মানুষ মানুষের জন্য। এই কথাটা আগে শুন্তে খুবই ভালো লাগত, কিন্তু এখন,,,,
যাজ্ঞে মূল কথায় আসা যাক।
তারিখ ২২/০৯/১৫ ইং।
সেই সময়টা আমি ওসমানী মেডিকেল কলেজ সিলেট এ।আমার ১খালাতো ভাইয়ের এপিন্ডিটাইস এর সার্জারী হবে। ত গেলাম সেখানে তখন ডাক্তার সার্জারীর যাবতীয় ওষুধ পত্র লিখে দিলেন। যথারিত গেলাম ওষুধ এবং যাবতীয় জিনিস কিনতে।ত আমি জীবনে এই প্রথম মেডিকেল এ কোন রোগী নিয়ে, ত ফার্মেসী গেলাম যাওয়ার বল্ল যে সেখানে ৮ হাজার টাকার ওষুধ লিখে দিছে। তাই ভাইয়াটার অবস্থা খুবই খারাপ ছিল যার কারনে ভাইয়াকে সার্জারীর জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে নিল। ত আমি ওষুধপত্র নিতে নিতে প্রায় ৩০ মিনিট হয়ে গেল, এসে দেখি ভাইয়ার অপারেশন শেষ। এমন ডাঃ এর সহকর্মী এসে আমার কাছ থেকে সব ওষুধপত্র নিয়ে নিল। ত আমি মনে মনে ভাবলাম ওষুধ আনার আগেই রোগী অপারেশন শেষ। বিষয়টা আমার কাছে খুবই জটিল মনে হল। ত একজন জিজ্ঞাস করলাম এই ব্যাপারে উনি বলেন এইগুলা ওষুধ পত্র সব আবার ভোর সকালবেলা ফার্মেসীতে প্রাচার হয়ে যায়। তাছাড়া ১জন এপিন্ডিটাইস এর রোগীর জন্য বেশি হলে ২হাজার টাকার ওষুধ পত্র লাগে।
সরকারী মেডিকেল ডাঃ গুলা তারা এইসব কাজকর্ম করে যাচ্ছে। অথচ তাদের বিরুদ্ধে কেউ রুকে দাড়াবার সাহস নেই।শুনে খুবই খারাপ লাগল আমার। এইটাই কি আমাদের শহীদের রক্তের অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশ। যে দেশটা দূর্নিতি জন্য এটা নিচে নামতে পারে মানুষ। যারা দেশের বুদ্ধিজিবী তারাই যদি এইরকম করে। আমপাবলিকদের উপর দুশ দিয়ে কি হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



