এই মাত্র ফেসবুক ওপেস করে দেখি একজন লিখেছেঃ
উৎসব যখন জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার আনন্দ-উৎসব হয়ে উঠছে, তখন, সেই রাতে, চট্টগ্রামে মন্দির ভাঙ্গচুরের ঘটনা উৎসব-আনন্দকে ম্লান করে দেয়। ধিক্কার জানাই, প্রতিবাদ করি, উপযুক্ত শাস্তি'র দাবী করি। যারা বলছেন এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, তাদের বলি, এই বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রতিবাদে আপনিও যোগ দিন।
এটা কোন নতুন ব্যাপার না, এটা হয়ে আসছে সেই ৭১ এর পর থেকে। আপনার যারা তসলিমা নাসরিন এর লজ্জা বইটি পরেছেন তারা এটা সত্যি বলবেন নিশ্চয়। আর যার জন্য সে আজ নির্বাসিত, অতএব এসব বলে গলা ফাটানোর কিছু নেই। যা হচ্ছে তাহা মুথ বুজে মেনে নিন।
মাঠে নেমেছে
চট্টগ্রামের গোসাইলডাঙ্গায় মন্দির ভাঙ্গা ও লুটপাটের প্রতিবাদে রোববার বিকালে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায় মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান। এদিকে চট্টগ্রামে মন্দির ভাংচুরের ঘটনার জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় জনগণ গোসাইলডাঙ্গা এলাকা থেকে ওই যুবককে ধরে পিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। সে গোসাইলডাঙ্গার বি নাগ লেনের কবির মঞ্জিলের বাসিন্দা। রাত আড়াইটার দিকে রিংকুকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে স্থানীয় জনগণ।
তাহলে সেষ পর্যন্ত মাঠে নামলেন আর মনে হয় পার পাবে না।
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৩:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


