

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন অমান্য করে দেশের স্বনামধন্য বিশ্ব বিদ্যালয়গুলোতে অভিনব প্রচারণা কার্যক্রম (ব্যাটল অব মাইন্ড) পরিচালনা করছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি)। তরুনদেরকে চাকুরী প্রদানের নামে পরিচালিত তথাকথিত এ কার্যক্রমের আড়ালে তামাকের আগ্রাসী প্রচারণা এবং সম্ভাবনাময় তরুন প্রজন্মের হাতে সিগারেট নামক মৃত্যু শলাকা তুলে দিচ্ছে বিএটিবি। সরকার যেখানে বাংলাদেশকে ‘তামাকমুক্ত দেশ’ হিসেবে বাস্তবায়ন করতে কাজ করে যাচ্ছে সেখানে ধূর্ত তামাক কোম্পানি বিএটি’বি নতুন ধূমপায়ী তৈরীতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আর এজন্য তারা বেছে নিয়েছে আগামীর সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীদের।
বিদ্যমান ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩) এর ৫ (গ) ধারায় তামাক কোম্পানির নাম, সাইন, ট্রেডমার্ক, প্রতীক ব্যবহার করে এ ধরনের কোন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন ও পুরস্কার প্রদান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি আইনের এই ধারা লংঘন করলে অনধিক এক লক্ষ টাকা অর্থদ- বা অনুর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদ- বা উভয় দ-ের বিধান বলবৎ আছে।
বাংলাদেশের অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা বুয়েট এ অধ্যায়ন করে থাকে। যেখানে তামাক সেবনের কারণে প্রতিবছর বাংলাদেশে ৫৭হাজার মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করছে সেখানে আমাদের মেধাবী আগামী প্রজন্মের কাছে তামাক কোম্পানীগুলো তামাকজাত দ্রব্যে উদ্ধুদ্ধকরনের কৌশলে অগ্রসর হচ্ছে। যা আমাদের অত্যন্ত চিন্তিত করে তুলছে।
জরুরী ভিত্তিতে স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পণ্যের ফেরিওয়ালা তামাক কোম্পানীর “ব্যাটেল অব মাইন্ড” কর্মসূচীর আড়ালে বহুজাতিক তামাক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি) এর তথাকথিত বিজ্ঞাপনের প্রচারের কার্যক্রম বন্ধের জন্য বুয়েটের কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানাই।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



