্রতি লাইন শুরু হবে 'অথবা' দিয়ে।
আমি পারি না 'বিদ্্বেষ তোষন' সহ্য করতে। বিরোধী পক্ষেরটা যতটা তাও পারি, নিজেদের বা নিজের ঘাড়ে দোষ টেনে নিয়ে, সপক্ষেরটা একদম পারি না। পারি না। আমার চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে, শাট দ্যা হেল আউটা হিয়ার! নাউ!
এখন যুগটাই 'ঘৃণা' আর ভয় সৃষ্টির। একটা জাতির মানুষেরা, যারা একজন আরেকজনকে গভীর ভাবে বুঝার চেষ্টা করছে, তারা বড় বেয়ারা একদল মানুষ। তাদের নিয়ন্ত্রন করা কঠিন। মানুষের মনে ভয় আর ঘৃণা ঢুকিয়ে দিলেই কাজ সহজ... কারণ ভীত মানুষ জানে না তারা কি করছে, কি করবে। ঘৃণায় কুঁচকে থাকা মানুষের ঘৃণার প্রকাশ নিজের মন মত করিয়ে নেয়া যায়। ভীত আর ঘৃনায় কুঁচকে থাকা একদল মানুষকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক সহজ।
আমার বড় অস্থির লাগে।
অনেক আগে একটা মুভ্যি দেখেছিলাম, টুয়েন্টি ফোর ডেইজ মনে হয় নাম। এক মারাত্মক ব্রিলিয়ান্ট কবি, যার রিহ্যাবে যেতে হয় মাদকাশক্তি থেকে মুক্তির জন্য, তার চবি্বশ দিনের গল্প। ওকে এক জায়গায় কাতর হয়ে বলতে শোনা যায়, 'আমি খুব সাধারন হতে চাই। খুব সাধারনের মত একটা ছোট্ট সুন্দর বাড়ির স্বপ্ন দেখতে চাই। সামনে একটা সবুজ লন থাকবে। আমি প্রতি উইকেন্ডে সকালবেলা ওই লনের ঘাস কাটব।'
যখন মনে হয় সাঁড়াশিরা চেপে বসছে, আমি যেদিকেই যেতে চাই, ওরা আরও কঠিন ভাবে চেপে বসে, তখন ঠিক ওরকম এক আর্তি গুমড়ে উঠে। বুক ভরে নি:শ্বাস নিতে খুব ইচ্ছা করে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



