somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গড়বড়ে রুক্ষ জীবন!

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৭:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১। গড়বড়

ঋতুচক্রে সময় পাক খায়- পাক খাইতে খাইতে সে বহিয়া যায়!
সময়ের সাথে আমরাও পাক খাই- পাক খাইতে খাইতে বহিয়া চলি !
কখনো কক্ষপথে, কখনোবা কক্ষবিচ্যুত !
কক্ষপথে আবর্তিত হইতে হইতে তীব্র কেন্দ্রাভূমুখি বলের প্রাকট্টে- কখনো আমাদের,
কেন্দ্রের উপস্থিতির কথা মনে পড়িয়া যায়।
অথবা, কক্ষবিচ্যুত পথে দিক্বিদিক ছুটিতে ছুটিতেও আমাদের বিস্মৃত অতীতে,
কেন্দ্র উঁকি মারিয়া যায়!
পরক্ষণেই, বাজখাই গলায় 'কে ওখানে?'
শুনিয়া তাহা মিলাইয়া যাইতেও বোধকরি খুউব সময় ক্ষেপণ হয় নাই!

আবার মিলাইয়া গেলেও কি তাহা শেষ হইয়া যায়?
কোন অনতিদূর ভবিষ্যতে, চক্রের পরিসীমা ঘুরিয়া কক্ষবিচ্যুত পথকেই,
অন্য ব্যাসার্ধের কক্ষপথে আবিস্কারের সম্ভাবনাও কি নিতান্তই ক্ষুদ্র ?
অথচ অদ্ভুত আমরা 'শুরু হইলেই নাকি সব শেষ হইয়া যায়' এই ভরসা লইয়া;
কেন্দ্রের সকল আকর্ষণ তুচ্ছ মান্য করিয়া
-- সবকিছু শুরুই করিয়া দেই!

কক্ষবিচ্যুত, নাকি কক্ষপথ !





২। রুক্ষ জীবন !

একজন পিতা। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে মরিয়া!
একজন সন্তান। সকল উপলব্ধি নিয়ে পিতাকে সাপোর্ট দিতে অক্ষম!
একজন মাতা। পৃথিবীময় মায়া নিয়ে ঘোলা চোখ!
একজন প্রেমিকা। দুই হাতে আঁচল তুলে নিয়ে অসহায় মুখ!
একজন বন্ধু। একবুক ভালবাসা বিলিয়ে নিঃস্বপ্রায়!

একজন ভাই। সমস্ত অপরাধ শুষে নীল!
একজন বোন। সমস্ত আহ্লাদ গিলে খেয়ে নির্বাক!
একজন শিক্ষক। নিঃস্বার্থ জ্ঞান বিলিয়ে দুশ্চিন্তায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত!
একজন বৃদ্ধ। কৈশোরের উদ্দামত্তা বিলিয়ে, বয়সের ভারে নূজ্য!
একজন বধূ। আকুল অপেক্ষা!
একজন ব্যবসায়ী। ক্রেতার প্রতীক্ষা!

একজন পুরুষ। জীবনের টানাপোড়নে অকালপক্ক!
একজন শ্রমিক। পোড়া পীঠে ফুটপাথের একপাশে হেটে চলা!
একজন ড্রাইভার। চার চাকায় ঘোরানো স্বপ্ন!
একজন হেল্পার। আজীবন অন্যের চোখে খোজা-আশা!
একজন চাকুরীজিবী। সুদীর্ঘ মাস শেষের প্রতীক্ষা!
একজন ক্রেতা। সাধ আর সাধ্যের হিসাবে ঘোরপাক!

একজন কবি। কবিতা!
একটা গীটার। টুং টাং, এক কাপ চা;
হারিয়ে খোজা, কানা বগীর ছা!
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু খাতের চাকুরী বেতন-ভাতামুক্ত ঘোষণা করা যেতে পারে

লিখেছেন এমএলজি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৮

এক সমীক্ষায় জানা যায়, বাংলাদেশে সরকারি চাকুরেদের প্রায় ৯১ শতাংশ ঘুষ গ্রহণ করে। এছাড়া, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনেকেও মনে করেন বাংলাদেশে দুর্নীতি নির্মূল সম্ভব নয়; যার অর্থ দাঁড়ায়, দুর্নীতিকে আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×