বাংলাদেশের সংবিধানে একটা নিয়ম আছে তা হল_ দেশের বিভিন্ন দোকানের বিল বোর্ড, নাটকের নাম, চলচিত্রের নাম ইত্তাদিতে বাংলা অক্ষরে লিখা থাকতে হবে।
কিন্তু এইটা আমরা কয়জন মানি ধরলাম আমরা সংবিধান মানলাম না কিন্তু আমাদের নিজের কি কোন বিবেক নাই?
এই কোরবানির ঈদে মধ্যে কয়েকটি চলচিত্র মুক্তি পায়
যার নাম গুলো এমনঃ
১। মোস্ট ওয়েলকাম
২। হিরো দ্যা সুপার স্টার আরও কিছু আছে যা আমার মাথায় নেই কিন্তু অনেক ধরনের চলচিত্র আছে যার মূল নামে এই রকম ইংলিশ নাম ব্যাবহার করে।
ইদানিং বিভিন্ন নাটকেও এমন দেখা যায় যার মূল কারণ আমরা নিজেরাও জানি না।
বলতে পারবেন কেন এই আমাদের বাংলা ভাষা বিমুখতা?
আমাদের ভাষা কি আমরা দেড় টাকা কেজি ধরে কিনেছি নাকি এটা আমাদের কাছে বিশ__ কেন মনে নাই আমাদের ভাষার জন্য কতো জ্ঞানহীন মানুষ জান দিসিলো কতো মা-বোন নিজের সম্পতি বিলিয়ে দিয়েছে__ আজকে চতুর্বিংশ শতাব্দীতে এসে আমার মতো মানুষের কাছ থেকে তাঁদের শুনতে হয় তাঁরা নাকি জ্ঞানহীন!!!
হাঁ জ্ঞানহীন না হলে তাঁরা এই কাজ করতো না, জ্ঞানহীন না হলে নিজের সামান্য দেশের জন্য যান দিত না__ তাঁরা এতোটাই জ্ঞানহীন ছিল যে নিজের সাধের মাটি কাউকে দিতে চায় নাই আর তাঁরা পেরেছেও কিন্তু আমরা এতোটাই দুর্ভাগ্যবান যে তাঁদের সম্মান তো দেই উল্টা অসম্মানে ভরিয়ে দেই!!
ছোট্ট একটা উধাহরন দেইঃ
যারা মিরপুর থাকেন মানে ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত_ঐদিকে যারা থাকেন তাঁরা দেখেছেন কচুক্ষেতের স্বাধীনতা চত্বরের কি অবস্থা!!
এখন বলি এইখানে কি আছেঃ
এইখানে আমাদের সাতজন বীর খুবই সমাদরে থাকেন মানে এইখানে সাতটা বীরস্তম্ব আছে যাতে বাংলা ভাষায় তাঁদের জীবনী লিখা আছে খুব সুন্দর করে!!
কিন্তু চরম লজ্জার বিষয় হল এইস্তম্বে অনেক জ্ঞানী মানুষ তাঁদের প্রকৃতির কাজ সারেন__ হাহ প্রথম যখন এই কাজটি দেখেছি তখন কি চিন্তা করবো তা ভাবতেই কষ্ট হচ্ছিলো আসলে আমরা কি!!! মানুষ তো
এই যে বাংলা ভাষা বিমুখতা এইটা কি আমাদের ক্ষমতাশীল সরকার দেখে না নাকি তাঁরা জন্মান্ধ নাকি চোখে টিনের চশমা পরিধান করেছে।।
আর হাঁ যেখানে আমাদের ধর্ম নিয়ে কটূক্তিকারি বেঁচে যায় সেখানে বাংলা ভাষা তো অনেক দূরের জিনিষ।।
আমারা জাতি হিসেবে আসলেই অনেক নিম্নশ্রেণীর
কবে পাবো এর থেকে প্ররিতান
জাতির কাছে প্রশ্ন রইল

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



