somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজ আমি তাদের বাড়িতে

০১ লা আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ ০২/০৭/২০১০ তারিখ শুক্র বার। আমি ভাবতেও পারিনি আজ আমাকে ওদের বাড়ি যেতে হবে। কাল ও বাড়ি এসেছিল , ওর দাদু ওদের বাড়ি বেড়াতে এসেছিল ভারত থেকে।ওর সকল মাসিমনিরাও ওদের বাড়ি এসেছিল। কাল রাত থেকে ও আমাকে কোন কল করেনি। সকাল ৯টার দিকে আমাকে কল করে। বলে তুমি কোথায়? সেভ করা আছে?/ কেন?/ তোমাকে হয়তো এখন আমাদের বাড়ি আসতে হবে।/কি বল?/ হ্যা দাদু তোমাকে দেখতে চেয়েছেন। মা-মাসিমনিরা দাদুকে তোমার কথা বলেছে, দাদু বলছে আর কবে আসব তার ঠিকনেই যদি দেখে যেতে পারতাম! // আমি কি করব ভেবে পাচ্ছিলাম না।খুব ভয় পেলাম। দিদিকে বল্লাম এবং মোবাইলটা দিদির কাছে দিলাম। দিদি বাবাকে ডেকে বাবাকে মোবাইলটা দিল। বাবা আমাকে ওদের বাড়ি যেতে বল্ল। দিদি বল্ল অংকন কে নিয়েযা। বাবা দিদির কাছে ৫০০ টাকা দিল আমাকে দেওয়ার জন্য। দিদি আমাকে টাকাটা দিয়ে বল্ল মিষ্টি কিনে নিয়ে যেতে। আমি øান করে খেয়ে অংকনকে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। দিদি কিছুদুর আমাদেরকে এগিয়ে দিয়ে আসলো। মশিয়াহাটি গিয়ে ওকে কল দিয়ে বল্লাম আমরা মশিয়াহাটি। ছেদুর দোকান থেকে মিষ্টি কিনে নিয়ে ভ্যানে চড়ে বসলাম। সোজা ওদের বাড়ি। বাড়ি ঢুকতেই দেখলাম ও গেটে দাড়িয়ে আছে। মুখে রুপ চর্চা মেখেছিলো। আমাকে ও সাথে করে বাড়ি ঢুকলো ওর বাবাকে ক্রস করলাম । আমাকে দেখতে পাননি সম্ভবত তাই রাস্তার সাইডে সরে গেলেন মিস্ত্রিরা কাজ করছিলেন তাদের নির্দেশনা দিতে।আমি প্রনাম করতে পারলাম না। আমি বাড়ির ভিতর ঢুকে দেখি ওর মা-মাসিরা সকলেই রান্না ঘরে আছে। আমি মিষ্টির প্যাকেটটা ওর হাতে দিয়ে রান্না ঘরে গিয়ে সকলকে প্রনাম করলাম। রান্না ঘর থেকে বেরিয়ে বাবাকে পেয়ে প্রনাম করলাম। বাবা ঘরে গিয়ে বসতে বল্লেন। আমি বারান্দায় গিয়ে ঠাকুরমার পাসে বসে কিছুসময় কথা বল্লাম ঠাকুমা চিনতে পেরে খুসি হলেন। পরে ঘরের দিকে গেলাম যেখানে আগে থেকে ভারতের দাদু বসে ছিলেন। দাদুকে প্রনাম করে পাসে বসলাম। দাদুর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে অনেকক্ষন কথা বল্লাম। ওর ছোট মাসিরা গতকাল আসেনি তাই তারা এখন আসলেন। সাথে বৃষ্টি ও অর্ক এসেছিল। আমরা প্রথমে ফল-মিষ্টি দিয়ে নাস্তা করলাম পরে রান্না হয়ে গেলে ভাত খেলাম।ও আর ওর বড় মাসি পরিবেসন করেছিল। খাওয়ার পর বৃষ্টি আমার হাত ধুইয়ে দিল। বৃষ্টি নাকি আমাকে পেয়ে খুসি হয়ে ছিল। আমরা অনেক মজা করার পর এক সংগে বের হয়েছিলাম। ওর মাসিমনিরা দাদু এবং ও যশোর চলে গিয়েছিল। আমি আর অংকন বাড়ি চলে এসে ছিলাম। পরে মোবাইলে সুনেছিলাম সকলে নাকি আমাকে বেশ পছন্দ করেছিল। দিন টা বেশ ভালোই কেটে ছিল।

২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পরিবর্তে ইয়াজিদী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪৯



সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×