
প্রেসক্রিপশন!
এক ভদ্রমহিলা ফার্মেসিতে ঢুকে কাউন্টারে কনুই ঠেকিয়ে, এমন ভঙ্গিতে যেন বাজার থেকে ধনেপাতা কিনছেন, বললেন,
:- ভাই, সায়ানাইড আছে?
ফার্মাসিস্টের হাত থেকে ওষুধের পাতা পড়ে গেল।
:- সায়ানাইড! এত কিছু থাকতে এটা কেন?
ভদ্রমহিলা শান্ত গলায়, চায়ের কাপে চুমুক দেওয়ার মতো করে বললেন,
:- স্বামীকে বিষ দিয়ে মারব। ডিসকাউন্ট আছে?
ফার্মাসিস্ট আঁতকে উঠে তিনবার "আল্লাহ রহম কর" বলে বললেন,
:- এটা আমি কোনোভাবেই দিতে পারি না, আপা! লাইসেন্স যাবে, জেল হবে, পাড়ায় মুখ দেখাতে পারব না! নীতি বলেও তো একটা জিনিস আছে!
ভদ্রমহিলা কোনো কথা না বলে ব্যাগ থেকে একটা ছবি বের করে টেবিলে রাখলেন।
ছবিতে ভদ্রমহিলার স্বামী আর ফার্মাসিস্টের স্ত্রী, একসঙ্গে, হাসিমুখে, কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে কোন এক হোটেলে!
ফার্মাসিস্ট ছবিটা একবার দেখলেন...
দুবার দেখলেন...
চশমা মুছে আবার দেখলেন...
তারপর গলা খাঁকারি দিয়ে, ভাব-গম্ভীর মুখে বললেন,
:- আপা, আগে বলবেন তো আপনার কাছে প্রেসক্রিপশন আছে!! এক পাতা দেব, নাকি দু'পাতা নাকি পুরো কার্টন? আর শুনুন, জোড়া কিনলে সেকেন্ড পাতা ফ্রী!
শিক্ষা:
যতক্ষণ বিপদটা অন্যের ঘাড়ে, ততক্ষণ আমরা সবাই নীতির বড় বড় কথা বলতে পারি। কিন্তু বিপদ যখন নিজের দরজায় কড়া নাড়ে, তখন নীতিবাক্যের সংজ্ঞাটাও বদলে যায়।
বি.দ্র.: জোকটা প্রচলিত একটি ইংরেজি কৌতুকের রূপান্তর। কোনো ফার্মাসিস্ট বা স্ত্রীর সঙ্গে মিল থাকলে তা সম্পূর্ণ কাকতালীয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



