
আহলে কোরআন নামে কোরআন ও হাদিস মানা, নাকি আহলে হাদিস হয়ে কোরআন ও হাদিস মানা, কোনটি উত্তম? এখানে উভয় সমিকরণে কোরআন ও হাদিস রয়েছে। শুধু নামের ক্ষেত্রে এক স্থানে কোরআন ও অন্য স্থানে হাদিস রয়েছে। হয়ত কেউ বলবেন, আহলে কোরআন ও হাদিস হলে ভাল হয়।কিন্তু সেটা হয়নি। হয়েছে ‘আহলে কোরআন’, ‘আহলে হাদিস’।
মুসলমানদের সব দল বলছে তারা তিহাত্তর কাতারের শুদ্ধ কাতার। কিন্তু আসলে কোনটি শুদ্ধ কাতার? আমি সেই শুদ্ধ কাতার বের করার চেষ্টা করছি।তবে আমার দৃষ্টিতে আমার কাতার বা হানাফী শুদ্ধ কাতার।যদিও এমনটা সব কাতারের লোকেরাই বলে। অবশ্য হানাফীরা শাফেঈ মালেকী ও হাম্বলীদেরকেও শুদ্ধকাতার মনে করে। কিন্তু প্রমাণের ক্ষেত্রে আমি হানাফী ছাড়া অন্য কোন দলকে শুদ্ধ প্রমাণ করার মত তথ্য উপাত্ত পাচ্ছি না।তবে অন্যরা কেমন করে জান্নাতি? এর উত্তর হলো তারা ভুল করে ক্ষমাপেয়ে জান্নাতি।
কিন্তু ভুল করে ক্ষমাপেয়ে জান্নাতি হওয়া আর শুদ্ধকরে জান্নাতি হওয়ার মধ্যে কিছু তফাৎতো থাকবেই। সেজন্য আমি শুদ্ধটা বের করার চেষ্টা করছি। আর ভুলটাও বের করার চেষ্টা করছি। আমার মনে হয় কোন ভাল কিছুর চেষ্টা করাতে কোন দোষ নেই।
বর্তমানে আমি একটা তথ্য যাচাই করছি। মিজান ঢাকা নামক ব্লগার বললেন, হানাফীদের দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যা গরিষ্ঠতার কারণ আব্বাসীয় খেলাফতের জবরদস্তি।তার এ কথা কতটুকু সঠিক।আরেকটা কথা হলো মাযহাবের লোকেরা কেন মাযহাব ত্যাগ করে সহিহ হাদিস মানেনা? কেন তারা সুন্নত ত্যাগ করে বিদয়াতে নিমজ্জিত?
তবে ইসলাম নিয়ে আমার গবেষণায় অনেকের ঘোর আপত্তি। কিন্তু কোনটা সঠিক সে ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে আমি নিজেই বা সেটা কেমন করে মানি? সেজন্য কারো আপত্তি থাকুক বা না থাকুক নিজের জন্য সত্য আমাকে খুঁজে বের করতেই হবে। চেষ্টা করে সফল না হলে অন্তত বলা যাবে চেষ্টাতো করেছি। যোগ্যতার অভাবে সফল না হতে পারলে আর কি করা যাবে? কিন্তু কোন অবস্থাতেই বিনা চেষ্টায় হাত পা গুটিয়ে বসে থাকা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
কোরআন বলেছে কোরআন মোত্তকীদের জন্য হেদায়েত। তো কোরআন কেন বলে দিচ্ছেনা যে হানাফী, শাফেঈ, হাম্বলী, মালেকী, আহলে কোরআন, আহলে হাদিস, শীয়া ও ইবাদী এসব দলের মধ্যে কোন দল সঠিক? অথবা সব দল সঠিক? অথবা অমুক অমুক দল সঠিক? অথবা অমুক অমুক দল সঠিক নয়?কোরআন যদি বলেই দিয়ে থাকে তবে এরা ঝগড়া করছে কেন? মসজিদ সমূহ আজ ঝগড়ার স্থানে পরিণত হয়েছে। মুসলমানরা বলছে সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে আল কোরআন। তবে এত বড় সমস্যার সমাধান কেন কোরআন দিচ্ছেনা? নাকি কোরআন সমাধান দিলেও লোকেরা সমাধান নিচ্ছেনা। মুসলমান হয়ে কোরআনের সমাধান না নেওয়ার কারণ কি? এসব নিয়ে আমি বিস্তর গবেষণা করে পোষ্ট দিতাম।এর জন্য আমাকে অনেক মন্দ কথা শুনতে হয়েছে। তথাপি আমি থামছি না। আমার কথা হলো যতযাই বলনা কেন সত্য আমাকে খুঁজে পেতেই হবে। সত্য খুঁজে না পাওয়া পর্যন্ত আমি থামছি না। সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে পীর তাকলীগ শবেবরাত মিলাদ ও মাযহাবের বিরোধীতা করার মত কোন গ্রহণযোগ্য কারণ আমি খুঁজে পাচ্ছিনা।যারা এসবের বিরধীতার কারণ বলছে সে সব কারণ আমার নিকট গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছেনা।আর তাদের অগ্রহণ যোগ্য মত গ্রহণ না করায় তারা আমার উপর যতই রাগ হোক তার কানাকড়ি মূল্য আমার নিকট নেই।কারো মত জোর করে আমার উপর চাপিয়ে দেওয়ার লোক অন্তত আমি নই। কথা বলবেতো তার লজিক অবশ্যই থাকতে হবে।
এরপর আঁধারের লোকেরা আসবে গুটি গুটি পায়। পোষ্ট দৃষ্টিসীমা থেকে দূরে সরার পর। একা আমার সাথে তর্ক করতে। কেনরে বাপু কেন দিনের আলো থেকে পালিয়ে বেড়াও? আমিতো নিজের ছবি টানিয়ে নিজের নাম ঠিকানা জানিয়ে ব্লগিং করি।আমার কাছেতো লুকালুকির কিছু নেই।আমরা সত্য জানব, সত্য জানাব, তাতেতো লুকালুকির কিছু থাকার কথা নয়।বাস্তব হলো মুক্ত আলোচনা ছাড়া সত্য উৎঘাটন সম্ভব নয়। সে জন্য পরমতে সবার শ্রদ্ধা থাকতেই হবে এবং জোর করে কিছু চাপিয়ে দেওয়ার মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে।
আমি আল্লাহ, কোরআন ও মহানবি (সাঃ) কে অকাট্যভাবে প্রমাণ করে একটা বই প্রকাশ করেছি। এখন মিশন হলো মুসলমানদের সঠিক কাতারকে অকাট্যভাবে প্রমাণ করা। আর এ কাজে আল্লাহ আমার একমাত্র সহায়। আমি হতাশ নই বরং দারুন ভাবে আশাবাদী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

