somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিচার চাই!!!!

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৩ সকাল ১০:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

“সরকারী চাকরি করে বেতন ৫ হাজার
৫০ হাজার টাকা মাসে খরচ দেখি তার।
বাকী টাকা কেমনে আসে সেকথা আর বলিনা
কেয়ামতের নমুনা জানি, কিন্তু মানিনা।”― রাধাপদ রায়

কবিতাই তাঁর জীবন ও জীবিকার অবলম্বন। তিনি এখন ক্ষতবিক্ষত শরীরে হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার চারণকবি রাধাপদ রায়ের (বয়স ৮০) দিন কাটে নিজ গ্রামসহ আশপাশের এলাকার মানুষকে স্বরচিত কবিতা শুনিয়ে। তিনি স্বভাবকবি, কবিতা লেখেন, গান রচনা করেন আর তা ফেরি করে শোনান গ্রামগঞ্জের মানুষকে। সমাজের নানা অসংগতি, অনাচার তাঁর কবিতায় তুলে ধরেন তিনি, কখনো কখনো গল্পের আসর জমান। এতে লোকজন খুশি হয়ে তাঁকে কিছু অর্থ দেন। তা দিয়েই অন্নের সংস্থান হয় তাঁর।

এমন নির্বিবাদী, বয়স্ক এ মানুষটির ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে স্থানীয় দুই দুর্বৃত্ত। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, প্রায় একমাস আগে একটি শালিশ বৈঠকে আসামিদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জের ধরে গত শনিবার পথরোধ করে রাধাপদ রায়ের ওপর বর্বরোচিত আক্রমণ চালায় মো. রফিকুল ইসলাম ও কদুর আলী নামে দুই হিংস্র জানোয়ার।

রাধাপদ রায় ডেইলি স্টারকে বলেছেন, ‘কদু ও রফিক গান-বাজনা পছন্দ করে না।’ ঘটনার প্রত্যক্ষর্দীরাও বলেছে, ‘আসামিরা গান-বাজনার সংস্কৃতির বিরোধিতা করে।’

রাধাপদ রায়ের ছেলে জুগল রায় বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে আমার বাবার ওপর হামলা চালায় রফিকুল ইসলাম ও কদুর আলী। পরে বাবাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। আমার বৃদ্ধ বাবাকে তারা যেভাবে মারছে, তা বলে শেষ করতে পারবো না।’

চারণকবি রাধাপদ রায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলায় আমরা সংক্ষু্দ্ধ। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। অন্যায় করে অপরাধীরা পার পায় বলেই দুষ্কৃতিকারীদের দুঃসাহস দিন দিন বেড়েই চলেছে। দেশের মানুষ বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে মুক্তি পাক। সরকার, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, আমরা একটা মানুষের রাষ্ট্রে বাস করি, অমানুষের না।

#রাধাপদ_রায়

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৩ সকাল ১০:৪২
৭টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফিরছে অনলাইন ক্লাসঃ বাস্তবতা অফলাইনে কিন্তু সিদ্ধান্ত অনলাইনে

লিখেছেন মোগল সম্রাট, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৪০




সরকার তিনদিন অনলাইন, তিনদিন অফলাইনে ক্লাস চালুর কথা বলছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস, ইন্টারনেট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এসব কি সবার নাগালে আছে? নাকি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

পানি: জীবনের উৎস, আল্লাহর রহমতের অবিরাম ধারা এবং সৃষ্টিতত্ত্বের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

ছবি, অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

পানি এই একটি শব্দে লুকিয়ে আছে সৃষ্টির রহস্য, জীবনের ধারা এবং মহান আল্লাহ তাআলার অফুরন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাসূলের (সা.) একমাত্র অনুসরনীয় আহলে বাইত তাঁর চাচা হযরত আব্বাস ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩




সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোরগের ডাক , বিজ্ঞানের পাঠ এবং গাধার প্রতি আমাদের অবিচার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:৫৫


গ্রামে বেড়ে ওঠা মানেই একটা অসাধারন শৈশব। আমাদের সেই শৈশবের একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল মক্তবের মৌলভি সাহেবদের গল্প। তারা বলতেন, ভোররাতে মোরগ ডাকে কারণ সে ফেরেশতা দেখতে পায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×