ভিক্ষুক বললো
- স্যার ১০ টেকা দেন
- নাই
- ভাই ৫ টেকা দেন
- নাই
- ১ টেকা দেন
- নাই
- ঐ মিয়া ভাব ধইরা বইয়া রইছেন ক্যান্, আহেন আমার লগে পথে নামেন।
-০-
যাদের কাছে নাগরিক নিরাপত্তা চাইতাম। একেকটা হত্যাকান্ডের পর একেক রকম ভাবে আশাহত হয়ে হয়ে নিরাপত্তা চাইতাম, বিচার চাইতাম। তারা নিজেরাই দেখি নিরাপদ না!
"বিচ্ছিন্ন ঘটনা", "জঙ্গি হামলা" বিষয়গুলা শুনে শুনে তো মুখস্থ হয়ে গেছে। বিষয়টা এখন এমন হয়ে দাঁড়াইছে যে বিচ্ছিন্ন ঘটনা আর জঙ্গি হামলা সিলেবাসের বাইরের জিনিস। এইগুলা হ্যান্ডেল করতে আমাদের রাষ্ট্র পারে না। আজ পর্যন্ত বিশ্বাসযোগ্যভাবে সঠিক অপরাধীদেরকে গ্যাঁক করে ধরে ফেলছে এমন কারিষ্মা কোন বাহিনীই দেখাইতে পারে নাই। অতএব সিলেবাসের কভারেজ ধীরে ধীরে কমা শুরু করলো। অবস্থা এখন এমন দাঁড়াইছে, থানার ভিতর থেকে ওসি'র চেয়ার চুরি গেলেও এই চোর এখন ধরা পরবো না। এই ছিঁচকে চোরও সিলেবাসের বাইরে চলে যাবে।
ফেসবুকে লেখে টেখে কিচ্ছু যে হবে না, তা না। টাইমলাইনে লেখাগুলা থাকবে। হয়ত কোন এক দিন এই ক্ষমতায় টিকায়ে রাখা'র পুলিশও জেগে উঠবে। তারা হয়ত শিখবে জনগণ তাদেরকে স্যার বলবে না। বরং জনগনকেই স্যার ডাকতে হবে তাদেরকে। তারা জনগণের জান মাল রক্ষার্থেই জনগণের চাকরী করেন। আর যার ভাব বেশী, যে মনে করবে সে হুমড়া চোমড়া কেউ, জনগণ তারে উল্টা স্যার ডাকবে। সে হয়ত মাফিয়া হবে, সরকারী কোন চাকরীজীবি না।
আওয়ামীলীগ সরকার এখন তাদের স্বর্ণযুগ অতিবাহিত করতেছে। বিরোধীদল তাদের পকেটে। বিএনপি তাদের বোকামী এবং জামাত সংশ্লিষ্টতার কারনে এখন বিলুপ্তপ্রায় লড়খড়ে একটা দল। ভোটের বিষয়টা একটা কমেডি শো হয়ে গেছে, তাও জনগণ কিছু বলে না। এক কথায় বলা যায় তাদের এখন প্রতিবন্ধকতা নাই বললেই চলে। এরপরেও যদি কিছু তারা করে দেখাতে না পারে! আর তবে কবে করবে?
মানুষ আসলে আওয়ামীলিগের কাছে একটা জিনিসই আশা করে, তা হইলো সুশাষণ। জিডিপি, টিডিপা পাবলিক কিচ্ছু বুঝে না, অনুদানও পাবলিক পায় না। নিজের কামাই নিজেই করে সবাই। শুধু জান, মালের নিরাপত্তাটা যদি একটু এনশিউর করতে পারে সরকার। তাহইলেই মনে হয় ভিষণ ২০২০'র দরকার নাই। ভিষণ ৩০০০ এ ও পাবলিকের কোন মাথা ব্যথা থাকবে না।
বুঝতেছি না, সরকার কি সুশাষণের চেষ্টাই করতেছে না! নাকি চেষ্টা করেও ব্যর্থ? নাকি এরা যে ব্যর্থ এইটা এরা জানেই না!
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১৬ সকাল ৮:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



