somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সনেট কবি
সনেট কবি রচিত সনেট সংখ্যা এখন ১০০৪ (৫ জানুয়ারী ’১৯ পর্যন্ত) যা সনেটের নতুন বিশ্ব রেকর্ড, পূর্ব রেকোর্ড ছিল ইটালিয়ান কবি জিয়েকমো দ্যা ল্যান্টিনির, তাঁর সনেট সংখ্যা ছিল ২৫০।

মুসলমানদের সঠিক দল

০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



‘যারা আল্লাহ যা নাজিল করেছেন সে অনুযায়ী হুকুম করেনা তারা কাফির’ আল্লাহর এ কথার ভিত্তিতে ইবাদীরা বলে কবিরা গুনাহ করলে কাফির হবে। কিন্তু ‘যারা আল্লাহ যা নাজিল করেছেন সে অনুযায়ী হুকুম করেনা তারা ফাসিক’ এটাও আল্লাহর কথা। উভয় আয়াতের সমম্বয়ে হানাফীরা বলে, আল্লাহর বিধান লংঘন করে শিরক ও কুফরে জড়ালে কাফির হবে, নতুবা কাফির না হয়ে ফাসিক বা গুনাহগার হবে। তারমানে সব কবিরা গুণাহে কাফির হবে না। কিছু কিছু কবিরা গুণাহে কাফির হবে।কিতাবের এক অংশ মান্য করা এবং অন্য অংশ অমান্য করা সূত্রে ইবাদীরা ইসলামের সঠিক দল নয়।
শীয়ায়ে আলী (রা.) বা আলীর (রা.) দল কোরআন স্বীকৃত নয়। আর শীয়ারা তাদের সঠিকতায় যে হাদিস উপস্থাপন করে সেটা মহানবির (সা.) হাদিস হিসেবে প্রমাণীত নয়। কাজেই শীয়াদের সঠিকতা অপ্রমাণীত।
আহলে কোরআন ও আহলে হাদিস কোরআন স্বীকৃত নয়। আর তা’ছাড়া তাদের নাম হওয়ার দরকার ছিল আহলে কোরআন ওয়াল হাদিস। তা না হয়ে তারা পৃথকভাবে আহলে কোরআন, আহলে হাদিস হয়ে ঝামেলায় পড়েছে।

হানাফী হলো একনিষ্ঠ। একনিষ্ঠ এর স্বীকৃতি কোরআনে রয়েছে। শাফেঈ, হাম্বলী ও মালেকী এর স্বীকৃতিও কোরআনে নেই।
হানাফী মত চল্লিশজন তাবে তাবেঈ এর ওলামা পরিষদ নিরিক্ষা ও সংশোধন করে অনুমোদন করেছেন যা অন্যসবার ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
হাদিসের রেফারেন্স বুক সমূহও নিরিক্ষীত, সংশোধীত ও অনুমোদীত নয়। সবচেয়ে নির্ভর যোগ্য হাদিস গ্রন্থ বোখারী শরিফেও ডঃ মরিচ বুকাইলি ভুল সনাক্ত করেছেন। আর সেটা হলো ভ্রুণ সংক্রান্ত হাদিস।বুকাইলি বলেন অনেকেই প্রচলিত কথাকে হাদিস হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে যা হাদিস সংকলক ধরতে পারেননি। সে গুলো মহানবির (সা.) হাদিস নয়।এভাবে নিরিক্ষা করতেগেলে সেসব হাদিস গ্রন্থে অনেক ভুল পাওয়া যেতে পারে। এজন্য নিরিক্ষার প্রয়োজন আছে। যে সব মত বা রেফারেন্স বুক নিরিক্ষীত নয় সেসব মত বা রেফারেন্স বুক একক মত হিসেবে বিবেচিত হবে।
এখন কেউ যদি বলে আমরা এখন নিরিক্ষা করব। তা’আপনারা করতে পারেন। তবে আপনারা হানাফী মানের নিরিক্ষক পাবেন না। কারণ তাঁরা ছিলেন তাবে তাবেঈ।


বিঃদ্রঃ এখানে সঠিক দল বলতে আমি জান্নাতি দল বুঝাইনি।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:১৫
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৫



সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন: আরও একটি প্রশ্ন

লিখেছেন মুনতাসির, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫০

প্রথম আলোতে মুনির হাসানের ‘পাকিস্তান পারল, বাংলাদেশ পারল না কেন’ লেখাটি পড়লাম। পাকিস্তানে Google-এর নিজস্ব অফিস চালু হওয়াকে সামনে রেখে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছেন: তথ্যপ্রযুক্তি খাতে একসময় খুব বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সর্ব্বহারা

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়।
১৯৪৩ সালে জাপান ভারতে আচমকা বেশ কিছু বোমা হামলা করে। সম্ভবত হিটলারকে খুশি করতেই জাপান এই কাজ করে। একের পর এক বোমা ফেলে মাদ্রাজে (বতর্মান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×