somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোট গল্পঃএকটা গল্প লিখতে গিয়ে

১৮ ই আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একটা ছেলে। নাম তার স্বপ্ন। সে ছিল খুব অদ্ভুত। নিজের ভুবনে হারিয়ে থাকত। তার মত চিন্তাভাবনার ছেলে সে খুজে বেড়াত। তার যত বন্ধু-বান্ধব ছিল তারা সবাই ছিল পুরান চিন্তাধারার। তারা সবসময় উলটা-পালটা চিন্তা নিয়ে ঘুরে বেড়াত। সে কম্পিউটার নিয়া থাকতে পছন্দ করত। আর সে ছিল সাবার সাথে ফ্রী মাইন্ডের।

সে হটাৎ একদিন গল্প লিখতে বসল। সে বসা মাত্র তার একটা ফোন এল। সে ফোনে কথা বলায় মগ্ন হয়ে পড়ল। প্রায় ১ ঘন্টার মত কথা বলল। যার ফলে তার গল্প লেখার কথা মনে থাকল না। তখন ১০টা বাজে। তার আম্মু তাকে ডাকল ভাত খেতে। সে গেলো ভাত খেতে। তারপর সে টিভি দেখতে বসল। প্রায় ১২টা পর্যন্ত টিভি দেখলো। তারপর তার মনে পড়ল গল্পটির কথা। কিন্তু তখন সে লিখতে পারবে না । কেননা তার সকালে উঠতে হবে।

পরেরে দিন সকাল ৯টায় সে আবার বসল গল্পটি লিখতে। সে বসতে না বসতেই তার বাবা তাকে ডাকল। ডেকে বলল ঔষুধ আনতে। সে গেলো ঔষুধ আনতে। পথে তার দেখা হল একটা ছেলের সাথে। ছেলেটি তার স্কুলেই পড়ত, কিন্তু তার সাথে স্বপ্নের অতভালো সম্পর্ক ছিলনা। কিন্তু আজ তার সাথে স্বপ্নের অনেক কথা হল। আসতে আসতে সে স্বপ্নের একজন প্রিয় বন্ধু হিসেবে গড়ে উঠল। স্বপ্নের মেন্টালিটি স্বপ্নের সেই বন্ধুটি বুঝে ফেলে। এবং অনেকটা তার মত হল। স্বপ্নেও তার সাথে সবকিছু শেয়ার করতে লাগল। সেই ছেলেটি স্বপ্নের সবকিছু জানল। এবং স্বপ্নকে মানিয়ে নিল। সেই ছেলেটির নাম ফাহিম।

অনেক দিন পর স্বপ্ন আবার গল্পটি লিখতে বসল। কিন্তু কেন যেন এবারও তার ডাক পড়ল। যার ফলে সে চিন্তা করল সে আর গল্পটি লিখবে না। তাই সে আর গল্পটি লিখতে বসল না। অন্য দিকে মন দিল সে। সে প্রথমে শুরু করল অনুষ্ঠান অরগানাইজেসন দিয়ে। যেটাতে সে সাফল্য পেল। তার পর সে চিন্তা করল তার অনুষ্ঠানে সে উপস্থাপনা করবে। সে সেটাতেও সাফল্য পেল। যার ফলে সে তার স্কুলে একটা পরিচিতি নাভ করল। তারপর সে বিতর্কের দিকে মননিবেশ করল। তারপর একটা সুযোগ এল তার এতদিনের পরিশ্রমের পরীক্ষা দেয়ার। কিন্তু তার বিপক্ষে পড়ল গার্লস স্কুলের একটা দল। তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল মেয়েদের দেখলে সে লজ্জা পেত এবং কথা বলতে পাড়ত না। যার ফলে সে সেইদিন বিতর্কে হেরে যায়। তারপর সে চিন্তা করে যে তার দুর্বলতাটা দূর করতে হবে। তাই সে আসতে আসতে তার দুর্বলতাটা দূর করতে সার্থক হয়। সে তার দ্বিতীয় প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থানের অধিকারি হয়। তারপর তার অনলাইনে অনেক বন্ধু হয়। যার ফলে সে কোন বিপদে পড়লে তাদের থেকে সাহায্য পায়।


তারপর সে একদিন নাটক করে। সে এবং তার দল ১ম স্থানের অধীকারি হয়। সে চিন্তা করে তার এই গল্প লিখতে বসার কারনেই তার এই সাফল্য। সে এই কথা ফাহিমকে বলতে যায়। কিন্তু সেদিন ফাহিমকে সে পেলনা। সে যানতে পাড়ল ফাহিম ভোলার বাহিরে গিয়েছে। যার ফলে সে ফাহিমকে কথাটি বলতে পাড়ল না। ফাহিম ১ সপ্তাহ পর ভোলায় আসল। কিন্তু স্বপ্নের মনে রইল না কথাটি। সে ফাহিমের বাসায় গেল, তার খোজ-খবর নিল। প্রায় ১ঘন্টা তার বাসায় থাকার পর স্বপ্ন তার বাসায় চলে এলো। তার পরের দিন সে স্কুলে গেল এবং শুনল ফাহিম মোবাইল কিনেছে। তারপর স্বপ্ন ফাহিমের মোবাইল নাম্বার নিল।

স্বপ্ন বাসার সবকিছু বলত। যার ফলে সে তার বাসায় যেটা বলত তার প্রমান দিতে হত না। স্বপ্ন এ বিশ্বাস কখন ভাঙ্গবেনা এটা সে পন করল। কারন তার ধারণা ছিল একদিন না একদিন তার আব্বা আম্মা তো যানবেই তার গোপন কথা। তাই সে কোন কিছু লূকাত না। প্রায় ২ বছর কেটে যাওয়ার পর তার মনে পরল সেই গল্পটির কথা। সে সাথে সাথে ফাহিমকে ফোন দিল এবং ঘটনা বলল। ফাহিম তাকে বলল গল্পটা লিখতে। তার মনে একটা কথাই আসল আল্লাহ হয়তবা গল্পটা আমাকে লিখতে দেইনি এই কারনে। এখন সে গল্পটি তার অভিজ্ঞতা দিয়ে লিখবে । তাই সে নাম দিল তার গল্পের “একটা গল্প লিখতে গিয়ে”। সে গল্পটি লিখেছে কিনা যানি না। কবে লিখবে কেইবা যানে?

[কিছু সত্য ও কিছু বানোয়াট জিনিস নিয়ে আমার এই লেখাটি। জানিনা কারো ভালো লাগবে কিনা]
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×