
আল্লাহ কোরআন পাঠালেন মুখে মুখে। হাফেজগণ কোরআন মুখস্ত করে ফেললেন। গাছের বাকলে লেখা কোরআনের কিছু অংশ ছাগলে খেলেও হৃদয় পাতায় লেখা কোরআন ছাগলে খেতে পারেনি।সে জন্য কোরআনের কোন অংশ হারিয়ে যায়নি।হজরত ওসমান (রা.) সম্পূর্ণ কোরআন সংকলন করলেন।এখন সম্পূর্ণ কোরআন একটি পুস্তকে পাওয়া যায়।
হজরত ওসমান (রা.) হাদিস সংকলন করেননি। সম্পূর্ণ হাদিস একটি পুস্তকে পাওয়া গেলে ভাল হতো।কোরআন ও হাদিস অনুযায়ী ইবাদত চালু করেছেন মহানবি(সা.)। এরপর একদিনের জন্যও ইবাদত বন্ধ থাকেনি যে হাদিস দেখে ইবাদতের নিয়ম জানতে হবে।এরপর হাদিসের দোহাই দিয়ে অনেকে ইবাদতে রদ বদল করতে চেয়েছে কিন্তু সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান সে রদবদল গ্রহণ করেনি। কারণ মহানবি (সা.) বলেছেন, তাঁর নামে মিথ্যা হাদিস প্রচার করা হবে।তবে কতিপয় মুসলমান হাদিস অনুযায়ী চলমান ইবাদতে রদবদল করেছে।যারা রদবদল গ্রহণ করেনি তারা বলছে এসব হাদিস মানসুখ বিধায় চলমান ইবাদত থেকে বাদ পড়েছে, এখন এসব হাদিসের আমল করলে ইবাদত বরবাদ হবে।আর যারা রদবদল গ্রহণ করেছে তারা বলছে ছুন্নাত আমল হিসেবে তারা রদবদল গ্রহণ করেছে। এখন প্রশ্ন হলো ছুন্নাত বড় না ইবাদত নষ্ট হওয়ার ফেকরা বড়? সেজন্য সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান চলমান ইবাদতে রদবদল গ্রহণ করেনি। এ ক্ষেত্রে হাদিসের দোহাই দিয়ে তাদের মাথায় কুড়াল ভেঙ্গেও কোন লাভ হয়নি। প্রসঙ্গত চলমান ইবাদতে রদবদল গ্রহণ করেনি হানাফীগণ। আর কতিপয় হাদিস অনুযায়ী চলমান ইবাদতে অন্য কিছু সংখ্যক মুসলমান রদবদল গ্রহণ করেছে। এখন প্রশ্ন হলো যেখানে একদিনের জন্যও ইবাদত বন্ধ থাকেনি সেখানে ইবাদতের চলমান নিয়মের পরিপন্থি হাদিস আসে কোথা থেকে? যদি সে হাদিস মানসুখ অথবা জাল না হয়ে থাকে? এ সন্দেহ থেকেই সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলমান এ সব সন্দেহ যুক্ত হাদিস গ্রহণ করেনি। কারণ মুসলামন অনুসরন করবে মহানবির (সা.) চলমান হাদিস। মুসলমান অবশ্যই মহানবির (সা.) মানসুখ বা রহিত অথবা জাল হাদিস অনুসরন করবেনা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

