আমাদের গণমাধ্যমগুলো প্রচুর বরাহ
শাবক'কে তারকা খ্যাতি পাইয়ে দিয়েছে।
কিন্তু তিনি, পরম শ্রদ্ধেয় সৈয়দ মহসিন
আলী তারকা ছিলেন না। গণমাধ্যমে তিনি
হয়েছিলেন ভিলেন। কারণ, আমাদের
সংখ্যাগরিষ্ঠ গণমাধ্যম দুর্বৃত্ত'র আখড়া।
সৈয়দ মহসিন আলী'র কোন দুর্নীতির খোঁজ
কি কেউ জানেন ? মিডিয়া জানে ?
সৈয়দ মহসিন আলী লোকটা নাকি খ্যাত
ছিলেন, শুদ্ধ বাঙলায় নাকি কথা বলতে
জানেননা। তাঁর চেহারা নিয়েও অনেক কটু
কাটব্য হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগের
মাধ্যমে তাঁকে এবং তাঁর ঈশ্বর প্রদত্ত
মুখাবয়ব নিয়ে কম কটূক্তি করা হয়নি। যারা
করেছিলো, তাদের যোগ্যতা কি ? ২৩ বছর
বয়েসে মানুষটি দেশ মাতৃকার ডাকে সাড়া
দিয়ে যুদ্ধে গিয়েছিলেন। আর আমরা কি
করেছি? আমাদের কি অর্জন আছে ?
মন্ত্রিত্বের মতো একটি ভারিক্কি পদ'কে
তিনি নামিয়ে এনেছিলেন মাটি ও
মানুষের কাছে।
তিনি সিলেটের কুলিপাড়ায় গিয়ে খালি
গলায় গান গাইতেন। তিনি একেবারেই
সুশীল না, স্কুলের বাচ্চাদের সামনেই ফস
করে সিগারেট ধরিয়ে ফেলতেন। তিনি
মহাপাপী কারণ হালজামানার
সাংবাদিকদের তিনি গালিগালাজ করতে
ছাড়েননি। পুলিশের ডিআইজি কতো টাকা
ঘুষ খান সেটাও বলে দেন। তবুও আমরা জোর
গলাতেই বলবো, তিনি একজন মহান মানুষ,
তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সর্বোপরি
তিনি একজন সৎ ,নির্লোভ, স্পষ্টভাষী মানুষ,
যা আমি সহ অনেকেই নই।
পুনশ্চ ১ঃ নির্বাচিত হলে প্রায় সকল সংসদ
সদস্যের বা মন্ত্রীর সম্পদ বাড়ে। তাঁর
সম্পদ কমেছিল।
পুনশ্চ ২ঃ শ্রদ্ধেয় সৈয়দ মহসিন আলী প্রায়
দেড় কোটি টাকা ঋণ রেখে গিয়েছেন,
স্রেফ জনসেবা করার খাতিরে।
আমরা গান বাঙলা চ্যানেলের কাছে
কৃতজ্ঞ, তাঁর আত্মার শান্তি
প্রার্থনা করুন। এমন মানুষ আমরা আর পাবো
কিনা জানিনা, তৃণমূল থেকে উঠে আসা
জননেতা বর্তমানে প্রায় শুন্যের কোঠায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



