
‘যারা আল্লাহ যা নাজিল করেছেন সে অনুযায়ী হুকুম করেনা তারা কাফির’ আল্লাহর এ কথার ভিত্তিতে ইবাদীরা বলে কবিরা গুনাহ করলে কাফির হবে। কিন্তু ‘যারা আল্লাহ যা নাজিল করেছেন সে অনুযায়ী হুকুম করেনা তারা ফাসিক’ এটাও আল্লাহর কথা। উভয় আয়াতের সমম্বয়ে হানাফীরা বলে, আল্লাহর বিধান লংঘন করে শিরক ও কুফরে জড়ালে কাফির হবে, নতুবা কাফির না হয়ে ফাসিক বা গুনাহগার হবে। তারমানে সব কবিরা গুণাহে কাফির হবে না। কিছু কিছু কবিরা গুণাহে কাফির হবে।কিতাবের এক অংশ মান্য করা এবং অন্য অংশ অমান্য করা সূত্রে ইবাদীরা ইসলামের সঠিক দল নয়।
শীয়ায়ে আলী (রা.) বা আলীর (রা.) দল কোরআন স্বীকৃত নয়। আর শীয়ারা তাদের সঠিকতায় যে হাদিস উপস্থাপন করে সেটা মহানবির (সা.) হাদিস হিসেবে প্রমাণীত নয়। কাজেই শীয়াদের সঠিকতা অপ্রমাণীত।
আহলে কোরআন ও আহলে হাদিস কোরআন স্বীকৃত নয়। আর তা’ছাড়া তাদের নাম হওয়ার দরকার ছিল আহলে কোরআন ওয়াল হাদিস। তা না হয়ে তারা পৃথকভাবে আহলে কোরআন, আহলে হাদিস হয়ে ঝামেলায় পড়েছে।
হানাফী হলো একনিষ্ঠ। একনিষ্ঠ এর স্বীকৃতি কোরআনে রয়েছে। শাফেঈ, হাম্বলী ও মালেকী এর স্বীকৃতিও কোরআনে নেই।
হানাফী মত চল্লিশজন তাবে তাবেঈ এর ওলামা পরিষদ নিরিক্ষা ও সংশোধন করে অনুমোদন করেছেন যা অন্যসবার ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
হাদিসের রেফারেন্স বুক সমূহও নিরিক্ষীত, সংশোধীত ও অনুমোদীত নয়। সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য হাদিস গ্রন্থ বোখারী শরিফেও ডঃ মরিচ বুকাইলি ভুল সনাক্ত করেছেন। আর সেটা হলো ভ্রুণ সংক্রান্ত হাদিস।বুকাইলি বলেন অনেকেই প্রচলিত কথাকে হাদিস হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে যা হাদিস সংকলক ধরতে পারেননি। সে গুলো মহানবির (সা.) হাদিস নয়।এভাবে নিরিক্ষা করতেগেলে সেসব হাদিস গ্রন্থে অনেক ভুল পাওয়া যেতে পারে। এজন্য নিরিক্ষার প্রয়োজন আছে। যে সব মত বা রেফারেন্স বুক নিরিক্ষীত নয় সেসব মত বা রেফারেন্স বুক একক মত হিসেবে বিবেচিত হবে।
এখন কেউ যদি বলে আমরা এখন নিরিক্ষা করব। তা’আপনারা করতে পারেন। তবে আপনারা হানাফী মানের নিরিক্ষক পাবেন না। কারণ তাঁরা ছিলেন তাবে তাবেঈ।
বিঃদ্রঃ এখানে সঠিক দল বলতে আমি জান্নাতি দল বুঝাইনি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

