একটা ছেলে তার বাসার সামনের ফ্ল্যাটে রোজ একটা মেয়েকে বারান্দায় বসে থাকতে দেখত। মেয়েটি বিকেলের বৃষ্টিকে ছুঁয়ে দেখত অথবা রাতের তারা ভরা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকত। ছেলেটা খেয়াল করল মেয়েটা প্রায় সময়ই খুব আগ্রহ নিয়ে আকাশ দ্যাখে।
ছেলেটা তার মামার বাসায় থাকত আর একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করত। তার বাবা পড়াশোনার খরচ এর বাইরে তাকে খুব কম অন্য খরচ দিতো কারণ বাবার পক্ষে এত খরচ বহন করা সম্ভব ছিল না,
ছেলেটা মাঝে মাঝে কিছু ছাত্র পড়িয়ে নিজের হাত খরচ চালাত।
সে বহুদিন ধরে অল্প অল্প করে বেশ কিছু টাকা জমিয়েছিল। কারণ তার খুব ইচ্ছা ছিল সেও তার বন্ধুদের মতো একটা দামী মোবাইল ফোন কিনবে। কিন্তু সেই মেয়েটিকে দেখতে দেখতে তার মাঝে কিছু অদ্ভুত পরিবর্তন আসতে লাগল।
একসময় সে বুঝতে পারল যে সে অদ্ভুত মেয়েটিকে ভালবেসে ফেলেছে যার আকাশের প্রতি অনেক টান। তার মনে হতো মেয়েটি আকাশ দেখতে খুব ভালবাসে। তাই সে তার মোবাইল কেনার জন্য জমানো সব টাকা দিয়ে মেয়েটির জন্য একটা দূরবীক্ষণ যন্ত্র কিনে ফেললো।
তারপর এক বিকেলে খুব সাহস করে সে উপহারটি নিয়ে মেয়েটিকে তার মনের কথা বলতে গেল।
মেয়েটিকে যখন সে খুব কাছে থেকে দেখল, তার মনে হল এত সুন্দর মেয়ে এর সে আগে কখনো দেখেনি। বিশেষ করে মেয়েটির চোখ দুটো ছিল অন্যরকম অদ্ভুত মায়াবী। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে ছেলেটির সব হিসাব নিকাষ ওলট-পালট হয়ে গেল,
যখন সে জানতে পারল যে মেয়েটির চোখে শুধু মায়া আছে; কোন প্রাণ নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


