somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শাওন সাফা
মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের অর্ন্তভূক্ত বৃত্তাকৃতির দ্বীপের মতন মতলব উত্তর উপজেলায় কোন এক অজপাড়া গাঁয়ে এক জনম দুঃখী মায়ের ঘরে আমার জন্ম।জন্মের আট মাস পর বাবা চলে গেলেন ফেরার দেশে। প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেই মায়ের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বর্ন মালা শিখে ..।

"বাবা ! নানু কাঁদছে কেন" ???

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৬ ভোর ৪:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


নানা-নানু অতি আদুরী বা সোহাগী একটা শব্দ।যাহা শিশুর মনে ব্যাপকভাবে আবেদন সৃষ্টি করে।নানা-নানু শব্দটি বার বার আপন মনে ডাকিবার সৌভাগ্যেও কারো কারো জীবনে হয় ! আবার কারো জীবনে এ মিষ্টি মধুর শব্দটি রয়ে যায় স্মৃতির গভীরে অপূর্নতায়। এই পূর্নতা বা অপূর্নতার বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে তিন বছরের একটি নিস্পাপ শিশুর কন্ঠে বাবা! নানু কাঁদছে কেন??? শিশুটি আমার ছোট ছেলে শুআইব আল হাঞ্জালা। তার একই প্রশ্ন নানু কান্দে কেন? কি কারনে নানু কান্দে? স্বপ্রনদিতভাবে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে টিবির পর্দায় কিংবা প্রিন্ট মিডিয়ায় বা ফেইস বুকে দেখা মাত্রই নানু নানু বলে চিৎকার করে পাশে থাকা মানুষটাকে দেখাবার চেষ্ঠা করবে। আর বলবে এইত আমার নানু ! বাবা ! নানু কাঁদছে কেন ? এমনকি কখন কিভাবে তার নানু বক্তব্য প্রদান করেন তার ব্যাখ্যা তাকে দিতেই হবে।মাঝ মধ্যে এমন সব মন্তব্য বা প্রশ্র করবে যার উত্তর দেওয়া আমার পক্ষে অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
এই নানু হচ্ছে বাংলার নানু,সবার প্রিয় নানু,কারো বা মা,কারো আবার হাসু আপা। বাংলার সফল রাষ্ট্রনায়ক, যাকে গত সপ্তাহে
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইভেট ডায়ান ক্লার্ক সোমবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘বিশ্বের গর্ব’ আখ্যায়িত করে বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের উচিত তাঁকে সমর্থন করা।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার প্রাপ্তি উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা কেবলমাত্র আপনাদের (বাংলাদেশীদের) গর্ব নয়- তিনি আমাদেরও গর্ব। তিনি আমাদের সকলের সেরা।’অনুধাবন করুন, শিক্ষা গ্রহন করুন,তারপর প্রিয় নেত্রীর সমালোচনা করুন।

বঙ্গকন্যার সাথে তার নানুর কোথাও কোনরুপ মিল অন্তত আমি খুজে পাইনা। হ্যা, মিল একটা আছে,তা হল চশমা পরিধান করার অভ্যাস।জানিনা এই শিশুটির আকুতি, আত্মচিৎকার , নানু সম্বোধনের শব্দ কখনো কোন কালে চন্দ্রালোকে পৌছতে পারবে কি না? বাবা হিসাবে আমিও তার এই ইচ্ছা পুরন করতে পারব কি না? যাহোক কল্পনার রাজ্যে বা ছবির জগতে অন্তত সে ইচ্ছা পুরন হতে বাধ্য।শান্তনার বানী বাবা তুমি বেশী বেশী ভাত খাও।ভাত খাইলে তারাতাড়ি বড় হবা আর বড় হলে তোমার নানুর সাথে তুমি দেখা করতে পারবা।সত্যি বাবা ! হ্যা বাবা ! আচ্ছা, ঠিক আছে।

ফেইসবুক বর্তমান দুনিয়ায় সবচাইতে জনপ্রিয় একটা যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠছে।যদিও কিছু অনাকাংখিত ঘটনার সম্মুখীন তবুও আমি বলব এর কল্যান সুদুর প্রসারি।এই ফেইসবুকের অপব্যবহারের কথা বাদ দিলে আমরা দেখতে পাই অতি অল্প সময়ের মধ্যে যোগাযোগের রাখি বন্ধন তৈরি করতে ইহা একটি মহাঔষধ হিসাবে কাজ করে আসছে।এ লেখার একপর্যায়ে শুআইব এসে বল্ল বাবা তুমি কি করতাছো? জবাবে বল্লাম তোমার আর তোমার নানুর কথা লিখতেছি।ও আচ্ছা।আমাকে দাও আমি নানুকে লিখবঃ।নিম্নে তার হুবহু লেখাগুলো উপস্থাপিত হলঃ
ড়চনকবচগজব্ দগচপচহড়হটপডযযপজগগড়গজচপপডডযঙযিিা্তদসরিুনন

আমার পৃথিবীটা যখন ক্রমশ খাচায় বন্ধি ফেইসবুল লকার খুলে ছেড়েদিয়েছে মুক্ত বিহঙ্গে। খোজতে লাগলাম বালু কনা ও প্রহানুপুঞ্জ।সশরীরে প্রথম দেখা মিলে লেখক ও ইতিহাসবিদ জনাব অমিনেষ রহমান।দ্বিতীয় হচ্ছে মহুয়া সুন্দরীর লেখক ও পরিচালক জনাবা রওশানারা নিপা।তৃতীয় হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ ব্যক্তিত্ব যিনি বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের জামাত-শিবিরের জম, বার বার মিথ্যা মামলায় হয়রানীর স্বীকার,মাঠের অতি আস্থাভাজন নেতা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহ-সম্পাদক জনাব ইঞ্জিনিয়ার আজিবর রহমান মোহন।
মোহন ভাইয়ের সাহচর্যে ধানমন্ডির কার্যালয়ে কিছু সময় উত্তরন(আওয়ামীলীগের পত্রিকা) অফিসে আড্ডা দিয়ে রুবেল সহ আমরা ক’জন কার্যালের সামনে সেলফি তোলা হয়।আর মোহন ভাই কয়েকটি উত্তরন পত্রিকা হাতে দিলে যত্ন সহকারে বাসায় আনার পর শুআইব বলে উঠল এগুলো আমার জন্য এনেছ? এগুলো আমার বই।এখানে আমার নানু আছে।নানুকে আমি কাঁদতে দিবনা।যারা নানুকে কাদিয়েছে আমি তাদেরকে মেরে ফলব।আমি অবিভূত।আমি আনন্দিত।আমি গর্বিত। আমার সন্তানের জন্য শুভ কামনা প্রার্থনা করছি।আল্লাহ যেন দীর্ঘ্যু দান করেন।

“বাবার মুখে শুনেছি তোমার কান্নার কথা
শিশু মনে করেছি প্রতিজ্ঞা, তাদের করবনা ক্ষমা”।

তিন বছরের শিশু শুআইব নানুর বুকচাপা কান্নার রহস্য বুঝতে পারল।অথচ বেঈমানেরা আজও অট্টহাসিতে ব্যস্ত।শকুনেরা আজও তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
নানু তোমার চোঁখের জল মুছে দেবার জন্যই আমার জন্ম।আমার মত হাজারো শুআইবের জন্ম।তুমি এগিয়ে যাও দুর গগনে , আমারা আছি থাকব আগামীদিনে সূর্যালোকে অন্ধকার দ্রুভূত করব।।
জয়-বাংলা।
জয়-বঙ্গবন্ধু

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৬ ভোর ৫:১১
৭টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×