somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোঃ তাওহীদুর রহমান স্বরূপ
ভালো লাগে লেখালিখি করতে। ভালো লাগে সিনেমা দেখতে। এসব নিয়েই কিছু করে বাঁচতে চাই। পড়ছি ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।

Happy Wife, Happy Life

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মিলি বাড়িতে ঢুকতেই সবাই অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেছে। ছেলেদের মেসে হঠাৎ কোনো মেয়ের আগমণ ঘটলে এরকমই হয়। মনির তাড়াহুড়ো করে হাতের কাছে কিছু খুঁজে না পেয়ে হাফ প্যান্টের উপর একটা পাঞ্জাবী চাপিয়ে নিয়েছে। পাছে খালি গা আর লুঙ্গি পরা অবস্থায় মিলি দেখে ফেলে এই ভয়ে হিরু আর ফরহাদ একসাথে বাথরুমে অবস্থান নিয়েছে। মিলি এসেছে সাহেদের খোঁজে। আজ ৩ সপ্তাহ হল সাহেদের সাথে মিলির একবার কথাও হয়নি। এই যুগে এসে সাহেদ মোবাইল ব্যবহার করে না। জিজ্ঞেস করলে বলে মোবাইল কেনার টাকা নাই। এখন মোবাইল কিনতে কত টাকাই আর লাগে। মিলি নিজেই গত মাসে সাহেদকে একটা মোবাইল কিনে দিয়েছে। হাত খরচ থেকে যেটুকু টাকা জমিয়েছিল তা থেকেই মোবাইলটা কেনা হয়। তাও এই ছেলেকে মোবাইলে পাওয়া যায় না। সুইচড অফ সব সময়।



সাহেদের রুমটা সিঙ্গেল রুম। কিন্তু তাতে গাদাগাদি করে দুটো বেড বসানো হয়েছে। তার একটাতে থাকে জিহাদ। আরেকটাতে হিসাব অনুযায়ী সাহেদের থাকার কথা। কিন্তু মিলি যতবারই এসেছে ততবারই দেখেছে সাহেদের বেড দখল করে আছে এক ছেলে। দেখতে কৃষ্ণবর্ণ। শরীরের গড়নটাও অদ্ভুত। পেট আর নিতম্ব ছাড়া তার আর কোনো জায়গায় চর্বি আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু এই দুই জায়গায় শরীরের সব চর্বি এসে জমা হয়েছে। দেখে মনে হয় তবাক জীনের মেলায় হারিয়ে যাওয়া ছেলে। আচ্ছা জীনদের দেশে কি মেলা হয়? তবে বগুড়ার গাবতলীতে পোড়াদাহ মেলা হয়। এই মেলায় বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা বড় বড় মাছ পাওয়া যায়। ভালো ভালো ফার্নিচার পাওয়া যায়। এই মেলা হয় বুধবারে। দিনটা গাবতলীবাসীর কাছে ঈদের মত। ধুম পড়ে যায় চারিদিকে। উৎসব উৎসব আমেজ বিরাজ করে চারিদিকে। যাহোক মিলির ধারণা এই ছেলেটা নির্ঘাত গাজা সেবন করে। চোখগুলো কেমন যেন লাল লাল হয়ে থাকে সবসময়। অবশ্য গাজা খেলে চোখ লাল হয় – এটা মিলির শোনা কথা। শোনা কথা বিশ্বাস করতে নেই। কিন্তু এই শোনা কথা মিলি মনে প্রাণে বিশ্বাস করে। এই ছেলের নামটাও কখনো শোনা হয়নি। শুনতে ইচ্ছা হয়নি আর কি। জীনের বাচ্চার নাম খুব ভালো হলে “মালাউন” পর্যন্ত হতে পারে বলে মিলির ধারণা।



মিলি সাহেদের রুমে ঢুকল। ঢুকতেই তীব্র সিগারেটের গন্ধ মিলির নাকে এসে লাগল। রুমে যথারীতি এক বেডে জিহাদ আরেক বেডে ঐ জিনের বাচ্চাটা শুয়ে আছে। আর সাহেদ নিচে বসে ধ্যান করছে। মিলি ভদ্র কাশি দিল। তাতে না ভাঙল জিহাদের ঘুম না সাহেদের ধ্যান। মাঝ খান থেকে জিনের বাচ্চাটা উঠে বসেছে। পরনে তার খয়েরী রঙের লুঙ্গি আর গায়ে Incredible Hulk এর ছবিওয়ালা টিয়া রঙের গেঞ্জি। হিসেব অনুযায়ী গেঞ্জির রঙ সবুজ হওয়ার কথা। উঠে বসার পর থেকে সে মিলির দিকে লাল লাল চোখ নিয়ে তাকিয়ে আছে। মনে হচ্ছে এখুনি খেয়ে ফেলবে। তবে সে মিলিকে খেয়ে ফেলল না। বোধহয় তার ক্ষুধা নেই। পেট দেখে আন্দাজ করা যাচ্ছে – পেট ভরা। গত রাতে মনে হয় আস্ত কাউকে গিলে খেয়েছে। জিনেরা শিকারে বের হয় রাতের বেলা। অমাবস্যার রাত তাদের কাছে ঈদ। মিলির মন বলছিল ছেলেটা কথা বললে আরবি বা হিব্রু ভাষায় কথা বলবে। বাদশাহ ইবলিশের ভাষা কি তা মিলি সঠিক জানেনা। তবে এই জীনের বাচ্চা মিলিকে অবাক করে দিয়ে সুন্দর বাংলায় বলল-


- সাহেদ ভাইয়ের কাছে এসেছেন?
- হুম।
ছেলেটা সাহেদের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে কি যেন বলল। সাহেদ ভুতের মত করে চোখ খুলে তাকালো মিলির দিকে। এরপর জিহাদ আর জিনের বাচ্চার দিকে একবার তাকিয়ে উঠে দাঁড়াল। সাহেদ কিছু না বলে শান্ত ভাবে জিহাদের বেডের পাশে গিয়ে দাঁড়াল। জিহাদের পরনের মাথার উপর উঠে যাওয়া লুঙ্গি পা পর্যন্ত নামিয়ে দিল সাহেদ। লুঙ্গি নামানোর ভঙ্গি দেখে মনে হল ঘুমন্ত শিশুর গায়ে কেউ পরম স্নেহে চাদর দিয়ে দিল। মিলির কাছে সাহেদ এগিয়ে এসে ফিসফিস করে বলল-



- পেটের অবস্থা কেমন?
- মানে?
- পেট খারাপ - ভালো হইছে?
- ছি! কি বলেন এগুলা সাহেদ ভাই!
- ভুল বলি? ধ্যান করে ঘরে বসে মানুষের খোঁজ খবর জানা যায়। আমি এটাও জানতাম এরপর তুমি আমার সাথে শাড়ি পরে দেখা করতে আসবে।
- কচু ধ্যান আপনার। আমি ঠিক আছি। কিছুই হয়নি আমার। আর শাড়ি পরে দেখছেন বলে বানিয়ে বানিয়ে বলছেন। আমাকে এতো বোকা ভাবা ঠিক না।
- মিলি চা খাবে?
- না। আপনার হাতের নোনতা চা আমার কাছে বিষ লাগে। আপনি কি ইচ্ছা করে চিনির জায়গায় লবণ দেন?
- চিনি থাকলে চিনি দেই। না থাকলে লবণ।
- এখন চিনি আছে নাকি আজও লবণ দিয়ে চা খাবেন?
- সবই আছে। তবে আজকে বাইরে খাব। কৃষ্ণচূড়া হোটেলের স্পেশাল চা। পার কাপ বিশ টাকা। আমি আবার দুই কাপের নিচে খেতে পারিনা। দুই কাপ চা না খেলে বদ হজম হয় আমার। আমার দুই কাপ আর তোমার এক কাপ। মোটে তিন কাপ। বিল হবে ৫০টাকা। ১০টাকা সেভ। অবশ্য আমার কাছে টাকা পয়সা ব্যাপার না। তেয়াজপাতা।
- বুঝলাম। আমি বাইরে দাড়াচ্ছি। আপনি রেডি হয়ে আসুন।


মিলি রুম থেকে বের হওয়ার আগে সাহেদ মিলিকে একটা কটকটা লাল রঙের শার্ট দেখিয়ে বলল-



- এই শার্ট কিনছি ১৩ তারিখ দিবাগত রাতে। এইটা পরব?
- কি বিশ্রী রঙের শার্ট। এগুলা কই পান আপনি?
- বিশ্রী! কি বল! ভ্যালেন্টাইন’স ডের শার্ট। ফুটপাতে চড়া দামে বিক্রি করে ঐদিন। আর আমি পাইছি পানির দামে। না কিনলে তো এক বছর সেই আফসোস থাকত।
- যেটাই হোক। আপনি এটা পরবেন না। দরকার হলে কিছু না পরে আসবেন। তবুও এই শার্ট না।



২৫ মিনিট হয়ে গেল সাহেদের কোনো খোঁজ নাই। মিলি ঠাই দাঁড়িয়ে আছে মেসের সামনে। একতলা টিনশেড একটা বাসা। তারমধ্যে কবুরতের খোপের মত করে অনেকগুলো রুম বানিয়ে ছেলেদের মেস বানানো হয়েছে। তার নাম আবার ভিআইপি। আশেপাশে সবই ছেলেদের মেস। সবাই কেমন কেমন করে তাকাচ্ছে মিলির দিকে। মিলির প্রচন্ড রাগ হচ্ছে। তার মনে হচ্ছে সাহেদ এলে গালে একটা চড় বসিয়ে দিবে। সাহেদ এল ৩৭ মিনিট পর। সাহেদকে দেখে মিলির মেজাজ আরও খারাপ হয়ে গেল।



- আপনাকে না মানা করলাম এই লাল রঙের শার্ট পরতে? তাও এটাই পরলেন?
- তুমি যেটা পরতে মানা করছ এইটা ঐ শার্ট না। এটা আরেকটা। একই রকম। একসাথেই কিনছি। জোরা কিনে লাভ হইছে ৫০ টাকা।
- আপনার আর কোন শার্ট ছিল না? এটাই পেলেন খুঁজে খুঁজে?
- বাকিগুলো মেসের অন্যদের কাছে আছে।
- আপনার শার্ট অন্যদের কাছে কেন থাকবে? আপনি কেন দেন?
- বাদ দাও। চল রিকশা ধরি।



মিলি সাহেদ রিকশায় উঠে বসল। এরা দুজনই পাতলা গড়নের মানুষ। রিকশাওয়ালার বয়সও বেশি হয়নি। ৪০ এর আশেপাশে হবে বয়স। কিন্তু সে অনেক কষ্টে তার রিকশা টানছে। তার কষ্ট দেখে সাহেদ জিজ্ঞেস করল-

- মামা টানতে কষ্ট হচ্ছে নাকি?
- না মামা। কোমরে একটু ব্যথা পাইছি তো। সমস্যা নাইক্কা।
- আচ্ছা। ব্যথা হইল কেমনে?
- পরশু মাঝরাতে পায়খানায় গিয়া অন্ধকারে আছাড় খাইছি মামা।
- আহারে মামা মাঝরাতে গেছেন। একটু দেখে যাবেন তো!
- আর কইয়েন না মামা। সবে বউরে সোহাগ কইরা উঠছি। ঐ সময় মাথা মুতা ঠিক থাকে কন? নিজেরে দুনিয়ার বাদশাহ মনে অয়...



মিলি রিকশাওয়ালাকে তার বাদশাহি কাহিনী আর বলতে দিল না। ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে দিল। সাহেদের শুনতে বেশ ভালো লাগছিল। কিন্তু মিলি থামিয়ে দেয়ায় সে আশাহত হল খুব।


- তুমি থামায়ে দিলে কেন মিলি? মামার দুঃখের কাহিনী শুনতাম। দুঃখের কাহিনী শেয়ার করলে দুঃখ কমে। মানুষের দুঃখ কমালে আল্লাহ্‌ খুশি হন।
- এভাবে আল্লাহকে খুশি করা লাগবেনা। আরও অনেক ভালো উপায় আছে। নামাজ পড়েন? শেষ নামাজ কবে পড়ছেন আপনার সেটা মনে আছে আপনার?
- মিলি তোমার নাম আসলে মিলি হওয়া উচিত হয়নি। মিলি মানে বিল্লি। বিল্লি মানে মেয়াও। আর মেয়াও মানে বিড়াল। বিড়াল মিন মিন করে কথা বলবে। তুমি মোটেও তা কর না। তোমার নাম হওয়া উচিত বিজলি। ফারযানা শারমিন বিজলি।
- ছিঃ কি বাজে নাম! বিজলি কাদের নাম হয় জানেন? পাড়ার মেয়েদের নাম হয় বিজলি। আমি কি পাড়ার মেয়ে?
- মানুষের নাম দেয়া হয় জন্মের পর। আর পাড়ার মেয়ে হয় ইয়ে করার পর। নামে তো দোষ নাই।
- জন্মের সময় কোনো মেয়ের নাম বিজলি রাখা হয়না। আপনার ঐ ইয়ের পরেই বিজলি নাম দেয়া হয়। আপনি বিজলি নাম কোথায় শুনছেন?
- আমার পাশের রুমে বিজলি নামের একটা মেয়ে প্রায়ই আসে। বড় মায়া মায়া চেহারা। সব সময় হেসে হেসে কথা বলে।
- এদের কাজই হেসে হেসে কথা বলা! ইশ! আপনি এতো অভদ্র কেন? আপনার নামও সাহেদ হওয়া ঠিক হয়নি। সাহেদ শুনলে সাহেব সাহেব মনে হয়। কিন্তু আপনি নিজে ছোটলোক একটা। আপনার সাথে বসে থাকতেও গা ঘিন ঘিন করছে আমার।



আজ রোদের তেজ কম। এইটাকে কি মিষ্টি রোদ বলে? সাহেদ পার্কের বেঞ্চে একা একা বসে আছে। আজ তার কৃষ্ণচূড়া হোটেলের স্পেশাল চা খাওয়া হল না। পকেটে কোনো টাকা নেই। কখনোই থাকে না। মিলির সাথে এ পর্যন্ত যতবার রিকশায় উঠা হয়েছে কোথাও যাওয়ার জন্য কোনো বারই শেষমেশ সে জায়গায় যাওয়া হয়নি। আজও হলনা। প্রত্যেকবারই মিলি সাহেদকে নামিয়ে দেয় রিকশা থেকে। একবার মিলি সাহেদকে নিয়ে যাচ্ছিল চাইনিজ খাওয়ানোর জন্য। সাহেদ কখনো এর আগে চাইনিজ খায়নি। এ সুযোগ কোনোভাবেই মিস করা যাবেনা ভেবে রিকশায় উঠার পর থেকে সাহেদ চুপ করে ছিল পাছে মিলির সাথে ঝগড়া হয়ে মিলি নামিয়ে দেয় তাকে রিকশা থেকে। কিন্তু চাইনিজ সাহেদের ভাগ্যে ছিল না। চুপ করে ছিল বলে মিলি সাহেদকে ‘চুপ করে আছেন কেন? আমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছে না? তাহলে বসে আছেন কেন? যান নেমে যান’ – বলে নামিয়ে দিয়েছিল। তবে মিলি সব সময় রিকশা থেকে নামিয়ে দেয়ার পর আবার সাহেদকে পেছন থেকে ডেকে হাতে কিছু টাকা ধরিয়ে দেয়। সেই টাকা অবশ্য বেশিদিন থাকে না। সাহেদের বিশ্বাস তার পূর্বপুরুষ জমিদার ছিল। এজন্য তার কাছে টাকা পয়সা থাকলে সে খরচ না করে থাকতে পারে না। রক্তের দোষ। তবে আজ ব্যতিক্রম হয়েছে। আজ রিকশা থেকে নামার পরও সাহেদ অনেকক্ষণ সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল এই বিশ্বাসে যে মিলি ফিরে আসবে। এসে তার হাতে টাকা ধরিয়ে দিবে নয়তো রিকশায় উঠতে বলবে। মিলি এসেওছিল। কিন্তু রিকশায় উঠতেও বলেনি আর হাতে টাকাও দেয়নি। শুধু বলেছে-



- নিজেকে আপনি খুব জ্ঞানী ভাবেন। এটা একদমই ভুল। আপনি একটা গন্ড মূর্খ। অশিক্ষিত ছোট লোক। নির্ঘাত নকল করে আপনি এতোদূর পড়াশোনা করতে পেরেছেন। আমার আম্মা যে কার কথা শুনে আপনাকে বলেছিল আমাকে পড়ানোর জন্য তা উপরওয়ালা জানেন। আর মিলি মানে বিল্লি আপনাকে কে বলছে? আর আমার ভালো নাম ফারযানা শারমিনও না। আপনি আর যোগাযোগ করবেন না আমার সাথে। আপনি যান। গিয়ে বিজলির হাত ধরে চুমু খান। আপনি একটা ছোটলোক ছোটলোক ছোটলোক।



তবে সাহেদ জানে মিলির রাগ ভাঙবে। সে আবার আসবে সাহেদের সাথে দেখা করতে। সাহেদ বেঞ্চে শুয়ে আকাশ দেখে। আকাশে সাদা সাদা মেঘ। সাহেদ চোখ বন্ধ করে। মনে মনে ভাবতে থাকে- মিলি ‘ছোটলোক’ কথাটা তিনবার বলল কেন? তিনবার বললে কি মানুষ সত্যি সত্যি সেটা হয়? যেমন তিন সত্যি বললে সেটা কড়া লিকারের সত্যি হয়ে যায়- সেরকম কিছু? আচ্ছা মিলি মানে যদি বিল্লি না হয় তাহলে মিলি নামের অর্থ কি! আর এই মেয়ের নাম ফারযানা শারমিনও না। কি আজব কথা! তাহলে কি ওর নাম জান্নাতুল ফেরদৌস? এই মেয়ের মধ্যে সব এক হাতে সামলিয়ে রাখবে – এরকম একটা ভাব আছে। নামে তাহলে নির্ঘাত ‘সুলতানা’ আছে। সুলতানা যাদের নামে থাকে তারা ভালো বউ হতে পারে। বিয়ে করলে সুলতানা নামধারী কাউকে করতে হবে। নাহলে নাই। বউ ভালো হোওয়াটা খুব জরুরী। বউ ভালো না হলে নিজে যেমন সুখে থাকা যায়না, অভিনয় করে তাকেও সারাজীবন সুখে রাখা কঠিন। জীবন সংসারে বউকে সুখে রাখা জরুরী। কথায় আছে –


“Happy Wife
Happy Life
”

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৭ রাত ১০:৫৪
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৯



ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

বির উনি একজন গোয়ালা (গোয়ালিনী)। তাহার নিজের কোনো গরু(গাভী) নাই। তারপরও তিনি দৈনিক প্রায় একশত লিটার দুধ বিক্রি করেন। নিজের 'কয়েকজন বান্দা কাস্টমার আছে'।... ...বাকিটুকু পড়ুন

এলপিজি কার্ডে সংকট কমবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:১৬


অনেক হতাশার মধ্যেও মাঝেমধ্যে সরকারের কোনো ভালো উদ্যোগের খবর দেখলে ভালো লাগে। অন্তত মনে হয়, সাধারণ মানুষের কষ্টের জায়গাগুলো নিয়ে সরকার কিছুটা হলেও ভাবতে শুরু করেছে। তেমনই একটি খবর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×