
শীয়াদের দৃষ্টিতে হজরত আলী (রা.) ছাড়া মহানবির (সা.)বাকী তিন খলিফা বেঠিক। খারেজী বা ইবাদীদের দৃষ্টিতে মহানবির (সা.) চতুর্থ খলিফা হজরত আলী (রা.) বেঠিক। যেহেতু মহানবির (সা.)চার খলিফা সঠিক সেহেতু শীয়া ও ইবাদী বা খারেজী বেঠিক।শীয়া ও ইবাদী সঠিক হতে হলে মহানবির (সা.) চার খলিফাকে বেঠিক হতে হয়।মহানবির(সা.)তৃতীয় খলিফা বেঠিক হলে কোরআন বেঠিক হয়ে যায়, কারণ মহানবির(সা.)তৃতীয় খলিফা কোরআন সংকলন করেছেন। আর বেঠিক লোকের সংকলিত কোরআন সঠিক হয় কেমন করে? কাজেই শীয়াকে সঠিক ধরলে ইসলামকেই বেঠিক মানতে হয়।ইবাদীরা কোরআনের এক আয়াতের ভিত্তিতে বলছে কবিরা গুণাহ করলে কাফির হবে, অথচ অন্য আয়াতের ভিত্তিতে বলা যায় কবিরা গুণাহ করলে কাফির হয় না।কাজেই ইবাদীরা এক আয়াত মানে, অন্য আয়াত মানে না।কোরআনের আয়াতের অস্বীকৃতি জনিত কারণে ইবাদীরা সঠিক নয়।
মহানবি (সা.) বলেছেন, তাঁর উম্মতের একদল সব সময় সঠিক থাকবে।এক সময় মুসলমান তিন দল ছিল, যথাঃ- শীয়া, ইবাদী বা খারেজী ও হানাফী।যেহেতু শীয়া ও ইবাদী বা খারেজী বেঠিক, সেহেতু হানাফী সঠিক।সেহেতু পরে যারা হানাফীদেরকে বেঠিক বলেছে, হানাফী সঠিক হওয়াতে মূলত তারা বেঠিক।কাজেই হানাফীদের কারো কথায় দল ত্যাগ করে অন্যদলে যোগদান করার সংগত কোন কারণ নেই।মরারপর কারা কোথায় যাবে সে চিন্তা করেও হানাফীদের মাথা নষ্ট করার দরকার নেই। সে চিন্তা তিনি করলেই চলবে যিনি মরারপর মানুষের পরকালিন ঠিকানা নির্ধারণ করে দিবেন। হানাফীরা যেহেতু সঠিক পথে আছে সেহেতু তাদের আমল তাদেরকে সঠিক ঠিকানায় পৌঁছে দিবে।
মহানবি (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাঁর উম্মতকে পথভ্রষ্টতায় একত্রিত করেন না। তাঁর উম্মতের মধ্যে যেহেতু হানাফী একক সংখ্যা গরিষ্ঠ সেহেতু তারা পথভ্রষ্ট নয়।হানাফীরা কতিপয় হাদিস মানেনা। কারণ তাদের দৃষ্টিতে সেসব হাদিস মানসুখ অথবা জাল।যেহেতু হানাফীরা তাদের দৃষ্টিতে সঠিক সেহেতু তাদের দৃষ্টিতে সেই সব হাদিস মানসুখ অথবা জাল তাদের দৃষ্টিতে একথাও সঠিক।কাজেই তাদের দৃষ্টিতে মানসুখ অথবা জাল হাদিসের আমল তাদের দৃষ্টিতে তাদের না করাই সংগত।
যেহেতু নিজেদের দৃষ্টিতে হানাফীরা সঠিক, সেহেতু তাদের দৃষ্টিতে যারা তাদের ভুল ধরেছে তারা মূলত ভুল ধরতে ভুল করেছে। অতীতে যারা হানাফীদের ভুল ধরেছে তারা যে ভুল ধরতে ভুল করেছে হানাফী আলেমগণ সেটা প্রমাণ করেছেন। এখনো যারা হানাফীদের ভুল ধরে তারাও যে ভুল ধরতে ভুল করে সেটাও হানাফী আলেমগণ প্রমাণ করতে সক্ষম।
হানাফীদেরকে কোরআন ও হাদীসের আলোকে সঠিক প্রমাণ করা যায়। কাজেই তাদের দৃষ্টিতে তাদের বিপরীতমত পোষনকারীরা যে তাদের ভুল ধরতে ভুল করে সেকথা আর না বললেও চলে। এরপর মরারপর আল্লাহ যাকে যেথায় খুশী নেন সে চিন্তাকরে হানাফীদের মাথা নষ্ট করার কোন দরকার নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

