শুভশ্রী আমি আর স্কাইলাইনের বাড়িটি
দুখাতে কফির মগটা ধরে রেখে একমনে কফি কাপে চুমুক দিয়ে যাবে, রাজ্যের সকল চিন্তা শক্তি যেন এই সময়ে উকে কাছে টেনে নেই নাকি প্রাকৃতি চাই সে নিরবে শুধু কফি কাপে চুমুক দিয়ে যাবে।
প্রাকৃতিক সুন্দর্যের সবটুকুই দেওয়া আছে শুভশ্রীর জন্য, প্রাকৃতি যেন দুহাত উজার করে উকে দিয়েছে।
দক্ষিন করিডোরে আমি দাড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষন, একা একেবারেই একা।
বাহিরে বেড়াতে যাওয়ার চেয়ে এই করিডোরে দাড়িয়ে থাকতে আমার অনেক ভাল লাগে, এখান থেকে সাগর পরিষ্কার ভাবে দেখা যায়।
সাগরে কখনো উত্তাল ঢেউ, আবার কখনো ছিমছাম নিরবতা।
বিশাল আকৃতির জাহাজগুলি নুংগর করা থাকে পিএসএ, দেখতে ভালই লাগে এইসব কেমন যেন না খুজতেই পেয়ে যাওয়া একটা আনন্দ।
এই বাড়িটা কিনতে গিয়ে শুভশ্রীর সাথে অনেক ঝগড়া করেছি, আমি কিছুতেই এখানে ফ্ল্যাট কিনবনা আর শুভশ্রী এই বিল্ডিং ছাড়া কোথাও কিনবেনা।
আমি সব সময় চেয়েছে ৩ রুমের একটা ফ্ল্যাট হলে দুজনে মাষ্টার বেডরুমে থেকে বাকি দুইটা বেডরুম ভাড়া দিয়ে কিছু এক্সটা আয় করা যাবে, আর শুভশ্রী চেয়েছে ছোট্ট একটা ষ্টুডিও ফ্ল্যাট যেখানে আমি আর সে ছাড়া অন্য কেও থাকবেনা। গোছালো পরিপাটির ফ্ল্যাটে রংধনুর সাত রং এর মিলনে তৈরী করবো আমাদের ভালবাসার ঘড়টি।
যেহেতু দেশের বাহিরে তাই সাধারনত আত্নীয় স্বজন তেমন বেড়াতে আসেনা, সিঙ্গাপুরে আমার কোন আত্নীয় স্বজন নেই বল্লেই চলে।
আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা বলতে কফিসপে অথবা ফ্যামিলি কোন আয়োজন থাকলে কোন রেষ্টোরেন্ট, বলতে গেলে এটাই সিঙ্গাপুরের বন্ধু কিংবা আত্নীয় স্বজনের মিলন মেলা।
অনেক ঝগড়া কথা কাটাকাটির পর দুজনেই সিদ্ধান্তে পৌছলাম ক্রিকেট খেলার মত টস হবে, যে জিতবে তার পছন্দের যায়গায় ফ্ল্যাট কিনা হবে।
টসে শুভশ্রী জিতে গিয়েছিল, তাই চুক্তি অনুসারে এই বিচরোডের ''স্কাইলাইন কনকর্স'' এর ৪২ তলার দক্ষিন মুখি ফ্ল্যাটটি কেনা হল।
প্রথম কিছুদিন ওর সাথে রাগকরে থাকলেও, সাগরের অপার সৌন্দর্য আমাকে সব কিছু ভুলিয়ে দিয়েছে।
দুটি মগে কফি নিয়ে শুভশ্রী করিডোরে আসল, ডিনারের পরে কফি খাওয়াটা আমাদের নিত্যদিনের রোটিন হয়েগেছে। যেন একদিন কোন কারনে কফি না পেলে ভাল ঘুম হয়না, মনে হয় কি যেন একটা নিয়ম থেকে উল্টা পাল্ট হয়ে গেছে।
শুভশ্রীর হাতের কফিটার স্বাধ পৃথিবীর অন্য যে কোন কফিথেকে আলাদা, সৃষ্টিকর্তা যেন ওর হাতে অন্য রকম একটা স্বাদ দিয়ে দিয়েছেন কফির জন্য।
নিয়ম করেই শুভশ্রী আমার জন্য কফি বানাই, আমার কফিতে শরবতের মত চিনিদিতে হয় নাহলে আমার ভাল লাগেনা তবে শুভশ্রীর কফিতে মনে হয় ১ চামচের বেশি চিনি দেইনা। একদিন ভুলে ওর কফিতে চুমুক দিয়ে আমারতো ভবি করার অবস্থা একে বারে চিরতার রসের মত তিতে, কি করে যে এই মেয়েটা এটা গলদকরন করে?
আজ শুভশ্রীকে অন্যরকম সুন্দর লাগছে, যে এক মায়াপরী।
এমনিতেই শুভশ্রীর মাঝে খুজে পাওয়া যায় পৃথিবীর অন্যরকম সুন্দর্য তার মাঝে আজ হালকা একটু সেজেছে, "কি অপরূপ রূপমা তোমার....." গানের সাথে কেমন জানি আজ শুভশ্রীকে মিলিয়ে নেওয়া যাচ্ছে.......................
মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।
শুধু ভারত বিদ্বেষই না।
মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,
/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।
/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন
মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি
কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।