প্রতি শুক্রবার আমার একটা জিনিষ না পড়লেই চলে না তা হলো স্টার উইকএন্ড ম্যাগাজিন। ম্যাগাজিনের প্রথম থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত পড়ি এক নিমিষে।
আর এই ম্যাগাজিনের মধ্যে সবথেকে ভালো লাগে "চিন্তিত" নিয়মিত আয়োজনটিকে।
আজ সেখানে পড়লাম এক জটিল জিনিষ। তাই, সবার সাথে শেয়ার করছি। মূল লেখাটি ইংরেজিতে। আমি লেখার গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলায় অনুবাদ করে দিলাম।
এখানে শুরুতেই বিজয়ী প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্যগুলোর জন্য যে পরিমাণ প্রচার করা হয়েছে তার কথা বলা হয়েছে প্রথমেই। দেখা গেছে যে, সেই সব দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, বিখ্যাত মানুষ ও বুদ্ধিজিবীরা যে পরিমাণ প্রচারে যোগ দিয়েছে; আমাদের দেশে তার অনেক কম হয়েছে। এমনকি অনেক দেশ তার প্রবাসীদের কাছে অনুরোধ করেছে ভোট দেওয়ার জন্য। আর আমাদের দেশ????
আর ভারত এত্তো বড় একখান দেশ, বিশাল তার জনগোষ্টি। কিন্তু, পশ্চিম বঙ্গের বাইরে ভারতে প্রচারণা ছিল ভোট দেওয়ার জন্য সেটা জানা যায় না।
তবে বিতর্কের শুরু এরপর থেকেই।
"We were never told that only 10 percent of the votes from the host country (i.e. Bangladeshi votes for Sundarbans) will be counted; the other 90 percent will be global. So my one vote would have been point zero, zero, zero something, if at all."
অর্থাৎ, নিজের দেশে বসে যারা ভোট দিয়েছেন তাদের ভোট থেকে মাত্র ১০% ভোট কাউন্ট হয়েছে। আর ৯০% ভোট কাউন্ট হয়েছে যারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে ভোট দিয়েছেন।
তাই, আমরা যে এত ভোট দিলাম মোবাইলে সেগুলি গনণার সময় হয়ে গেছে অত্যন্ত নগন্য।
আর এটা আমাদের কখনই বলা হয় নি।
আবার,
"We failed because it was not only votes that counted; an expert committee had a say in the final selection."
এর মানে, আমাদের ভোটই শুধু সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনের জন্য যথেষ্ট ছিল না। একদল বিশেষজ্ঞদের মতামতের উপর ভিত্তি করেই এটা নির্বাচন করা হয়েছে।
তাহলে, আমাদের মোবাইল ভোটের নামে ভোটগুলি কি হলো???? মোবাইল কোম্পানিগুলি করে গেলো ব্যবসা।
এবার শুনুন "দ্য ফাউন্ডেশন নিউ সেভেন ওয়ান্ডার্স"-- এর দূর্নীতির কথা। এরাই ছিল উদ্যোক্তা।
প্রথমে তারা রেজিস্ট্রেশনের জন্য নেয় ১৯৯ ডলার। এরপর দেখা যায়, নানা দেশের কাছ থেকেই তারা নানা অযুহাতে নানা দেশের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা নেয়। মালদ্বীপ সরকারের কাছ থেকে তারা দাবি করে অর্ধ মিলিয়ন ডলার।
আর যারা টাকা দিয়েছে তারাই................
বাংলাদেশের কাছে কত দাবি ছিল তাদের??????
তাও এত প্রতিকূলতা পেরিয়ে আমাদের সুন্দরবন যে ৯ম হতে পেরেছে এটাই বা কম কিসে। সুন্দরবন আমাদের গর্ব।
এখন এই সংঘটন নতুন করে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন টপ ৭টি শহর। আসুন ঢাকা কে ভোট দেই।
মূল লেখা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

