নারী সিটে বসলেই জেল, জরিমানা।
বিষয়টা হইলো, অন্ধ রাস্তা পার হইতে চায় না, তবু তারে পার করে দেওয়ার মত। কোন নারী কি আলাদা সিট চায়? আমি আমার মোটা ভ্রু বাজি রেখে বলতে পারি, কোন নারীই তার জন্য বাসে আলাদা সিট চায় না। তারা সেফটি চায়। দাঁড়ায়ে যেতেও তাদের সমস্যা নাই। শুধু সুবিধাবাদী হাত তার গায়ে না লাগলেই হয়।
এই আইন পাশ করার সময় কি ভাবা হয়েছে
- বাসে কোন নারী নাই। অথচ বাস ভর্তী পুরুষ মানুষ। তখন সিটগুলা ফাঁকা যাবে?
- সংরক্ষিত আসনের বাইরে কমন সিটে কোন নারী বসলে যদি তারে বিদ্রুপ করা হয়, তখন কী ব্যবস্থা রাখা হয়েছে আইনে? নাকি এইটা নারী নির্যাতন হিসাবে দেখা হবে?
অথচ পিঠ চুলকানের আলাদা হাতের দরকার ছিলো না। ছোট একটা কাঠি হলেই চলতো। যেমন আইন করা যেতো
- লাইনে দাঁড়ায়ে বাসে উঠতে হবে। লাইনে নারী না পুরুষ তা বিষয় না।
নারীদেরকে অতিরিক্তি সুবিধা দেওয়া মানে তাদেরকে দুর্বল করে ফেলা। পরীক্ষার হলে কাউকে সুবিধা দিয়ে উত্তরপত্র সাপ্লাই করা মানে কিন্তু তারে গাধা বানায়ে ফেলা। তবে হ্যাঁ, প্রতিবন্ধী ও বয়ষ্কদের জন্য আলাদা সিটের ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন। এবং নিয়মটা এমন করতে হবে, যে কেউ বসতে পারবে। কিন্তু প্রতিবন্ধী বা বয়ষ্ক কেউ আসল, জায়গা ছেড়ে দিতে হবে। উন্নত দেশে যা আইন ছাড়াই সবাই মন থেকেই মেনে চলে। আমাদের মন এত উন্নত না, বিষয়টা আইনের প্রয়োজনীয়তাই প্রমান করে।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



