somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সময়ের সাথে জীবনের ভাবনা ১৭

০৬ ই জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি জেনে গেছি আমার দু:খ কষ্ট ভালোলাগা খারাপলাগা, আনন্দ শেয়ার করার কেউ নেই। দু:সময়ে মানসিক সাপোর্ট দিবার কেউ নেই। আমাকে আমার যোগ্যতায় খারাপ সময়টাকে উত্তীর্ন হতে হবে। এই যে এক সময় এমন কেউ ছিলো যাকে আমার কথা বলেছি, আস্থা পেতাম, নির্ভর করতাম, আজ তাকে হারিয়ে আমার কষ্টটা আরো তীব্র থেকে তীব্র হচ্ছে, আমি খুব খুব করে একজনকে চাই যাকে আমার কথা গুলো বলতে পারি, যিনি আমাকে বুঝতে পারে, আমার আবেগ, চাওয়া পাওয়াকে সম্মান জানাবে। আপন ভেবে নিজেকে আমার কাছে তুলে ধরবে, আমাকে গর্বের সাথে নিবে, আমাকে তার জীবনের সেরা অর্জন মনে করবে। শুধুমাত্র পরস্পর সুখের জন্য নিজের সাথে কম্প্রোমাইস করবে। সত্যি আমি বড় দুর্ভাগা, আমি কপালপোড়া যুবক, আমি পেলাম না এমন কারো যাকে আমার নিজের আপন বলে মনে হবে। সময়টা আমাকে বড় অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
ভেবে দেখো আমি আমার আবেগের কথা তোমাকে বলি না, আমি প্রতিদিন কি মানসিক জড়তা, অস্থিরতা নিয়ে সময় পাড় করি তার তুমি কতটুকু জানো? আমি বলতে গেলে বিভিন্ন কথা শুনতে হয়, আজ পর্যন্ত কোন চাওয়া পাওয়ার কথা বলেছি আর সেটা বিনাবাক্যে বা পাল্টা যুক্তি ছাড়া বাস্তবায়ন হয়েছে তা দেখিনি, যদিও আমার চাওয়া পাওয়ার বিষয়গুলো খুব অল্পই আমি পেয়েছি। আজ তোমার ব্যক্তিত্ব প্রখর, মানসিক শক্তিতে বলবান, আজ সবকিছু তুচ্ছমনে করো নিজের আত্মগর্বে। লিখিতভাবে বলে দিচ্ছি তোমার এইযে আত্মতুষ্টিতে আমার আবেগ অনুভূতিতে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছো, এর চেয়ে আরো বড় কম্প্রোমাইস করে তোমাকে সংসার করতে হবে। যতটা স্বাধীনভাবে নিজের ব্যক্তিত্বের দাপটে নিজের ইচ্ছাকে প্রাধ্যন্য দিচ্ছো তার থেকে হাজারভাগ ছোট হয়ে ব্যক্তিত্বকে হীন করে কোন এক পুরুষের সাথে সংসার করবে। সেদিন হয়তো তোমার সাথে ন্যারো কোন মানুষ থাকবে না কিন্তু আবেগহীন লোক থাকতে পারে যাকে তোমার আবেগ দিবে কিন্তু সে নাও নিতে পারে। তুমি অপেক্ষা করতে পারো সে তোমার জন্য অপেক্ষা নাও করতে পারে। ছোট ছোট অনুভূতি চাইবে সে হয়তো ভাববে এগুলো গুরুত্বহীন। সেদিন তুমি নিজের ইচ্ছে চাওয়া পাওয়ার সাথে কমপ্রোমাইস করতে থাকবে কিন্তু তোমার সঙ্গী তা গুরুত্বপুর্ন নাও ভাবতে পারে। অথচ আমার সাথে খুব ছোট ছোট কমপ্রোমাইস করলে সম্পর্কটা টিকে যেতো। সম্পর্ক উন্নত হতে পারতো।
আমি দু:সময় পাড় করছি, সারাদিন একই চিন্তায় মানসিক রোগী হয়ে নিজেকে হীনমন্যতায় ফেলে দিয়ে জীবনটাকে স্পয়েল করছি, সারাটা দিন নিজের মানসিক শক্তি অর্জনে নিজের সাথে যুদ্ধ করছি, নিজেকে গুছিয়ে নিয়ে পূর্নরুপে আত্মপ্রকাশের যে দুর্বিসহ যন্ত্রণা ভোগ করছি, সংকীর্ন ব্যক্তিত্বের অপবাদ নিয়ে নিজের প্রতি আস্থাহীনতায় আটকে যাচ্ছি। মানসিক ভরসার অভাবে নিসঙ্গতার সাথে বাস করছি, দিন দিন আত্মসম্মানে আঘাত পেয়ে ভিতরগত দ্বন্ধে আটকে গেছি তা হয়তো বেশিদিন থাকবে না, কিন্তু হতাশায় জর্জরিত হয়ে সব থেকে গুরুত্বপুর্ন সময়ে নিজের স্থিরতা আনতে পারলাম না এ কষ্টটুকু আজীবন থাকবে। এ স্মৃতি অবিনাশী, এ হয়তো আমাকে নাড়িয়ে দিবে কিন্তু আমি ভুলে যেতে চাই।
ভাবনা কাল ১০।২।১৫

------
খুব অসহায় হয়ে পড়েছি, এমন কেউ নেই যাকে মনের কথা গুলো বলতে পারি, অস্থিরতার মধ্যে পড়ে আছি, না বলার কথা ভারে আমি পাহাড়ের মতো ওজনপুর্ন হযে আছি, কিন্তু আমার হালকা হাবার অভাবনীয়ভাবে প্রয়োজন, তা না হলে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। কখনও আমি অনিচ্ছাকৃতভাবে মানসিক ভারসম্যহীন পড়ছি, এই দুর্যোগকালীন সবচেয়ে ক্ষতিটা আমার হলো, স্থায়ী হবার ভবিষ্যত আবার কিছুদিনের জন্য দীর্ঘ হলো। আমি বেশি কিছু চাইনি, শুধু বর্তমানের ঝুকিপুর্ন সময়ে একটু আশ্রয় চেয়েছি, চরমভাবে আত্মবিশ্বাসহীন অবস্থায় মানসিক সাপোর্ট আর ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা চেয়েছি। মানুষ খুব একা, খারাপ সময়ে প্রকৃত শুভাকাঙ্খী পাওয়া কঠিন, এই একাকীত্ব মাঝে নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার প্রানবন্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিন্তু বাস্তবতা হলো মানসিক টানাপোড়েন নিয়ে একা চলা যায়না, কেউ চলতে পারে কিন্তু আমার সেই মানসিক শক্তি নেই, তাই আমাকে অনেক বেশি প্রানন্তকর চেষ্টা করতে হচ্ছে জীবনটাকে স্বাভাবিক করে রাখতে, আমার কপালে কি কোন সুখ নেই, শান্তি নেই,

ভাবনা কাল
২৪.২.১৫
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০১৬ রাত ৮:০৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নজির

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:০২

নজির
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

সুখ নাই, আনন্দ নাই, নাই শান্তি
একলা চলতে চলতে উদাসী
আত্মভোলা, মনভোলা, বেখেয়ালি
প্রতিমুহূর্ত লাগে যেন গোধূলি!
আমার ব্যক্তিত্বে, চিন্তা, চেতনায়
কেউ আটকায় না, হয় না আকৃষ্ট!

নিঃসঙ্গ বিষাদযুক্ত ঘুরতে ঘুরতে
হয়ে গেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বাস আর সংগ্রামই একদিন সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করবে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২



আওয়ামী লীগের ইতিহাস কোনো সহজ পথে হাঁটেনি। রক্ত, ত্যাগ আর সংগ্রামের ভেতর দিয়ে এই দলের জন্ম, আর সেই জন্মসূত্রের গৌরব আজও অক্ষুণ্ণ- ণ্কারণ ইতিহাস সাক্ষী, এই দল কখনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

×