somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিক্ষক এবং শিক্ষকতা

১৫ ই জুন, ২০২২ বিকাল ৫:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


যিনি শিক্ষাদান করেন তিনিই হলেন শিক্ষক আর শিক্ষাদান করাটাই হলো শিক্ষকতা। জাতির ভবিষ্যৎ নাগরিকদের শিক্ষার ভার শিক্ষকদের ওপরই অর্পিত থাকে। একটি সমাজ বা জাতি কতটা সভ্য হবে সেটা নির্ধারিত হয় সুশিক্ষার মাধ্যমে। সুশিক্ষা দেবার জন্য প্রয়োজন সুশিক্ষক। তাই শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড না হয়ে সুশিক্ষকই জাতির মেরুদণ্ড হওয়া উচিত।


আপনি যদি কোন ছাত্র/ছাত্রীকে প্রশ্ন করেন যে, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও? উত্তর পাবেন আমি বড় হয়ে ডাক্তার হবো বা ইঞ্জিনিয়ার হবো ইত্যাদি ইত্যাদি কিন্তু কখনো কি শুনেছেন যে আমি বড় হয়ে শিক্ষক হবো? কারণ ওরা সমাজের অসংগতিগুলো দেখছে, শিক্ষকদের দুরবস্থাগুলো দেখছে। শিক্ষক যদি তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হয় এর চেয়ে জাতির দূর্ভাগ্য আর কি হতে পারে। আজ আমাদের প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকরা তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর কাজে আমরা কি আশা করতে পারি?


সমাজে যাদের অবদান বেশি অর্থাৎ যাদের কাজ সমাজে সবচেয়ে বেশি মূল্য যোগ করে তাঁরা হলেন কৃষক। কৃষকের অবদান সমাজে সরাসরি যোগ হয় অর্থাৎ ইহা দৃশ্যমান অপর পক্ষে শিক্ষকদের অবদান কৃষকের পরেই; শিক্ষকের অবদান দৃশ্যমান নয় কিন্তু তাদের অবদানের মূল্য যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদী।

স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে শিক্ষক কারা হবেন? যিনি বেশি জানেন তিনিই শিক্ষক হবেন। শিক্ষকের জ্ঞান ছাত্রদের থেকে বেশি হলে তবেই জ্ঞানের প্রবাহ সম্ভব। বাস্তবতা হচ্ছে ভিন্ন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শিক্ষা দেবার মতো যোগত্যা নেই কারণ মেধাবীরা এই পেশায় আসছেনা দূর্গতির কারণে। অথচ উন্নত বিশ্বে সবচেয়ে মেধাবীর আসছে শিক্ষকতায়; সেখানে শিক্ষকদের মূল্যায়ন আছে, সম্মান আছে সর্বোপরি সমাজে সচ্ছলভাবে বেঁচে থাকার মতো ভাতা আছে পক্ষান্তরে আমাদের দেশে অযোগ্যরা শিক্ষকতায় আসছেন নেই তাদের মূল্যায়ন, নেই সম্মান এবং না আছে সমাজে ভালোভাবে বেঁচে থাকার মতো ভাতা।

ঢাকার একটি স্বনামধন্য স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন একজন নির্বাচিত এমপি তিনি তার নিজের লোক, দলীয় লোক এবং পয়সার বিনিময়ে অনেক লোক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন ফলে স্কুলটির শিক্ষাব্যবস্থা একেবারে ভেঙ্গে পরেছে। নেই কোন পড়াশুনা বা নেই কোন ভালো শিক্ষক; তাহলে কিভাবে গড়ে উঠবে একটি সভ্য সমাজ বা সভ্য জাতি? :(



ছবি ; অর্ন্তজাল।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০২২ বিকাল ৫:১৪
১৭টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×