*** ফেব্রুয়ারির প্রথম দিনেই বইমেলা শুরু হয়ে গেল। ধুলি ধুসরিত আম্রকাননে লক্ষ সাহিত্যানুরাগীদের প্রানের এক মেলবন্ধন একুশে বইমেলা। বইমেলা নিয়ে হৃদয়ের উচ্ছাস গোপন করার কোন কারন দেখছি না, তাই খোলাখুলিই বলছি। বইমেলা নিয়ে আমার আলাদা একটা ফ্যান্টাসি আছে। প্রতিবছর বললে ভুল বলা হবে, ঢাকার পাঁচ বছরের চাকরী জীবনে প্রতিবারই বইমেলায় যেতাম। বই কেনায় খুব বেশি অর্থ খরচের সঙ্গতি না থাকলেও বইয়ের জন্য হৃদয়ের আকুলতা প্রকাশের কোন কমতি ছিল না। “বই কিনে কেউ দেওলিয়া হয় না” মনিষীদের এই অমোঘ বানীর মর্যাদা দানে সাধ্যমত বই কিনে লকার ভরার চেষ্টা করতাম। তবে কোন নির্দিষ্ট লেখক কিংবা নামকরা সাহিত্যিকের বইয়ের চেয়ে ব্যতিক্রমী লেখা, টপিক ও পিকুলিয়ার থিমের বইকে প্রাধান্য দিতাম। কারন আমার বিশ্বাস ছিল, একজন স্বনামধন্য লেখকের সব লেখাই ভাল হবে আর একজন অথ্যাত লেখকের সব লেখাই খারাপ হতে পারেনা।
**** সাহিত্যের ক্ষেত্রেও ব্রান্ড একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাড়িয়েছে। আজকালকার তরুন প্রজম্ন হুমায়ূন আহমেদ বলতে অজ্ঞান (আমি নিজেও তার লেখা পছন্দ করি)। তিনি কি লিখলেন সেটা বিবেচ্য নয়। আমি সাহিত্যের সমালোচক নই। তাই সেদিকে যাচ্ছি না। আর একটা ব্যাপার বিশেষ লক্ষ্যনীয় “প্রচারেই প্রসার”। যে যত প্রচার পাবে, যত বেশি মিডিয়া কভারেজ পাবে তার সাহিত্য ততই আলো ছড়াবে। এ কথায় অনেকেরই দ্বিমত থাকতে পারে। তবু বাস্তবতা অনেকাংশে তাই।
*** যাই হোক যা বলছিলাম, বই কেনা কিংবা পড়ার ক্ষেত্রে আমি লেখককে প্রাধান্য দেই না। লেখার বিষয়বস্তু, উপস্থাপন, টপিক এবং পিকুলিয়ার থিমের যেকোন লেখাকে আমি গোগ্রাসে গিলি। আর মানিব্যাগের স্বাস্থ্যের দিকে চিন্তা করে যথেষ্ট বই কিনি।

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



