somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশে আইএসের অস্তিত্ত্ব- বিতর্ক ও সম্ভাবনা

২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ইরাক ও সিরিয়ার ভূ-খণ্ড দখল করে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) স্ব-ঘোষিত ‘খিলাফাত’ ক্রমান্বয়ে দূর্বলতর হচ্ছে। দুই বছর আগে ইরাক ও সিরিয়া মিলে আইএসের দখলকৃত ভূ-খণ্ডের পরিমাণ ছিল গ্রেট ব্রিটেনের সমান। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার যৌথ আক্রমণে সে ‘খিলাফাত’ ২২ শতাংশ হ্রাস পেয়ে এখন অনেকটাই সংকুচিত।

ইরাক ও সিরিয়ায় আইএস ছত্রভঙ্গের ফলে বিশ্ব জুড়ে আইএসের ‘স্পিলওভার ইফেক্টে’র সম্ভাবনা বেড়ে গেছে। ইতোমধ‍্যে ইরাক ও সিরিয়ার নিকটতম প্রতিবেশী বেশিরভাগ রাষ্ট্র আইএসের সম্প্রসারিত চারণভূমির আওতায়ভূক্ত হয়েছে। মধ‍্যপ্রাচ‍্যের দেশগুলোতে বিস্তৃতির পাশাপাশি আইএস এখন উত্তর আফ্রিকার মিশর, লিবিয়া, জর্ডান, আলজেরিয়াতে ছড়িয়ে পড়েছে।

আইএসের বর্তমান সম্প্রসারণ নীতিতে মধ‍্যপ্রাচ‍্য ও উত্তর আফ্রিকার বাইরে সর্বোত্তম পোষকদেহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র ও মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে বিপুল সংখ‍্যক নির্যাতিত মুসলমান রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ মুসলিম সংখ‍্যাগিরষ্ঠ রাষ্ট্র, ভারত মুসলিম সংখ‍্যাগরিষ্ঠ না হলেও সেখানে মুসলমানদের সংখ‍্যা বাংলাদেশের চেয়ে বেশী।

মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র হলেও ইন্দোনেশিয়ায় সকল ধর্মেরই (ইসলাম, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, প্রোটেস্ট‍্যানিজম, ক‍্যাথলিসিজম ও কনফুসিয়ান ধর্ম) রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি রয়েছে। ওদের সংবিধানে বলা হয়েছে, “ধর্ম নির্ধারণ ও পালনের ক্ষেত্রে প্রতিটি ব‍্যক্তি স্বাধীন”। কোনো রাষ্ট্র যদি বিশেষ কোনো ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা না করে তবে সে রাষ্ট্র যেমন ধর্মনিরপেক্ষ তেমনিভাবে কোনো রাষ্ট্র যদি তার সকল ধর্মকে সমানভাবে স্বীকৃতি দেয় তবে সে রাষ্ট্রও একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। এমন একটি রাষ্ট্রকে আইএস পোষকদেহ হিসেবে সহসা বিবেচনা করবে না। মিয়ানমারের নির্যাতিত মুসলিমদের মধ‍্যে আইএসের ঘাঁটি তৈরি করতে চাওয়া যুক্তিসঙ্গত হলেও মায়ানমার সরকারের কঠোর মনোভাবের কারণে সেখানে ধর্মভিত্তিক সংগঠন তৈরির সম্ভাবনা প্রায় শুন‍্যের কোঠায়।

বাকী থাকে দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারত। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান ইসলামী জঙ্গীদের স্বর্গভূমি। আল-কায়দা, তালেবান, লস্কর-ই-তৈয়েবা, হরকাতুল মুজাহিদিন, আইএস কি নেই সেখানে! পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে আইএসের মতো কোনো একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর আধিপত‍্য কায়েম ‘মুশকিল হি নেহি, না মুনকিন হ‍্যায়’। ওরা এখন জঙ্গীবাদ আমদানি নয়, রপ্তানি করে। ভারতের হিন্দু সংখ‍্যাগরিষ্ঠতা আইএসের সম্প্রসারণনীতি অন‍্যতম বাধা। সর্বোপরি, ভারতীয়দের জাতীয়তাবোধ ধর্মের অনেক উপরে। ধর্মে শতধা বিভক্ত ভারত জাতীয়তাবোধে বরাবরই একাট্টা।

বাংলাদেশে আইএসের অস্তিত্ত্ব বলতে যা বোঝাতে পারে তা হলো-

এক.

বাংলাদেশে আইএসের সক্রিয় সদস্যদের অনুপ্রবেশ ও স্থানীয় জঙ্গি গোষ্ঠীদের সাথে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ। সিরিয়া বা ইরাকে আইএসের সহিংতা, মিশর বা প‍্যারিসে হত‍্যাযজ্ঞের ভয়াবহতা পর্যালোচনা করলে আমরা আইএসের আক্রমণের ক্ষমতা, তীব্রতা, প্রচণ্ডতা সম্পর্কে যে ধারণা পাই তার সাথে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া ‘টার্গেট কিলিং’য়ের যথেষ্ট বৈসাদৃশ‍্য রয়েছে। এ ধরণের হত‍্যায় আইএসের সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে এমন ধারণা করা অনেকটাই অযৌক্তিক।

দুই.
সমমনা কোনো বাংলাদেশী উগ্র ধর্মীয় জঙ্গি গোষ্ঠীকে আইএস স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি ও সহযোগিতা প্রদান করতে পারে। স্বীকৃতিদান গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নয়। কালকে আইএস ‘ওলামা লীগ’কে স্বীকৃতি প্রদান করলে কি ‘ওলামা লীগ’ তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি হয়ে যাবে? আইএসের সহযোগিতা হতে পারে আর্থিক, সামরিক বা প্রশিক্ষণভিত্তিক। বাংলাদেশের জঙ্গি হত‍্যাকাণ্ডগুলোতে চাপাতির ব‍্যাপক ব‍্যবহার এদেশে আইএসের অস্তিত্ত্বকে বারংবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যে আইএস যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সের কঠোর নিরাপত্তাবলয় ভেঙে আধুনিক মারণাস্ত্র ব‍্যবহার করে বর্বরোচিত হত‍্যাকাণ্ড চালানোর ক্ষমতা রাখে, যে আইএসের কাছে রাশিয়ার অত‍্যাধুনিক বিমান ভূপাতিত করার অস্ত্র থাকে সেই আইএস তাদের বাংলাদেশী দোসরদের হাতে কেবল এক চাপাতি তুলে দিল! নাহ, কোনোভাবে আইএসের এ দীনতাকে মেনে নেয়া যায় না।

তিন.

উগ্রপন্থী প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে আইএস প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সুবিধা প্রদান করতে পারে। এ সকল প্রবাসীরা দেশে ফিরে স্থানীয় উগ্র সংগঠনগুলোর সাথে আইএসের সংযোগ সাধন করতে পারে। বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে সিঙ্গাপুরে আল-কায়েদা ও আইএসের ২৭ বাংলাদেশী সদস‍্যকে আটক করা হয়েছে। দেশটার নাম সিঙ্গাপুর না হয়ে ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া বা লেবানন হলে এই সাতাশ জনকে আল-কায়েদা বা আইএসের সদস‍্য হিসেবে মেনে নিতে সহজ হতো। সিঙ্গাপুর নিয়ে আইএসের কোনো মাথাব‍্যাথা নেই, নিরাপত্তার বলয়ে ঘেরা ক্ষুদ্র এই দ্বীপ রাষ্ট্রে আইএসের সক্রিয় কার্যক্রম থাকার প্রশ্নই ওঠে না। ঘটনাদৃষ্টে মনে হয়, এরা বাংলাদেশের জঙ্গিবাদী কোনো দলের সদস‍্য, যারা অবস্থা বেগতিক দেখে বিভিন্ন সময়ে সিঙ্গাপুরে আশ্রয় নিয়েছিল। তারা ক্রমান্বয়ে একজোট হয়ে দেশে ফিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করতে চেয়েছিল। এরা আইএসের নয়, আমাদেরই ‘সূর্য’ সন্তান। বিলেতফেরত এ ধরণের উগ্রপন্থী প্রবাসীদের মাধ‍্যমে দেশে আইএসের ভাবাদর্শের বিস্তার লাভের আশঙ্কা একটি স্বাভাবিক অনুমান।

চার.

বাংলাদেশী বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন স্বপ্রণোদিত হয়ে আইএস বা আল-কায়দার মতো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীদের পরিচয় ব‍্যবহার করতে পারে। আইএসের সাথে তাদের প্রত‍্যক্ষ কোনো সংযোগ না থাকলেও কৌশলগত কারণে আইএসও এ দাবীকে স্বীকার করতে পারে। বর্তমান পত্রপত্রিকায় যে কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে যে কয়টি নাম সচরাচর দেখা যায় তা হলো- হিফাজত-এ-ইসলাম, হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ (হুজি), হিযবুত তাহরীর, আনসারুল্লা বাংলা টিম, জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি), জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ (জেএমজেবি), শাহাদাৎ-ই আল-হিকমা, হিজবুত তাওহীদ, কালেমা-ই জামাত, হিযবুল মাহাদী, জামায়েতুল মুসলেমিন ও ইসলামী দাওয়াতী কাফেলা। ইতোমধ‍্যে আনসারুল্লা বাংলা টিমের সাথে আল-কায়দার নাম জড়িয়েছে, বাংলাদেশে আইএসের কার্যক্রম পরিচালনা করছে বা করবে এমন দু’চার জনের নামও শোনা গেছে। প্রসঙ্গত, উপরিল্লিখিত কোনো সংগঠনই পৃথক কোনো দল নয়, এরা একটি চিহ্নিত দলের গুটিকতক ভগ্নাংশ মাত্র। প্রয়োজনে এরা নতুন নতুন নামে, নতুন নতুন রূপে আবির্ভূত হচ্ছে। এরা আল-কায়দা, আইএসের নাম ব‍্যবহার করলে একদিকে যেমন জাতে উঠবে, অন‍্যদিকে তাদের মাতৃসম কাণ্ডটি থাকবে সুরক্ষিত, নিষ্কলঙ্ক। সর্বোপরি, নির্বাচনের সময় নিজেদের পাল্লাটা তো ভারী রাখতে হবে।

পাঁচ.
বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের স্থানীয় সন্ত্রাসীমূলক কর্মকাণ্ডকে নিজেদের বলে দাবী করে আইএস তাদের আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালায়। এ ধরণের প্রচারণা জণসাধারণের মনে আইএসের শক্তি সম্পর্কে এক ধরণের মিথ তৈরিতে সহায়তা করে। গত ১৮ মাসে বাংলাদেশে জঙ্গিদের হাতে নিহত ৪৭ জনের মধ‍্যে ২৮ জনের মৃত‍্যুর দায় স্বীকার করেছে আইএস এবং ৮ জন হত‍্যার দায় নিয়েছে আনসার আল ইসলাম। যে দায় নিলে ক্ষতির কোনো আশঙ্কা নেই সে দায় নিতে বাধা কোথায়? যুক্তরাষ্ট্রের ওরল‍্যান্ডে হত‍্যাকাণ্ডের ক্রেডিটটা আরেকটু হলেই আইএস নিয়ে নিতো, ভাগ‍্যিস মতিনের স্ত্রী এটাকে স্বামীর জন‍্য বরাদ্দ রেখেছিলো।

ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত বাংলাদেশ পৃথিবীর চতুর্থ বৃহত্তম মুসলিম ও সপ্তম জনবহুল রাষ্ট্র। আইএস বা আল-কায়দার মতো কোনো আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন এখানে ঘাঁটি গড়ে তুলতে পারলে একদিকে তারা অতি অল্প পরিসরে বিপুল সংখ‍্যক মুসলিম জনগোষ্ঠীকে ধর্মীয় বিষাক্ত ভাবাদর্শে দ্রুত উদ্বুদ্ধ করার সুযোগ পাবে, অন‍্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারত ও মিয়ানমারের মুসলমানদেরকে একই ভাবাদর্শে সংক্রামিত করা সহজতর হবে।

ভুলে গেলে চলবে না, আমরা চাঁদে মানুষের মুখ দেখতে পাই। আমাদের “শস‍্যের চেয়ে টুপি বেশী”। এখানে লজিকের চেয়ে ম‍্যাজিকের ক্ষমতা বেশী বলে বিজ্ঞানীর চেয়ে ‘বাবা’ বেশী; ওষুধের চেয়ে ‘ফুঁ’ এ আস্থা বেশী বলে ডাক্তারের চেয়ে ‘স্বপ্নে পাওয়া’ কবিরাজ বেশী। এখানে যুক্তির তিক্ষ্ণতার চেয়ে চাপাতির ক্ষিপ্রতা বেশী বলে ধার্মিকেরা ধর্মে সোচ্চার, ধর্মান্ধে নির্বিকার। লাদেন যখন টুইন টাওয়ার হামলা করেছিল, তখন আমাদের গ্রামের ছোট ছেলেমেয়েরা একটা স্লোগান দিতো, ‘আমরা সবাই লাদেন হবো, টুইন টাওয়ার গুঁড়িয়ে দেব’। তখন বুঝতে পারিনি, এখন বুঝি, এটা কোনো সাধারণ স্লোগান নয়, এ আমাদের ধর্মান্ধতার প্রতিধ্বনি।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রের চেয়ে ধর্ম অনেক বেশী শক্তিশালী। আন্দোলনের মুখে ধর্মভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতির সংস্কার সম্ভব হয়নি, রাষ্ট্রধর্ম পরিবর্তনে পিছুটান দিতে হয়েছে, ধর্মনিরপেক্ষতা খাতা-কলমে প্রতিষ্ঠা পায়নি, ধর্মীয় বাক-স্বাধীনতা নাস্তিকতার গ‍্যাঁড়াকলে ফেঁসে গেছে। আইএসের মতো যেকোনো আন্তর্জাতিক ধর্মীয় সন্ত্রাসী সংগঠনের বিস্তারে এর চেয়ে উত্তম কোনো চারণভূমির সন্ধান সত‍্যিই কি দুর্লভ নয়?

জঙ্গি সংগঠনগুলোতে নেতৃত্বের চেয়ে মতাদর্শ, ভাবাদর্শ অনেক বেশি শক্তিশালী। ওসামা বিন-লাদেনের মৃত‍্যুতে আল-কায়দা শেষ হয়ে যায়নি, ‘বাংলা ভাই’য়ের ফাঁসিতে জেএমবিও নিশ্চিহ্ন হয়নি। এ ধরণের আদর্শ মন্ত্রপুত বীজের মতো, আমাদের ধর্মান্ধতায় ওরা বারংবার পুনরুজ্জীবিত হবে। আল-কায়দা, আইএসের অস্তিত্ত্ব থাক বা না থাক বাংলাদেশে এদের মতাদর্শ, ভাবাদর্শ মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে।

যুদ্ধটা এখন আর জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নয়, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে। আটক করে, বিচার করে, শাস্তি দিয়ে হয়তো জঙ্গিকে রুখে দেয়া সম্ভব, চিরতরে জঙ্গিবাদ দমন করা যায় না- ‘শহীদের জন‍্য খোলা জান্নাতের দরজা’ বন্ধ করা এতটা সহজ নয়। গণগ্রেপ্তারহিতে বিপরীত হতে পারে, পাশাপাশি কোনো বিকল্পও প্রয়োজন।
সূত্র
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৬ রাত ২:০২
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগের পরিবেশ এখন যথেষ্ট ভালো

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫




ব্লগে মাঝে মাঝে কোন লোক থাকে না। মাঝে মাঝে কম লোক থাকে। সাইলেন্স ইজ গোল্ডেন-নিস্তব্ধতা হিরম্ময়।এ অবস্থা বিরাজমান হওয়াতে ব্লগের পরিবেশ এখন যথেষ্ট ভালো। কোখাও কেউ নেই। ব্লগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

না ফেরার দেশে চলে গেলেন রথো রাফি

লিখেছেন ফেনা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩



আজ অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম। আসলে চাকুরী জীবনের প্রেসার সামলাতে সামলাতেই সময় চলে আয়, নেটে আর তেমন আসা হয় না। আজ আসলাম রাফি ভাই এর মৃত্যু সংবাদটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পোষ্টে ব্লগার অপু তানভীরের এআই আপত্তি এবং এর এআই জবাব

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩০





কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

অপুতারভীরের এআই আপত্তি-
আপনার লেখা সম্পর্কে এআই মূল্যায়ন নিচে দিলামঃ
১. শূন্যতা ও উদ্ভবের ভুল ব্যাখ্যা (Misinterpretation of Void and... ...বাকিটুকু পড়ুন

×