somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এস এম ইসমাঈল
নতুনভাবে নিজের চিন্তার শক্তি আর ভাবনার বিশ্লেষণ করার সামর্থ অর্জনের জায়গা হল ব্লগ। বিচিত্র ভাবনারাশির আলোয় নিজেকে আলোড়িত আর আলোকিত করার উদ্দেশেই আমরা ব্লগে আসি। অবসর সময়টাকে ভালোভাবে কাটানোর জন্য এর চেয়ে মোক্ষম উপায় আর নেই। তদুপরি বিনোদন এখানে উপরি পাওনা

দেওবনদী, ওহাবী‌, তাবলীগী ওলামাদের দৃষ্টিতে মিলাদ ও কিয়াম – পর্ব - ১

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সকাল ১১:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারতীয় উপমহাদেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কিরাম এবং দেওবনদী, ওহাবী‌, তাবলীগী ওলামাদের দৃষ্টিতে মিলাদ ও কিয়াম – পর্ব - ১
১। দেওবন্দীদের সর্বজনমান্য পীর হযরত হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী সাহেব (১৮১৭ খৃঃ-১৮৯৯ খৃঃ) মাওলানা আশরাফ আলী থানবী ও মৌলভী রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী’র পীর মুহাজিরে মক্কী সাহেব তাঁর সুবিখ্যাত কিতাব “ফয়সালা হাফত মাসআলা”তে নিজে মিলাদ-কিয়াম করার কথা লিখেছেন। তাই তাঁর সুদীর্ঘ মক্কী জীবনে এর ছায়া পড়াটাই স্বাভাবিক।ঐ কিতাবের ১ নং মাসাআলা ‘মাওলুদ শরীফ অধ্যায়ে তিনি লিখেছেন, আমার নীতি হল, আমি মীলাদ মাহফিলে উপস্থিত হই, এমনকি মিলাদ মাহফিলকে বরকতময় করে প্রতি বছর আমি উহা উদযাপন করি এবং কিয়াম করার মাধ্যমে নবী প্রেমের স্বাদ লাভ করি।” উক্ত অধ্যায়ে তিনি আরও বলেন, “রাসুল (দঃ) মিলাদ শরীফে উপস্থিত হন, এ আকীদা বা বিশ্বাসকে কুফুরী ও শিরিক বলা বাড়াবাড়ি। কেননা মীলাদ মাহফিলে রাসুল(দঃ) উপস্থিত হওয়া সম্ভব। এটা যুক্তি সংগত ও কিতাবগত দলীল দ্বারা প্রমানিত।বরং অনেক জায়গায় রাসুল (দঃ)আগমন করেছেন তার প্রমান ও আছে।

“ইমদাদুল মুশতাক” কিতাবে তিনি আরও বলেছেন, “মিলাদ-কিয়ামকে অস্বীকার করা মূলতঃ
একটা অত্যন্ত উত্তম কাজ থেকে মুসলমানদেরকে বিরত রাখার নামান্তর। মীলাদের সময় সম্মানাররাথে দাঁড়িয়ে নবীয়ে করীম (দঃ) এর প্রতি সালাম দেয়াতে কোন ক্ষতি নাই।”

দেওবন্দী মুরুব্বীদের জীবনীমূলক গ্রন্থ “আরওয়াহে ছালাছা”-র ৩২১ নং পৃঃ বর্ণিত একটা ঘটনার কথা এখানে প্রাসংগিক হবে বলে মনে করি। তা হল, “হযরত হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কী সাহেব মক্কা শরীফে থাকাকালীন সময়ে একবার সেখানে রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী উপস্থিত ছিলেন।মুহাজিরে মক্কী সাহেব তখন রশীদ আহমদ গাঙ্গুহীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “অমুক জায়গায় মীলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তুমি যাবে?” রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী সাথে সাথে তাঁর পীর সাহেবের এ অনুরোধ অস্বীকার করে বলে বসলেন, “না। আমি যাবো না। আমি হিন্দুস্থানে এটা নিষেধ করে থাকি।” হায়রে! এ কেমন মুরীদ? যে কীনা নিজের পীরের নির্দেশ মানেনা? উলটা নিজের পীরের আমলের বিরুদ্ধে ফতোয়াবাজী করে! পীরের পূণ্যময় আমলকে হারাম, নাজায়েজ, বিদআত, ইত্যাদি বলার ধৃষ্টতা দেখায়। তাওবা। আস্তাগফিরুল্লাহ!!

২। হযরত শাহ আবদুর রহীম দেহলভী’ (রহঃ) এর আমল
হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী’ (রহঃ) তাঁর পিতা হযরত শাহ আবদুর রহীম দেহলভী’ (রহঃ) এর বরাত দিয়ে বলেন, “আমার বুযুর্গ পিতা আমার কাছে ব্যক্ত করেছেন যে, হুযুরে পাকের (দঃ) জন্ম তারিখে আমি তাঁর রূহের সওয়াব রেছানীর জন্য হামেশা খানার আয়োজন করতাম। এক বছর সে তারিখে খানার আয়োজন করতে না পেরে কিছু চনা আমি লোকজনদের মধ্যে বিতরণ করলাম। অতপর আমি হুজুরে পাক (দঃ) কে দেখতে পেলাম, অত্যন্ত উজ্জল আর হাসিমাখা মুখ নিয়ে তিনি উপবিষ্ট আর সেই চনাগুলো তাঁর সম্মুখে রাখা। (সূত্র- আদদুররুস সামীন ফি মুবাসশারাতিন নাবীইয়্যিল আমীন) ।

৩। হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী’ (রহঃ) (১৭০৩ খৃঃ-১৭৬২ খৃঃ) তাঁর ‘ফুয়ুযুল হেরেমাইন’ কিতাবে মীলাদে শরীক হবার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমি একবার হুজুরে পাক (দঃ) এর জন্মের তারিখে মক্কা মুয়াজ্জমার সেই ঘরে হাজির ছিলাম, যেখানে হযুরের (দঃ) শুভ জন্ম হয়েছিল। লোকজন হযুরের (দঃ) উপর দুরুদ পাঠ করছিলেন, হযুরে পাকের (দঃ) জন্ম সময়কার এবং নবুয়ত প্রকাশের আগেকার আশ্চর্য ও অলৌকিক ঘটনাবলী বর্ণণা করছিলেন, এমন সময় হটাৎ দেখতে পেলাম নুর চমকাচ্ছে। আমি এ নুরগুলোর প্রতি ধ্যান করলে বুঝতে পারলাম এটা সে সমস্ত ফেরেশতাদের নুর যারা এ ধরণের মজলিসে উপস্থিত হন।আমি আরো দেখতে পেলাম যে, ফেরেশতাদের নুরসমূহ রহমতের নুরের সাথে মিশে যাচ্ছে”।

৪। হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী’র পুত্র (রহঃ) হযরত শাহ্‌ রফীউদ্দীন মুহাদ্দিস দেহলভী (রহঃ) কুরআনে পাকের একজন সফল অনুবাদক। তিনি এক ফতওয়াতে বলেন, মীলাদ শরীফের জন্য এবং মানুষদের একস্থানে জড়ো করার জন্য রবিউল আউয়াল মাসে দিন তারিখ ঠিক করা আশুরার দিন অথবা মুহররম মাসে কিংবা অন্য মাসে ঈমাম হুসাঈন রাদিয়াল্লাহু আনহু’র আলোচনার জন্য মাহফিল আয়োজন করা , সালামী বা শরীয়ত সম্মত মর্সীয়া (শোক গাঁথা) শ্রবণ করা শুহাদায়ে কারবালার অবস্থা স্মরণে অশ্রু বিসর্জন ও কান্না করা ইত্যাদি জায়েয ও বৈধ। সূত্র – শামে কারবালা, মাওলানা শফী ঊকারভী, পৃষ্টা- ১৫৩।
এখানে উল্লেখ্য মাওলানা রফীউদ্দীন সাহেব দেওবনদী, ওহাবী‌, তাবলীগীদের পরম পূজনীয়। তিনি তাঁর “তারিখে হেরামাইন” কিতাবে লিখেছেন, “যে নবীয়ে করীম (দঃ) এর মীলাদ বা বিলাদাত শরীফ বর্ণনার মুহুর্তে কিয়াম করা ঐ সমস্ত আলেমগন মুসতাহসান বা উত্তম আমল বলেছেন, যারা হলেন যুগের মুহাদ্দিস ও ফকীহ।”
৫। শায়খ আবদুল হক মুহাদ্দিসে দেহলভী রহঃ (১৫৫১-১৬৪৩ খৃঃ) তাঁর “মা সাবাতা বিস সুন্নাহ কিতাবে লিখেছেন, “ সর্বদা এ নিয়ম চলে আসছে যে, হুযুরে পাকের (দঃ) জন্ম মাসে মুসলমানগণ মীলাদ অনুষ্ঠান করে মানুষের জন্য দাওয়াতী খানার আয়োজন করেন। ঐ দিন সমূহে বিভিন্ন ধরণের সাদকা-খয়রাত করেন, আনন্দ প্রকাশ করেন, মুক্ত হস্তে দান দক্ষিণা করেন। অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মীলাদ পাঠ করে তাঁরা আল্লাহ্‌র দয়া ও বরকত লাভ করে থাকেন। মীলাদ শরীফ পাঠের পরীক্ষিত খাছিয়ত (বৈশিষ্ট্য) এই যে, এতে সারা বছর আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে আমান বা নিরাপত্তা ও শান্তি লাভ হয় এবং মনের আশা পূর্ণ হয়ে থাকে। আল্লাহ্‌ রহম করুন, সেই ব্যক্তির প্রতি যিনি হুযুরের জন্ম তারিখকে আনন্দ খুশীর দিন বানিয়ে নেন, যেন এতে রুগ্ন হৃদয় আরো রোগাক্রান্ত হয়।”
৬। ‘তারীখে হাবীবে ইলাহ’ পুস্তকের লেখক মুফতি এনায়েত আহমদ সাহেব লিখেছেন, “মক্কা-মদীনা শরীফ এবং অধিকাংশ ইসলামী শহরে প্রচলন হলো রবিউল আউয়াল মাসে মীলাদ শরীফের অনুষ্ঠান করা। মুসলমানদেরকে জমায়েত করে হুজুরে পাক (দঃ) এর জন্মের আলোচনা করা, দরুদ শরীফ বেশী বেশী করে পাঠ করা, দাওয়াতী খানা অথবা শিরণী বিতরণ করা। এ কাজটি অনেক বরকতের কারন হয় এবং এর দ্বারা হুজুরে পাক (দঃ) এর সাথে মুহাব্বত বাড়ে। ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে মদীনা মুনাওয়ারার মসজিদে নববীতে এ বরকতময় মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়। আবার মক্কা মুয়াজ্জমায় হুজুরে পাক (দঃ) এর জন্মের স্থানেও। সুতরাং মুসলমানদের উচিত, হুজুরের (দঃ) মু্হাব্বতের তাগিদে যেন মীলাদ অনুষ্ঠান করেন।”
৭। শাহ মুহাম্মদ ইসহাক দেহলভীর স্থলাভিসিক্ত উসতাদুল উলামা হযরত শাহ আবদুল গনী মুহাদদিসে দেহলবী মুহাজিরে মাদানী (রহঃ) এর শিষ্য শাহ আবদুল হক এলাহাবাদী লিখেছেন, “আমাদের শায়খ ও মুরশীদ হযরত মাওলানা শাহ আবদুল গনী সাহেব নাক্সবন্দী, মুজাদ্দেদীকে আমি দেখেছি, মদিনায় রবিঊল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে রবিবার দিনে মসজিদে নববীতে মীলাদ শরীফের অনুষ্ঠানে শরীক হন এবং মসজিদে নববীর আঙ্গিনায় মিম্বরে বসে একের পর এক ইমামগণ রওযা শরিফের দিকে মুখ করে হুজুরে পাকের (দঃ) জন্মের যে আলোচনা করছিলেন তা শুনেন। কিয়ামের সময় সবার সাথে কিয়ামও করেন।এ পবিত্র মাহফিলে যে রকম হাল ও বরকত প্রকাশ পেয়েছিল, তা বলার ভাষা নেই।

৮। হযরত শাহ আবদুল আযীয মুহাদদিসে দেহলবী (রহঃ) –(১৭৪৬- ১৮২৪ খৃঃ)
তিনি প্রতি বছর মীলাদ শরীফের অনুষ্ঠান করতেন। মুরাদাবাদের সমাজপতি আলী মুহাম্মদ খানের নামে শাহ্‌ সাহেব যে চিঠি লিখেছিলেন, সেখানে তিনি স্বীয় আস্তানায় বার্ষিক মিলাদ মাহফিলের কথা ব্যক্ত করে লিখেন, “থেকে গেল মীলাদ অনুষ্ঠানের কথা। এর বিবরণ হল এই যে, রবিঊল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে পূর্ব আভাসমত লোক জন এসে সমবেত হয়ে দরূদ শরীফ পাঠে রত হন। আমি ফকীর এসে প্রথমে হুজুরে পাকের (দঃ) শান ও মান সম্বলিত কিছু হাদীস তারপর হুযুরের দঃ জন্ম দুধ পান, শরীর মুবারকের গঠন-আকৃতি এবং তাঁর জীবনের অলৌকিক কিছু ঘটনাবলী আলোচনা করি। অতঃপর উপস্থিত খানা বা শিরনীর উপর ফাতিহা পাঠ করে তা উপস্থিত লোকজনের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সূত্র -শাহ আবদুল হক এলাহাবাদী প্রণীত – আদ দুররুল মুনাজ্জম।
৯। হযরত শাহ আবদুল আযীয মুহাদদিসে দেহলবী (রহঃ) এর স্থলাভিসিক্ত শায়খুস শুয়ুখ হযরত শাহ্‌ মুহাম্মদ ইসহাক মুহাদদিসে দেহলবী (রহঃ) স্বীয় কিতাব “মিয়াতা মআসায়েল” এর ১৫ নং মাসআলায় লিখেন, মীলাদ শরীফের উপর উরসের কিয়াস করা ঠিক নয়। কেননা মীলাদ শরীফের মধ্যে হুযুর পাকের (দঃ) জন্মের আলোচনা হয়। ইহা আনন্দ খুশীর কারণ, আর আনন্দ খুশীর জন্য সমবেত হওয়া বিদআত এবং শরীয়ত বিরোধী কাজ থেকে মুক্ত হলে জায়েজ আছে। হুযুরের (দঃ) জন্মের খুশির মত খুশি আর কোন কিছুতেই নেই।”
এর শিষ্য লিখেছেন, “আমাদের শায়খ ও মুরশীদ হযরত মাওলানা শাহ আবদুল গনী সাহেব নাক্সবন্দী, মুজাদ্দেদীকে আমি দেখেছি, মদিনায় রবিবার দিনে মসজিদে নববীতে অনুষ্ঠানে শরীক হন এবং মসজিদে নববীর আঙ্গিনায় মিম্বরে বসে একের পর এক ইমামগণ রওযা শরিফের দিকে মুখ করে যে ছিলেন তা শুনেন। কিয়ামের সময় সবার সাথে কিয়ামও করেন।এ পবিত্র মাহফিলে যে রকম হাল ও বরকত প্রকাশ পেয়েছিল, তা বলার ভাষা নেই।



চলবে
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×