এমন অনেক কিছু হয় হয়তো আমাদের চার পাশে যে... আপনি একজন মানুষকে অনেক অনেক বেশি ভালো বাসেন। প্রতিদিন নানা ধরনের কিংবা নানা রংঙ্গের অনুভূতির পসরা সাজিয়ে বসেন সেই প্রিয় মানুষটার জন্য। প্রতিদিন সকাল হওয়ার সাথে সাথে তার জন্য আপনার মমতা কিংবা ভালোবাসা মাখা আর্শীবাদ থেকে শুরু করে প্রত্যেটা মূহুর্তে তার জন্য শুভকামনা, তার প্রতিটি ভালো মন্দের খুঁটি-নাটি বিশ্লেষন আপনি করে থাকেন। যে বেপারগুলো একদমই তুচ্ছ, ক্ষুদ্র প্রিয় মানুষটার এই বেপারেগুলো গেঁথে থাকে আপনার মাঝে অহর্নিশ। প্রিয় সেই মানুষটা ভালো আছে কিনা..? খেয়েছে কিনা..? ক্লাসে কিংবা অফিসে গেলো কিনা...? যেতে কোথাও সমস্যা হলো কিনা...? এই প্রশ্নগুলো আপনাকে তাড়িয়ে বেড়ায় প্রতিদিন। হয়তো সেই মানুষটা অসুস্থ হয়েছে হঠাৎ করে আপনি হয়তো তাকে দেখতে যেতে মনে প্রানে চান। কিন্তু পারছেন না।আপনি শুধু প্রার্থণা করতে পারেন সর্ব শক্তিমানের কাছে তার জন্যে। এবং যে কোন মাধ্যমে আপনি তার খোঁজ রাখেন.. পরিচিত মানুষদের মাধ্যমে। কিন্তু সেই মানুষটা এত কিছু হয়তো জানেও না যে.. তার প্রতি আপনার ভালো লাগার কথা। বা জানলেও তার কাছে আপনি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নন। কিন্তু তারপরও আপনি কতটা তৃষ্ণা ও ব্যাকুলতা নিয়ে সেই মানুষটার মঙ্গলকামনা থেকে শুরু করে তাকে খেয়াল করে রাখেন। সে যে পথ দিয়ে হেঁটে যায়.. যেখানে তার স্পর্শ লাগে সেই স্থানটা আপনার কাছে স্বর্ণ খন্ডের মতো দামি মনে হয়। এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়তো সেই মানুষটা। তাকে ভালোবেসে আপনি ভালোবাসার এক পরম নিবিড় চাঁদর আপনি ঘায়ে জড়িয়ে রাখেন। আর মানুষটার স্শর্শ আপনি পাওয়ার জন্য আপনি ব্যাকুল হয়ে থাকেন।
আর এর কারন হলো মানুষটা আপনার কাছে আসবে এবং ভালোবাসবে বলে। হয়তো সে জানে না তারপরও ভেসে থাকে আপনার মনে ভালোবাসার ডুবন্ত পাথর। সে জানলো কি জানলো না বুঝলো কি বুঝলো না তা জানার দরকার নেই। আপনিই জানেন ভালোবাসার কোন অগ্নি দহনে আপনি পুড়ছেন। এখানেই আপনার স্বার্থকতা। জানলো কি জানলো না বুঝলো কি বুঝলো না সেখানে নয়।
আর আপনাকে বলি শেষের কবিতার ঐ পাড়ে কিছু নেই। এখানে হাত পেতে বসুন এখানেই আছে আপনার ভালোবাসা...!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



