রাশেদটা নাগ করেছে আমার প্রতি। কেন জানি না। জানতে চাইনা। থাকুক নিজের মত। আসার সময় ভাবলাম একপাক ডংটর হয়ে আসবো। বিধিবাম! ডংটর এর ছোট ভাই ফোন করে আমার কাছে কম্পু বিষয়ে পরামর্শ করতে আসবে শুনে মনটা আরো দমে গেল। বললাম- উজ্জ্বল সমস্যা আসলে সময় বের করা না। আমার মনটা আজ খুবই মচৎকার। তোমাকে কাল বুঝায়ে দিলে হবেনা? ক্যা কু করতে করতে হজম করলো সে। আরেক পাক ভাবলাম... রাজিবকে খুজে বের করা যাক। পরে বাতিল করে দিলাম। রাজিব শুকিয়ে যাচ্ছে
-- তুমি কোথায়?
মেয়েটি বললো- জানু আমিতো বাসায়, কিছু ভালো লাগছে না!
রাজিব বললো- আমারও কিছু ভাল্লাগছে না। কোন্ আইসক্রীম খেতে খুব ইচ্ছা করতাছে!!!
সেইযে ফোন রাখলো... ১০/১২ দিন হয়ে গেছে। এখন ফোন ফ্রেন্ড নিয়ে ব্যস্ত। নামতো জানা আছেই। এটাও তেমন ভালো না। রাতের বেলায় অন্য কারো সাথে কথা বলে। আর রাজিব এই দিকে ছটফট করে...। একবার এপাশ ফিরে, আরেকবার ওপাশ। আমি হাফুস হুফুস মরি। ভাবি... কি বানাইলা ঈশ্বর! কি বানাইলা ঈশ্বর!!
সারাদিন কলেজেই ছিলাম। বিকেলের দিকে আই.এস.পি'তে গেলাম। এক বড় ভাই ম্যানেজার এখানকার। উনার সাথে কথা বলে খুব ভালো লাগলো। লজ্জা মাখানো একটা হাসি হাসেন তিনি (আমার মত); খুব মিষ্টি লাগে দেখতে (ইয়াক)। কেমন মায়াভরা তার কথাবার্তা। আমি মাঝে মাঝে তাকে জ্বালাতে যাই। আজও গেলাম। রং চা... আর বর্তমান কর্মকান্ড নিয়ে কিছুক্ষন ঠুন ঠুন কথা বার্তা। তারপর কিছুদূর পায়ে হাঁটা। রিক্সা/মোটর টপকে টপকে শটকাটে রাস্তা পার। ৯ নাম্বার, ৯ নাম্বার। আঁটশাট সিটের এক কোন দখল। হাঁটুর ব্যায়াম, আর হরেক মানুষের বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ। গন্ডার, কুকুরের বাচ্চা, জানোয়ার, মাদারচো?... ড্রাইভার তবু নিশ্চুপ। এদের প্রধানমন্ত্রী বানানো উচিৎ
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


