somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময়ের লাশ ২য় পর্ব

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



দাদুর কাছে পড়তে গেলে আগে দু’একদিন বন্ধ দিতাম। এখন পারলে দিনে দু’বার যাই। কারণ যখনই পড়তে যাই, তখনই ওকে দেখি। হয়, মাঠে বসে আড্ডা দিচ্ছে; নয়তো, অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে। দু’মাস বয়ে গেছে শুধু দেখা-দেখি। আমাদের বাসা থেকে খানিক দূরে দাদুর বাসা। দাদু, দীননাথ চক্রবর্তী আমার বাবারও শিক্ষক, তাই মায়ের কথামত দাদু বলি। আজ মা দাদুর জন্য পিঠা দিয়েছে। আমি পিঠা নিয়ে যাচ্ছি। রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ বুকটা কেঁপে উঠল। যাকে দূর থেকে আড়চোখে দেখতাম, সে আজ রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে কি করছে? ভয়ে ভয়ে এগোতে লাগলাম। দেখি, একটা কাগজ ইট দ্বারা চাপা দিয়ে ও সরে গেল। বুঝতে আমার বাকী রইল না। হেঁটে সোজা দাদুর বাসায় চলে গেলাম। চিঠির দিকে ভ্রুক্ষেপও নেই আমার। পরের দিনও দেখি চিঠি একই অবস্থায় ইটে চাপা পড়ে আছে। কিছুক্ষণ কাগজটির দিকে তাকিয়ে রইলাম। হঠাৎ কি যেন অনুভূতি জাগল মনে। ভয়ে ভয়ে কাগজটি উঠায়ে চারদিকে তাকালাম। না, কোথাও কেউ নেই। বেশ পাকা হাতে বুকের ভিতর কাগজটা লুকিয়ে রাখলাম। যেন, কেউ না দেখে।

রাত তখন বারোটা। রাম আমার পাশে শুয়ে আছে। চারদিক নিস্তব্ধ। কেউ জেগে নেই। ভয়ে ভয়ে বুকের ভিতর থেকে কাগজটি বের করলাম। খুলতে দারুন ভয় করছে, হাত কাঁপছে। সবুজ জমিনের উপর লাল বৃত্তের একটি কাগজ সুন্দর করে ভাঁজ করা। পুরো কাগজটা খুলতেই আরো দু’টি কাগজ বের হয়ে এল। একটা কাগজের ভিতর ওর নিজের আঁকা ছবি। কি সুন্দর হাসছে! আর একটা কাগজে আঁকা একটা মানচিত্র, পূর্ব বাংলার। আরেকটা কাগজে ছোট ছোট করে লেখা। কিন্তু হায়! সব উল্টা করে লেখা। একেবারে উপরে লেখা--take a mirror and...|। আমি আমার পড়ার টেবিল থেকে আয়না আনলাম। বুঝলাম, ও আমাকে কষ্ট দিতে চায়। ও চায়, ওকে নিয়ে আমি ভাবি। আমি আয়নার সাহায্যে পড়তে শুরু করলাম--‘রূপশ্রী, তোমাকে প্রথম থেকেই আমি চিনেছি। আমি কে? তুমি আমাকে চিনবে না। আমাকে চিনতে তোমার অনেক সময় লাগবে। আমি মহাকাশের কোন এক বিদ্রোহী উল্কাপিন্ড। না, এ পৃথিবীরই শুধু আমি বাসিন্দা নই, আমি মহাবিশ্বের। পৃথিবীর মত আরো পৃথিবী আছে, এ মহাবিশ্বে--যেখানে সংঘাত, বিশৃংখলা, দূর্নীতি, জালিয়াতি, অত্যাচারের ঝড়ো হাওয়া বয়ে যায়, সেখানকার অধিবাসী হয়ে জন্ম নিই আমি বারে বারে। তোমাদের এ ভারতবর্ষে আমাকে অনেক বার জন্ম নিতে হয়েছে। ভয় পাচ্ছ? ভয় নেই, তোমাকে মুক্ত করতেই এ মর্ত্যে আমার জন্ম। তোমাকে স্বাধীনতা দেব। তোমার বুকে একটা মানচিত্র আঁকব আর রক্ত দিয়ে মেখে মানচিত্রের পাকা দলিল তোমার হাতে দিয়ে যাব। তুমি সুন্দর। তুমি বাংলার মানে পূর্ববাংলার এক বিমূর্ত প্রতীক। পাগল ভাবছ? সব নারীরা পুরুষদের একটু পাগল ভাবে কারণ নারীরা পুরুষ জাতিকে গর্ভে ধারণ করে এবং তাদের স্বেচ্ছাচারিতাকে প্রশ্রয় দেয়, ফলে পাগল সম্বোধনটা আদর অথবা ভালোবাসার কারণে চলে আসে। কিন্তু তাই বলে তুমি আমার মা, বোন কিবা প্রেমিকা না। তোমাদের কুসংস্কারচ্ছন্ন সমাজে যাদের তোমরা পিসি, মাসী, কাকা, মামা ইত্যাদি ডাক--আমি সে দলের কেউ নই। আমি অন্য রকম আত্মীয়; এ আত্মীয়ের স্বরূপ মধুসূদন, বঙ্কিম কিবা রবীন্দ্র--কেউ বর্ণনা দিয়ে যায়নি। রহস্য লাগছে, থাক পড়তে হবে না আর। কোথাও লুকিয়ে রাখ অথবা ছিঁড়ে ফেল, তারপর ঘুমিয়ে পড়। আমি গভীর রাতে সব বুঝিয়ে দেব। আমাকে বুকে রেখ না, তাহলে হৃদয়ে চলে যাব।’ ইস্! এত সহজ, দুষ্টু, এতক্ষণতো বুকেই ছিলে। যাও বুকেই থাক; হৃদয়ে যাওতো দেখি।

বালিশে মাথা রেখে চিন্তা করতে লাগলাম। চিন্তার ঘোরে একসময় ঘুমিয়ে গেলাম। হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে উঠল পদ্মা-মেঘনা-যমুনা। সারা দেশ কাঁদছে আমার জন্য। কিন্তু এখানে কারা হাসছে? ওদের হাতে লাঠি, পিস্তল, বোমা, বন্ধুক কেন? আমার হাত যুদ্ধ বিমান হচ্ছে, পা ছুটে চলেছে ট্রেনের গতিতে, মুখ চিৎকার করছে--কেউ শুনছে না। আমার একটা কলঙ্ক আছে। একদল পাখি আমাকে শুনিয়ে দিয়ে গেল। কি সেই কলঙ্ক! আমার হৃদয় সমস্ত দেহের ভালোবাসা চায় অথচ অঙ্গ-পতঙ্গ আমাকে ছেড়ে দূরে চলে যাচ্ছে কেন? আমার বুকে প্রবাহিত নদীগুলি শুকিয়ে যাচ্ছে। মাথার উপরে পাখিরা কাঁদছে। কাঁদছে আমার হৃদয়। হঠাৎ কোন এক অপরিচিত মহিলা--নিজেকে কবি পরিচয় দিচ্ছে, অনেকটা আমার মত দেখতে। তার লেখা ‘না গদ্য না পদ্য’ আমাকে শুনাচ্ছে--‘একটি মরুভূমি ভালবাসার প্রত্যাশায় যেমন সুদীর্ঘকাল অপেক্ষা করে সাগরের ছোঁয়া পেতে। সময়ের রুদ্র প্রখরে তীব্র তাপে তার হৃদয় যখন গলতে শুরু করে শ্মশানের জ্বলন্ত লাশের মত; তখন সে পাগলিনীর মত ডাকে--সাগর, সাগর--। কেউ তার ডাক শুনে না। শুনতে পায় না কোন মরুযাত্রী। সে ডাক বাজপাখী কিবা বাদুর পাখির ডাকের মত--যে ডাক বারবার প্রতিফলিত হয় খেঁজুর গাছের মাথা থেকে--সে ডাক আকাশকে কম্পিত করে--আকাশের বুকে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে থাকা পাহাড়কে ভীতি সঞ্চার করে জাগায়ে তোলে। সময়ের তীব্র ক্রোপানলে, আগুনের মতো জ্বালাময় কষ্টে মরুভূমির বুক খসে খসে ধূলো হয়ে যায়। ধূলো উড়ে যায় আকাশের বুকে, পাহাড়ের শিখরদেশে, বাতাসের নাসারন্ধ্রে, কালো মেঘ কন্যার কাছে। ধূলো-বাতাস পৌঁছে দেয়, মরুদুলালী হতভাগিনীর ব্যর্থ ভালবাসার শ্মশান জ্বালার করুণ হৃদয়স্পর্শী চিত্র; পৌঁছে দেয়, নির্মম বেদনার লেলিহান প্রখর দৃষ্টির ছোবল কাহিনী। আকাশ-বাতাস সবাই শুনে--সবাই দেখে--তারপর বিরহ বেদনায় খানিকক্ষণ আফসোস করে। বেদনা বেদনাই রয়ে যায়। কেউ তাকে ভালবাসে না। তার জ্বালা, তার বেদনা তার নক্ষত্রসমদূর কষ্ট ক্রমোত্তর বাড়তে থাকে। তবুও এক টুকরো জোনাকী আলোর মত ভালবাসা কারো কাছে প্রত্যাশা করেও আশাহত হয় বারবার।

সাগর-নদ-নদী-শাখা নদী সবার কাছে সে ভালবাসা চায়, এক টুকরো লাল ফিতা কিবা এক টুকরো ওড়নার মত ভালোবাসা কিন্তু তার কলঙ্ক জীবন যাকে ছুঁতে চায়, সেই তার মতো মরুময় হয়ে যায়। নদীর বুকে জেগে উঠে চর। তার কলঙ্ক ছোঁয়ায় জেগে উঠে সাগরের বুকে দ্বীপ। তাহলে কোন শতাব্দিতে, কোন সত্য যুগে সে ভালবাসা পেয়েছিল। আবার কত সহস্র কলিযুগ পরে সত্যযুগ আসবে--সে ভালবাসা পাবে। যখন সাগর তাকে বুকে আঁকড়ে ধরবে। সে তখন হবে সাগরিকা কিংবা সাগর কন্যা। তখন নদী, গাছপালা, পথ-প্রান্তর, পশুপাখী সবাই তাকে মুঠি মুঠি ভালোবাসা দেবে। তার বুকের স্রোতে ভাসবে জাহাজ, পাল তোলা নৌকা। তার পায়ে বাজবে ঘুঙ্গুর। তার হৃদয় কণ্ঠ থেকে শিবের শঙ্খ বাজবে। তখন তার প্রেমের গভীরতা সবাই বুঝবে; তার সুদীর্ঘ পরাধীনতার কলঙ্ক চিরতরে দূর হবে।’ কাঁধের পাটের ব্যাগ আমার বিছানায় রেখে মহিলা কবি কি যে বুঝাল--তার কিছুই বুঝলাম না। তবে উক্তিগুলি কেমন যেন রহস্য সৃষ্টি করল। বড় জটিল এর অর্থ কিন্তু শেষ উক্তিটির ‘পরাধীনতা’--শব্দটি আমাকে বেশ ভাবিয়ে তুলল। বৃদ্ধা আঙ্গুল দিয়ে চোখ চুলকাতে গিয়ে দেখি আঙ্গুল জলবিন্দুতে ভিজে গেল। আশ্চর্য! চোখে জল কেন! তাহলে এ গদ্যের অর্থ আর যাই হোক, সম্পূর্ণটা বুঝলে যে চোখে ঝর্ণা ঝরবে--এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত।

হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে উঠল--একটি মানুষ। সে প্রতিনিয়ত--সেই কবি হচ্ছে--আবার সুমাদ জাকারিয়া হচ্ছে--কখনো অবিকল আমারি মতো কিশোরী হচ্ছে। ক্রমাগত এই তিন রূপে একটি মানুষ পরিবর্তন হচ্ছে। সুমাদ একজন নেতা, সে আমাকে রক্ষা করার জন্য দলের নেতৃত্ব দিচ্ছে। আশ্চর্য! দলে এখন কবি, সুমাদ আরো অনেকে। আর আমি পরাধীনতার শিকলে বন্ধি। কত মিটিং, কত মিছিল, কত রক্ত বয়ে যাচ্ছে আমার জন্য। হঠাৎ গুলিবর্ষণ, কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ শুরু হয়ে গেল। দলের সবাই মরে যাচ্ছে। সুমাদের বুকে গুলি ...। না--, বলে চিৎকার দিয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠলাম। মা-বাবা দু’জনে দৌঁড়ে এল। ভাগ্যিস, চিঠিটা রামের পিঠের নীচে চাপা পড়ে ছিল; তা না হলে, মা কি যে ভাবত! মা লবণ জল নিয়ে এল, আমাকে পান করাল। তারপর মা-বাবার কাছে সব বললাম। মা বলল, ‘তোমাকে কতবার বলছি, ভাল একটা ছেলে দেখ, মেয়ের বিয়ে দেই। না, মেয়েকে পড়াবে, পড়াও। মেয়েটি এত বড় হল। এখনো একা একা...।’

দু’জনেই চলে গেল। বাবা অবশ্য আদর করে বলেছিল, ‘এগুলো কিছু না, মা। কালই আমি সুমাদকে নিয়ে আসব।’ স্বপ্নের কথা বললেও চিঠির কথা গোপন রেখেছিলাম। আবার ঘুমিয়ে ভাবতে লাগলাম আর মনে মনে বলতে লাগলাম--আমি কে?--না, আমি দিলীপ দাসের মেয়ে কল্যাণী। আমার বয়স চৌদ্দ। বাবা-মা আমার জন্য বর দেখছে। আমি শিক্ষিতা, সুন্দরী (সবাই বলে)--আমার হবু স্বামী নিশ্চয়ই খুব সচ্ছল হবে। তবে সুমাদ একি বলছে, আমি একটা মানচিত্র! রাত তিনটা বাজে। আমি আবার চিঠি পড়তে শুরু করলাম। ‘তোমার সারা দেহের লোমে লোমে ছড়িয়ে আছে আ- ই- ক- ম...। ওরা তোমাকে দলিত মথিত করে তোমার লোমগুলি একটি একটি করে তুলে নকল উর্দু অক্ষরযুক্ত লোম লাগিয়ে দেবে। তুমি অপসংস্কৃতি আর পরাধীনতার শৃংখলে আটকে যাবে। তোমার ভাষা হবে দেহের সাথে সম্পর্কহীন। তোমার কথা এত মধুর শুনাবে না। বুঝতে পারনি? পাকিস্তানীরা তোমার ভাষা কেড়ে নেবে। ভয় নেই, আমি তো আছি। আমি এসিড হয়ে ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে উৎপাদন করবো লবন ও পানি। লবণ দিয়ে দেশের জোঁকগুলোকে মারব। আর পানি দিয়ে তোমার বুকের উত্তপ্ত মরুভূমি ভরে দেব--পদ্মা, মেঘনা, যমুনাতে--এঁকে দেব তোমার ঠিকানা। অবাক হচ্ছো। বার তারিখে বিকাল তিনটায় আমাদের সমাবেশ হবে তোমাদের ঐ পশ্চিমের মাঠে। তুমি জানালা দিয়ে দেখ এবং সবার বক্তৃতা শুনিও। তুমি তথা তোমরা কোথায়, কেমন আছ, সব বুঝবে। এবার রাখি। কষ্ট দিলাম। দিদি, এর চেয়েও ভয়ংকর কষ্ট সম্মুখে তোমাদের...বিদায়।

চলবে


১ম পর্বঃ Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৪
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×