বট বৃক্ষ আমি; শিমুল ফুলের মালা পরিয়ে আমায়
শহরের মাছরাঙা পাগলীটি বলেছিলো
আমি তার বাকবাকুম পাখি ।
ঘাসের পেখমে জোছনা ভাঙার ছুপ ছুপ শব্দ পেলেই
কখনো ডুবো চর, কখনো নোনা চাঁদ, কখনো অজগর হতে চেয়েছিলো ।
আমার চুলে জটলা বেধেছে ; সেখানে নাকি মন্ত্র লুকানো
ফুল হাতা শার্ট. দামি বোতাম, দামি দিয়াশলাই যাদের
তাদের চেয়েও অপরূপ ভেলকি নাকি আমার জানা ।
কলমের খোসায় রাত্রি আর রিমোটের বাটনে শৈশব দিতে পারি ।
ইট, সুরকি দিয়ে বানাতে পারি আশ্চর্য রুপালী ঝিনুকের ভেলা ।
বোকা পাগলী
লাল লাল চোখ নিয়ে শহুরে সবল পিঁপড়ে গুলো বুঝবে কি তোর আবেগ ?
এখানে আশ্রয় নিলেই কলঙ্ক দেয়া কামড় দেবে তোকে।
আমি তো বোবা
মাটির বালিশে মন লুকানো
আপাতত মন আলাপের অংশ হতে পারিস ; বিনিময়ে ফুল নেবনা ।
পাতালের পরতে পরতে কবিতা লিখি, বট বৃক্ষ তবে ভেতরে কবি ।
মাছরাঙা ! তুই কি জানিস না ?
কবিদের পোষা পাখি আছে তবে খাঁচা নেই
টইটুম্বুর মেঘ আছে, মাছ নেই সেখানে ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১১:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


