somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মিরসরাই এ ৩৫ জন ছাত্রের মৃত্যু কি দুর্ঘটনা ? এভাবেই আমরা শোকার্ত হবো আবার ভুলে যাবো, এরপর আবারো ঘটবে । এর আগেও তো কতবারই ঘটেছে ? কিন্তু এর শেষ? ভেবেছেন কিছু ?

১৩ ই জুলাই, ২০১১ সকাল ৯:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এ থেকে শেখার আছে সবার । প্রতিটি নাগরিকের । এখনো সময় আছে একটু চিন্তা করুন । এটা কোন দুর্ঘটনা নয় । এটাকে "দুর্ঘটনা" বলার কোন কারন নেই ।
দুর্ঘটনা হল সেটা যা মানবিক ত্রুটির কারনে ঘটে । অথবা যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে ঘটে অথবা দৈব কারনে ঘটে যার উপর মানুষের হাত নেই । আবার “মানবিক ত্রুটি” বলা যাবে তখন যখন একজন চালক পেশাগত উপযুক্ত প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত হওয়ার পর ও যখন রাস্তায় চলাচলের জন্য অন্যান্য অবশ্য প্রয়োজনীয় সাবধানতা অবলম্বন করবেন, গাড়ীর ‘fitness’ থাকবে, নির্দিষ্ট গতিতে গাড়ী চালাবেন, ক্লান্ত অথবা ঘুম-প্রবন অবস্থায় গাড়ী চালাবেন না, নির্দিষ্ট পরিমান মালামাল বহন করবেন ইত্যাদি । তাহলে বলুন, এটাকে কি দুর্ঘটনা বলবেন আপনি ? ঐ ট্রাকটি যদি চালক ও চালাত তাও সেটাকে কি দুর্ঘটনা বলা যেত ?
এধরনের ঘটনা গুলো হচ্ছে সুদীর্ঘ ৩৫ বছরের ক্ষমতাসীনদের নষ্ট রাজনীতির সুদুরপ্রসারী ফলাফল ।
ব্যাখ্যা করছি । দেখুন কোন "chain of evil deeds" এসবের পেছনে ।
ঐ ট্রাকের হেল্পার কোনদিন রাস্তায় ট্রাকের মতো দানব পর্যায়ের একটি যানবাহন রাস্তায় চালানোর "ঝুঁকি" বিষয়ক কোন প্রশিক্ষন পায় নি ।
রাস্তায় ট্রাকের মতো দানব পর্যায়ের একটি যানবাহন কিভাবে নিরাপত্তার সঙ্গে চালাবে সেই বিষয়ে পায়নি "নিরাপত্তা" বিষয়ক কোন প্রশিক্ষন । "জীবন মহা মূল্যবান" পায় নি সে এ বিষয়ে ও কোন ধারনাগত প্রশিক্ষন । তার তো ট্রাক চালানোর “license” ই নেই ।
উল্টো সে জানে সে যত বড় অন্যায়ই করুক সমস্যা নেই । কারন "১০ টাকার" ট্রাফিক পুলিশ অথবা '২০ টাকার' সার্জেন্টকে ভয় করার কোন কারন নেই । আবার সেই ট্রাফিক জানে '২০ টাকা' নিয়ে সে যে প্রতিনিয়ত কতো জীবনকে আচম্বিতে শেষ করার "টিকেট" দিয়ে এসেছে এটা প্রশাসন ভালো করেই জানে । কিন্তু তার ভয় নেই এটা ও সে ভালো করে জানে কারন তার ২০ টাকার ভাগ তার উপরওয়ালা ও নিচ্ছে । এরপর কথা আসে “ভুয়া” license এর । কারা দেয় সেটা ? কতিপয় অসৎ কর্মচারী যারা তাদের “আয়” এর ভাগ নিয়মিত দেয় তাদের উপরওয়ালাকে । আর সেই উপরওয়ালার “অসততা” আর বাংলাদেশ সরকারের প্রতিটি মন্ত্রনালয়ের “অসৎ” প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের “অসততা” একই রকম ।
এরপর মাঝখানের সব কিছু বাদ দিয়ে শেষের “evil deed”টাই বলা যায় যে কিভাবে এরা শেষ পর্যন্ত এমনকি মন্ত্রীদের প্রভাবে অভিযোগ, বিচার এবং শাস্তি থেকে রেহাই পায় । তাহলে কি দাঁড়াচ্ছে ? এই মন্ত্রীরা কারা ? এরা কি তারাই নয় যাদেরকে আপনি ভোট দিয়েছিলেন আপনার চাকুরী, ব্যবসা বা ক্ষমতার সুবিধার্থে ? এরাই কি পরোক্ষভাবে আপনার সর্বনাশ করছে না ?
ভাবুন একবার । আমাদের করনীয় কি ?
http://www.youtube.com/watch?v=MAkxrl7_xnc
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে নভেম্বর, ২০১২ ভোর ৪:৪০
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×