পাকিস্তান, ইরান সহ অন্যান্য দেশের মত আমাদের দেশেও ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হল। অবশ্য সরকার বলছে সাময়িক ভাবে। অনেকেই এর তীব্র প্রতিবাদ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পর পর দুদিন প্রতিবাদ করেছে শিক্ষার্থীরা। প্রতিবাদ করার মতই একটা ঘটনা। যেখানে বাংলাদেশের বর্তমান সরকার দাবী করছে তারা তারা বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ এ পরিনত করতে চায় সেখানে এরকম একটা ছোট অজুহাত দেখিয়ে ফেসবুকের মত একটা জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক কে বন্ধ করে দেওয়ার মত সীদ্ধান্ত কোন মতেই আমাদের দেশের উদার পন্থী সংস্কৃতির সঙ্গে খাপ খায় না।
তবে এ কথাও সত্য যে, আমাদের অনেকেই বিশেষ করে উঠতি কিছু তরুন সমাজ আর সেই সাথে নাই কাজের লোকেরা এর এমন ব্যবহার করতে শুরু করেছে যেন ইন্টারনেট খুনলে বুঝি ফেসবুক ছাড়া আর কোন সাইট ই খুজে পাওয়াই যায় না। ঘন্টার পর ঘন্টা কাজ কর্ম ফেলে দিয়ে শুধু ফেসবুক নিয়ে বসে থাকা নিশ্চয় কোন সুবিবেচক জাতির কাজ নয়। আর ফেসবুক নিয়ে অপকর্ম যে বেশ হচ্ছে সেটা তো ফেসবুক ব্যবহারকারী রা ভালোই জানেন। এরকম ব্যক্তিগত সময় নষ্ট হয়তো সরকারের মাথাব্যথার কোন কারণ হয়ে দাঁড়ায় না তবে অভিভাবকদের যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়ায় একথা বলা যায় অবলীলায় । নাওয়া খাওয়া পড়ালেখা ছেড়ে রাত বিরাত ফেসবুক নিয়ে বসে থাকা আর মোবাইল এ রাত জেগে কথা বলা দুটোই সময় সংহারক ও ক্ষতিকারক।
বাংলাদেশ সরকার জোর করে যে কাজটি করছে এটা যেমন কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না তেমনি সেই সব ফেসবুক ইউজারদের দের কাজ কর্ম্ও মেনে নেওয়া যায় না যারা নিজের কাজ ফেলে ফেসবুক নিয়ে বসে থাকে।
সরকার হয়তো আজ বাদে কাল ফেসবুকের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিবে বা নিতে বাধ্য হবে কিন্তু আমাদের এই সব ইউজারদের কি তাদের এই অপকর্ম থেকে থামানো যাবে? এসব ক্ষেত্রে একটা কথায় বলা যায় যে বিবেক হচ্ছে মানুষের সবচেয়ে বিচারক। আসুন, আমরা সেই বিচারককের যথাযথ মূল্যায়ন করি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


