সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান !
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল মাত্র ১৪। সম্মুখ সমরে অংশগ্রহণ করতে না পারার গ্লাণী আমাকে এ
খনো কুরে কুরে খায়। তবে সান্তনা আছে যে আমি পশ্চাদ রণাঙ্গণের একজন অনিবন্ধিত রসদ সংরক্ষণকারী ও সরবরাহকারী হিসাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলাম। শেখ মুজিবের ১৯৭১ সালের বিখ্যাত সেই ৭ই মার্চের ভাষণই আমাকে উদ্দীপ্ত করে রেখেছিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের নয়টি মাস এবং এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে অংশ নেয়ার জন্য। আমি আজো খুঁজে পাই ভবিষ্যতের উদ্দীপনা মৃত শেখ মুজিবের কাছ থেকে।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী শেখ মুজিব যেমন সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন। তেমনি স্বাধীনতা লাভের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ১৯৭২ সালের জানুয়ারীতে যদি ফেরৎ না আসতেন তাহলে আজকের বাংলাদেশের ইতিহাস আরো ভিন্নরকম হতো। দেশটি পরিণত হতো মধ্যযুগের বার ভূঁইয়াদের মারামারি আর কাটাকাটির বর্বর রাষ্ট্রে। কারণ শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে কোন মুক্তিযোদ্ধাই অস্ত্র জমা দিচ্ছিল না। একবার ভেবে দেখুন! শেখ মুজিব ফিরে না আসলে স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর সহযোগী ভারতীয় সেনাবাহিনী কবে কিংবা আদৌ ফেরৎ যেত কিনা বুকে হাত রেখে কেউ তা বলতে পারবেনা। অর্থাৎ অরাজকতার চূড়ান্তে পৌঁছার আরেকটি দামামা বেজে উঠার সংকেত দেখা দিচ্ছিল কয়েক সপ্তাহের নেতৃত্বহীন ও লক্ষ্যহীন ব্যবধানেই।
বঙ্গবন্ধু ক্ষণজন্মা বাঙালিদের একজন হলেও তিনি দোষে-গূণে একজন মানুষ ছিলেন। বিশেষ করে সেটা যখন সমাজ-সংস্কৃতি-ভাষা-জাতীয়তা, রাজনীতি ও ইতিহাসের বিবেচনায় আসে। শেখ মুজিব আমাকে যেমন বড় মাপের বাঙালি হতে উদ্দীপ্ত করে তেমনি কুন্ঠিত করে যখন তিনি ব্যর্থ হয়েছেন বর্বর পাকিস্তানী সৈন্যদের করে যেতেন। শেখ মুজিব আমাকে যেমন বড় মাপের রাজনীতিবিদ হতে উদ্দীপ্ত করে তেমনি কুন্ঠিত করে যখন তিনি ব্যর্থ হয়েছেন তাঁর ছেলে শেখ কামালকে অসামাজিক-অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখতে। শেখ মুজিব আমাকে যেমন বড় মাপের সাংগঠনিক হতে উদ্দীপ্ত করে তেমনি কুন্ঠিত করে যখন তিনি ব্যর্থ হয়েছেন ১৯৭৪ সালে রিলিফের মালামাল ঠিকমত বিতরণ করতে। শেখ মুজিব আমাকে যেমন বড় মাপের স্বাধীন মানুষ হতে উদ্দীপ্ত করে তেমনি কুন্ঠিত করে যখন তিনি ১৯৭৪ সালে একদলীয় বাকশাল সরকার কায়েম করেন। শেখ মুজিব আমাকে যেমন বড় মাপের বিশ্ববাঙালি হতে উদ্দীপ্ত করে তেমনি কুন্ঠিত করে যখন তিনি ব্যর্থ হয়েছেন পূঁজিবাদী সমাজব্যবস্থা আর সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার ভবিষ্যৎ বুঝতে।
জীবিত শেখ মুজিবের চেয়ে মৃত শেখ মুজিব আজকের বাংলাদেশে আরো বেশী শক্তিশালী। কিন্তু শেখ মুজিবের কারণেই যদি সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে পারিবারিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব বাংলাদেশের ঘাঢ়ে জেঁকে বসে তা জাতির জন্য মোটেও মঙ্গলজনক নয় আর বঙ্গবন্ধুও সেটা কখনো চাননি। তেমনি স্বাধীনতাপ্রাপ্তির চার দশক পরেও আমরা যদি শেখ মুজিবেরই উপহার ১৯৭২ সালের অবিকৃত সংবিধানে ফেরৎ যেতে চাই কিংবা ফেরৎ যাই সেটা যেমন হেবে শেখ মুজিবের মুখেই চপেটাঘাৎ তেমনি আমরা এই একবিংশ শতাব্দীতে বসে অগ্রসরের চাকাটি শুধু পেছন দিকেই নিয়ে যেতে চাইব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদেরকে ঘুম পাড়ানীর গান গাইয়ে রাখলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কিন্তু আমাদেরকে সে শিক্ষা দেননি।
সাবির মজুমদার
সিলিকন ভ্যালী, ক্যালিফোর্নিয়া
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।