somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দিবস কেন্দ্রিক বানিজ্যকে না বলুন

১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৮:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

*** প্রথমেই বলে রাখি দিবস কেন্দ্রিক যে কোন আচার অনুষ্ঠানে ভিষন এলার্জী আমার (তবে ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসগুলোর কথা আলাদা) : এই যেমন ভালোবাসা দিবস, বাবা দিবস, মা দিবস, বন্ধু দিবস ইত্যাদি ইত্যাদি। প্রিয়জনদের প্রতি ভালোবাসা, ভক্তি, শ্রদ্ধা, মায়া মমতা প্রদর্শন দিবস কেন্দ্রিক হতে হবে কেন? বছরের বাকীটা সময় ভালোবাসার খড়া চাপিয়ে, ভক্তি-শ্রদ্ধার নিকুচি করে, মায়া-মমতার হাহাকার ফেলে কেন নির্দিষ্ট দিবসের অপেক্ষা করতে হবে বুঝি না। এটা আমার যুক্তিতে মেলে না, বিশ্বাসের সাথেও যায় না।

*** আমার মতে, সুস্থ্য পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ কোন মানুষের এইসব দিবসের প্রয়োজন নাই। কারন বাবা-মা আত্মীয় স্বজন আপনার হাতের কাছেই থাকছে (একসাথে থাকা না হোক)। গ্রামীন ফোনের বদৌলতে (দুরত্ব যতই হোক কাছে থাকুন) আপনি ইচ্ছা করলেই আপনার নিকটাত্মীয়দের সাথে দুরত্ব ঘুচাতে পারেন। এক্ষেত্রে আমাদের স্বদিচ্ছাই যথেষ্ট। কিন্তু বাস্তবৃদষ্টে মনে হয় আত্মীয় বন্ধুবান্ধবদের সাথে দুরত্ব ঘুচানোর পরিবর্তে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই হা-হুতাশ করতে বেশি পছন্দ করছি আমরা।

*** সর্বশেষ গত 10 মে 2020 তারিখে মা দিবস চলে গেল। মাকে নিয়ে অনেকেই আবেগঘন স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন। লক্ষ্য একটাই আপনি মাকে কতটা ভালবাসেন তা ফেসবুকবাসীকে জানানো। ভাল কথা, জানলাম আপনার মায়ের প্রতি ভালবাসার কথা। তাতে আমার বা আপনার লাভ কি হলো? আপনি যাকে এতটা সম্মান করেন, ভালোবাসেন সে কি বিষয়টা জানে বা অনুভব করে। ভালোবাসা, শ্রদ্ধা-ভক্তি জানানোর বিষয়ও না, এটা হলো অনুভবের বিষয়, উপলব্ধির ব্যপার। হিসাব মিলিয়ে দেখুন, গত এক বছরে এমন কি কোন কাজ করেছেন যাতে আপনার মা কষ্ট পেয়ে থাকতে পারে, আপনার আচরনে তার মন খারাপ হতে পারে?

*** অনেকেই হয়তো জানেন না, অনুভবও করেন না, সন্তান হিসেবে পিতা-মাতা আমাদের কাছে কি আশা করে আর কতটুকু আশা করে। অস্পষ্ট ধারনার কারনেই পাশ্চাত্যের (যেখানে বৃদ্ধাশ্রম অগনিত) ফেরি করা বাবা দিবস, মা দিবস পালনের জন্য উঠেপড়ে লাগেন। সোজা কথায় লোক দেখানো ভন্ডামীতে মেতে ওঠেন। বাবার জন্য, মায়ের জন্য কি বোর্ডের ভার্চুয়াল যুদ্ধে নেমে পড়েন। সবচেয়ে বড় কথা, এসব দিবস উদযাপন আর বিলিয়ন ডলারের বানিজ্য যে একই মুদ্রার দুই পিঠ এ কথা বোঝার সাধ্য কয়জনের আছে?

https://bit.ly/2WtxhrY

https://bit.ly/2WwXrtC

https://bit.ly/2WYxEd5
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০২০ রাত ৮:২৪
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×