দেশের খেলাধুলা আরও এগিয়ে যাবে। খেলাধূলার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপই গ্রহণ করছে সরকার। সেইসাথে খেলাধূলায় উৎসাহ এবং সহযোগিতা প্রদান করতে সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। খেলাধূলার মধ্যদিয়েই আমাদের ছেলেমেয়েরা দেশপ্রেমিক হবে, দেশের দিকে আরও নজর দেবে। আমাদের শিক্ষক-অভিভাবক এবং বিভিন্ন স্তরে যারা জনপ্রতিনিধিরা আছেন, যারা একটু সচ্ছল ব্যক্তি আছেন এবং প্রত্যেক এলাকার এলাকাবাসী- সকলকেই এগিয়ে আসতে হবে। এখন খেলাধুলার প্রতি আমাদের ছেলেমেয়েরা মনোনিবেশ করেছে, তাদের আরও উৎসাহ প্রদান করতে হবে। এর সাথে সাথে সবধরনের সুযোগ-সুবিধা স্কুলগুলো যেন পায় সেই ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের দেশের খেলাধুলা আরও এগিয়ে যাক। ছেলে-মেয়ে সকলেই যেন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশগ্রহণ করে। এজন্য বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে। এভাবেই আমাদের সন্তানরা একদিন আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে। আমাদের লক্ষ্য আমাদের এই দেশ এগিয়ে যাবে সর্বক্ষেত্রে। আজকে যেমন আমরা আমাদের খেলাধুলাটাকে একটি প্রতিযোগিতামূলক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পেরেছি। তাছাড়া, আমাদের মেয়েরাও ভাল খেলছে। আমাদের মেয়েরা এএফসি অনুর্ধ-১৪ ফুটবলে আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ভারতে অনুষ্ঠিত নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় আমরা রানার-আপ হয়েছি। বাংলার দামাল সন্তানরা আত্মবিশ্বাসী হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা আরও এগিয়ে যাবে।প্রত্যেক উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে প্রত্যেক স্কুলে খেলাধুলার সরঞ্জামাদি প্রদান করা হচ্ছে যাতে খেলাধুলার মান আরও বৃদ্ধি পায়।

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


