বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন কয়েকটি সড়কে সাধারণ যান চলাচল বন্ধ রাখাসহ বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
বেলা ১২টা থেকে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষ হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন কয়েকটি সড়কে সাধারণ যান চলাচল বন্ধ থাকবে।
যেসব সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকবে সেগুলো হলো- দৈনিক বাংলা মোড় থেকে পল্টন মোড়, জিরো পয়েন্ট, গোলাপ শাহ্ মাজার, গুলিস্তান আন্ডারপাস, রাজউক ক্রসিং, শিল্পব্যাংক ভবন ঘুরে দৈনিক বাংলা।
বাই সাইকেল, রিক্সা, মোটর সাইকেল, স্কুটার ইত্যাদি নিয়ে স্টেডিয়াম এলাকায় প্রবেশ করা যাবে না।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজীর আহমেদ বুধবার নিজ কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
রাজউক এভিনিউ, বায়তুল মোকাররম রোড, বায়তুল মোকাররম-জিপিও লিংক রোডে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের নির্দিষ্ট স্টিকারযুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য যানবাহন পার্কিং না করারও অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার জনতা ব্যাংক চত্ত্বর, বলাকা চত্ত্বর ও এর আশপাশের রাস্তাগুলো স্টেডিয়ামে আগত সাধারণ দর্শকদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সংরক্ষিত থাকবে বলে জানান বেনজীর আহমেদ।
ওই সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে বিকল্প সড়ক ব্যবহারে অনুরোধ করেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার জানান, ওই সময় সিগারেট, দিয়াশলাই, ম্যাচ লাইটার, লেজার পয়েন্ট, যে কোনো ধরণের বাঁশি, লাঠি, খাবার, পানির বোতল (মুখ বন্ধ থাকলে), কোমল পানীয়ের বোতল বা ক্যান এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টিকারী যে কোনো ধরণের অস্ত্র (যেমন- ছুরি, চাকু) স্টেডিয়াম এলাকায় বহন করা যাবে না।
নিরাপত্তার স্বার্থে ভিডিও ক্যামেরা, স্টিল ক্যামেরা, ব্যানার, ফেস্টুন ইত্যাদিও স্টেডিয়ামের ভেতরে নেওয়া যাবে না। ক্যামেরাযুক্ত মোবাইল ফোন সেটও ওই এলাকায় বহন করা যাবে না বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।
নিরাপত্তা প্রস্তুতি প্রসঙ্গে বেনজীর আহমেদ বলেন, "পুলিশ, র্যাবসহ অপরাপর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো যে কোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে সব ধরণের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন করেছে।"
"প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীও যেন নিরাপত্তা রক্ষায় এগিয়ে আসতে পারে সে প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে।"
ডিএমপি কমিশনার জানান, কোন ধরনের দাহ্য পদার্থ, গ্যাস কন্টেইনার, রাসায়নিক দ্রব্য, যে কোনো ধরণের বিস্ফোরক দ্রব্য, মাদক দ্রব্য স্টেডিয়ামের ভেতরে নেওয়া যাবে না।
এদিকে মিরপুর স্টেডিয়ামে খেলা চলাকালীন সময়ে মিরপুর সনি সিনেমা হল থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্ত্বর পর্যন্ত, মিরপুর প্রশিকা মোড় থেকে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।
ডিএমপির পক্ষ থেকে দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়, খেলোয়ারদের টিম বাস, আইসিসির দাপ্তরিক গাড়ি, বিসিবি প্রেসিডেন্ট ও ভিভিআইপি গাড়িবহরের জন্য স্টেডিয়াম সীমানার ভেতরে নির্দিষ্ট স্থানে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
খেলা দেখতে আসা ভিভিআইপিদের বিজয় সরণীর উড়োজাহাজ ক্রসিং-বেগম রোকেয়া সরণী-মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্ত্বর হয়ে মিরপুর টিএন্ডটি ক্রসিংয়ে নেমে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে অনুরোধ করা হয় ডিএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বা খেলা চলাকালে স্টেডিয়াম বা সংলগ্ন এলাকায় টিকেট পাওয়া যাবে না বলেও জানিয়েছে ডিএমপি।
নিরপত্তার স্বার্থে টিকেট বা পাসবিহীন ব্যক্তিদের স্টেডিয়াম এলাকায় ঘোরফেরা না করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিশ্বকাপ সফল করার দায়িত্ব আমাদের সবার। লেখাটি আপনার ব্লগেও প্রকাশ করুন। অযথা হয়রানি এড়াতে সবাইকে এ নির্দেশনা জানতে সাহাজ্য করুন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


