
কদিন থেকেই চোখে প্রচন্ত ঘুম,কোনো জায়গায় একটু বসতেও পারিনা বসলেই যেন দুইচোখে ভারি ঘুমের বোজা চেপে বসে।
ছোটবেলায় মা,চাচি,খালাদের মুখে শুনতাম মানুষের হঠাৎ হঠাৎ বেশি ঘুমের আবির্ভাব ভালো লক্ষন নয়,এটা নাকি বিপদ বা
কুলক্ষনের সংকেট।আজ কদিন থেকে আমার চোখে তেমন ঘুমের বাসা বেঁধেছে।
বৃক্ষশাখায় গেনু বসিবার তরে
চমক ঘুম আসিয়া বসিল চরে !
চক্ষু মোর চাহিয়া,
যেন ঘুন বাবুরে আনছে ডাকিয়া ডাকিয়া ।
মধুর কন্ঠে দেয় কানে ছুড়ে
ঘুমতো নয় যেন এখন আর বহুদূরে !
পরে যাচ্ছি দ্বন্ধ দ্বিধায়
ডাকছে যেম কোনো খুনী বিপদ আমায় ।
কেন হচ্ছে এমন ?
ঘুম মাতাল পুরী হয়ত তেমন,
হচ্ছে মনে আছি আমি এখন,
ঘুম রাজপ্রাসাদে থাকতাম যেমন।
কাল বৈকালের একটা ছোট ঘটনা,অবশ্য বলা চলে একটা বিপদ ঘটেছে ।
দুপুর দুইটার দিকে আমি দুধ চুলাতে দিয়ে এসে তেমন আর কোনো কাজ না থাকাতে টিভির সামনে বসি।
টিভি ছেড়ে মনে মিনিট দশ দেখছি কিনা সেটাও সন্দেহ আছে,চোখ ঘুমে টলমল শুরু করে দিল কখন যে
ঘুমিয়ে পড়েছি তাও বলতে পারবো না।পরে ঘুম ভেঙেছে পাশের বাসার বৌদির দরজা লকের শব্দে উঠে
দরজা খুলতেই বৌদি বললো কি বেপার বৌদির কি শরীর অসুস্থ মানে ঠান্ডা জ্বর এরকম কিছু ? আমি
বললাম না বৌদি তেমন কিছু না এই মাথাটা একটু ভার আর কদিন,বলতে বলতেই বৌদি বলে উঠলো
বুঝেছি আর কিছু বলতে হবেনা আগে রান্না ঘরে যেয়ে দেখেন চুলার উপরে হয়ত দুধ বসিয়েছেন তার
অবস্থা কি ? বৌদির মুখে এ কথা শোনার পরে পাহার ভেঙ্গে আমার মাথায় পরলো,ততক্ষনা আমার মনে
হল আমি ঘুমানোর আগে চুলার উপরে দুধ দিয়ে এসে টিভির সামনে বসেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রান্না ঘরে
যেয়ে দেখি আমার দুধের পাতিলে এক ফোটা দুধও নেই আর পাতিল পুরে কালো এবং লাল বাদামী রঙের
হয়ে গেছে।ঘড়িতে চেয়ে দেখি ৬,৩০মিনিটের মত বাজে প্রায় সারে চার বা পাঁচ ঘন্টার মত আমি ঘুমের
মাঝে ডুবেছিলাম ।হয়ত দুধ পুরে যেয়ে আমায় কিছুটা সতর্ক করে দিয়ে গেল,আর আমিও বুঝতে পারলা
আমার হঠাৎ অতিমাত্রা এই ঘুমের জন্য শুধু দুধের পাতিল না আরো বড় দূর্ঘটনাও ঘটতে পারতো তাই আমাকে
সতর্ক হতে হবে।
ছবিটা আমার না এটা অন্য একটা সাইট থেকে নিয়েছি। লেখার সৌন্দর্যের কথা ভেবে ছবিটি দিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



