somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

:-B :D ছবি চিত্রে ধাঁধা : সমাধানে যাচাই করুণ মেধা। বের করুন ছদ্মবেশী ১০ টি লুকানো প্রাণী :-B !:#P

২৪ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের সকলের কাছেই প্রাণীজগতের বৈচিত্র্যময়তা বেশ রহস্যজনক। প্রত্যেকটি প্রাণীর মধ্যেই প্রকৃতির বুকে বেঁচে থাকার জন্য আলাদা আলাদা ধরণের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই সকল বৈশিষ্ট্যের কারণেই হয়তো এই সকল প্রাণী এখনো প্রানীগত থেকে বিলুপ্ত হয়ে যায়নি। প্রাণীদের এইসকল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ছদ্মবেশ ধরার বৈশিষ্ট্য অর্থাৎ ক্যামোফ্লেজ নেয়ার বৈশিষ্ট্য। এই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে প্রাণেরা প্রকৃতির মাঝে লুকিয়ে থাকে। এরকমই ১০টি প্রাণীর ছবি নিয়ে আমাদের আজকের এই ফিচার। দেখুন তো খুঁজে বের করতে পারেন কিনা এই প্রাণীগুলোকে, ধরতে পারেন কিনা এদের ছদ্মবেশ। যদি পারেন তো বুঝতে হবে ভীষণ তীক্ষ্ণ আপনার দৃষ্টি! তো শুরু করা যাক-


(১) প্রথমে যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন তাতে কোন প্রাণিটি রয়েছে তা কি বুঝতে পারছেন? এবার খুঁজে বের করুন তো।


(২) আমরা সকলেই জানি কিছু প্রাণী রঙ বদলায়। এই ছবিতে কোন প্রাণী আছে ও কোন রঙ ধারন করেছে বলুন তো।


(৩) ছোট ছোট পাথর ছাড়া আর কিছু কি নজরে পড়ছে? একটু ভাল করে খুজে দেখুনতো।


(৪) অনেকক্ষণ ধরে তাকিয়ে থেকেও যদি এই গাছের গুঁড়িতে কোন কিছুর দেখা না মেলে তবে কিন্তু বলা যাবে না আপনার চোখ খারাপ। তবু ছদ্মবেশী প্রাণীটির প্রশংসা করতেই হবে।


(৫) এই ছবিটিতে কিছু কি আদৌ দেখা যাচ্ছে? এখান থেকে কোন প্রাণী খুঁজে বের করা আসলেই দুষ্কর।


(৬) এই সুন্দর দুটি ফুলে কোন প্রাণী/ পোকা দেখতে পান কিনা? যদি দেখে থাকেন তবে বের কোথায় ?


(৭) শুকনো পাতা ভেবে যেন ভুল করবেন না। এই ছবিতেও লুকিয়ে আছে একটি প্রাণি। বলুন দেখি প্রাণিটি কি?


(৮) প্রায় ৬০% মানুষজন এই ছবিতে কোনো প্রাণি খুঁজে পান না। দেখুন তো আপনি পান কিনা। যদি পান তবে আপনার দৃষ্টি ৪০% মানুষের মতো তীক্ষ্ণ।


(৯) এই ছবিতে বালুর ওপর কি দেখা যাচ্ছে তা বুঝতে খুব বেশি কষ্ট হওয়ার কথা নয়।


(১০) কি সুন্দর একটি সবুজ একটি পাতা দেখা যাচ্ছে তাই নয় কি? কিন্তু ভালো করে লক্ষ্য করুন তো পাতাটি। কিছু কি দেখতে পাচ্ছেন?

আপনারা খুজে বের করে প্রাণীগুলোর নাম ও অবস্থান জানান। উত্তর দেয়া হবে তখন মিলিয়ে নিবেন। :)
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৯
২৭টি মন্তব্য ২৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×