বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের আইনজীবীরা আদালত বর্জন করেছেন। বিএনিপপন্থী আইনজীবীরা আদালত প্রাঙ্গণে মিছিল করেছেন।
অর্থপাচার মামলায় মার্কিন তদন্ত সংস্থা- এফবিআইয়ের এজেন্ট ডেবরা লাপ্রেভোট্টের সাক্ষ্য না নিতে আসামি পক্ষের আবেদন নাকচ করায় তারা আদালত বর্জন করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবীদের অনুপস্থিতিতেই ডেবরার সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়েছে। তবে আবার কবে ডেবরার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে তা জানানি আদালত।
আজ বুধবার আদালতে ডেবরার সাক্ষ্য দেওয়ার তারিখ নির্ধারিত ছিল। সাক্ষ্য দিতে তিনি আদালতে উপস্থিত হন। কিন্তু তারেক-মামুনের আইনজীবীরা ডেবরার সাক্ষ্য না নিতে আবেদন করেন। আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত তা খারিজ করে দেন।
ডেবরার তদন্তেই প্রথম তারেক-মামুনের বিদেশে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের বিষয়টি প্রকাশ পায়।
এর আগে ডেবরার সাক্ষ্য দিতে আসার বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আবু।
মঙ্গলবার মামলার বাদী দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের সাক্ষ্য গ্রহণের পর দুদকের আবেদনক্রমে ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ মোজাম্মেল হোসেইন ডেবরাকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে সমন জারি করেন।
তবে মামলার এ পর্যায়ে ডেবরার সাক্ষ্য গ্রহণ করার তীব্র বিরোধিতা করেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের আইনজীবী সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।
আজও আদালতে হাজির করা হবে মামলার কারাবন্দী আসামি তারেকের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে।
গত ১১ সেপ্টেম্বর বাদীর আংশিক সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়।
উল্লেখ্য, টঙ্গীর বিসিক শিল্প এলাকায় একটি ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হলে গিয়াসউদ্দিন আল মামুন তার ঘনিষ্ট বন্ধু ও ব্যবসায়িক পার্টনার তারেক রহমানের মাধ্যমে কার্যাদেশ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে ১ জানুয়ারি ২০০৩ থেকে ৩১ মে ২০০৭ পর্যন্ত সময়ে ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নিয়ে তা বিদেশে পাচার করে।
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার বন্ধু মামুনের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়। গত বছরের ৬ জুলাই তারেক ও মামুনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
তারেক রহমানকে পলাতক দেখিয়ে গত ৮ আগস্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন একই আদালত। ওইদিন তারেক ও মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
একই ধরনের অভিযোগে গত ২৩ জুন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে ৬ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন একই আদালত।
http://banglanews24.com/news.php?nssl=68766
তারেইক্কা চুরার আইনজিবিদের কান্ড। এফবিআই কর্মকর্তার সাক্ষপ্রদানে বাধা প্রদানের চেষ্টা।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
১৯টি মন্তব্য ৮টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
পরিস্থিতি কি জটিল?

আজকের ডায়েরী- ২০৩

খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥


শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ
সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ
ব্যালটের চিঠি: মাননীয় ট্রাম্প, আপনার বাকি বন্ধ

"আমেরিকাকে আবার মহান করব" বলে এসে যিনি দুনিয়ার সবাইকে বিরক্ত করলেন, ভোটাররা তাঁকে জানিয়ে দিলেন: হুমকি ধমকি আর উম্মাতাল আঁতলামির... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।