-পুরুষ নস্টালজিক হতে ভালোবাসে বিছানায়,বসনে, ভাষণে
তুমি নারী, দেন মোহোরের ফ্রেমে আঁক প্রেমের সিল মোহোর!
-কতটা উষ্ণতায় ভরে পুরুষের মন? দেহ গহবর ব্যতিত আছে কিছু ইন্দ্রিয়
যেখানে লালিত নারীর হৃদয়, শরীরের বিকিকিনি চলে, মনের নয়।
নারীর মন সেতো ঈশ্বরের কৃপা, ঈশ্বরে করি সমর্পণ।
-নারীর হৃদয় সে কেবল পুরুষের প্রাপ্য। পুরুষ জানে কিভাবে ভাঙতে হয় নারীর জড়তা, দেহের প্রকোষ্ঠে প্রেমের বিস্তার।
ঈশ্বর বড় আত্মমগ্ন, আত্মরতি করেই দিন কাটাক।
-ঈশ্বেরর দোহাই, তোমায় দিয়েছে সে দুহাত ভরে। স্বর্গে অপেক্ষমাণ অগনিতা,তোমার হায়না স্বভাবটা বড় ক্লান্তিকর যৌনতায় ভরপুর,
পৃথিবীর ইতিহাস যেন নারীর দাসত্ব আর পুরুষের ভোগের পংতিমালা।
-স্বর্গীয় পুতুলের সহবাসের চাইতে তোমার কটাক্ষ অধিক কাম্য,
কুকুরের মত উচ্ছিষ্ট প্রেমের অপেক্ষায় কাতর পুরুষ চায় যে নারী,
তাকে তুলে রাখি দেবতার ভোগে।
বীর্যবান পুরুষ ও বীর্য বহনকারী পুরুষ এক নয়।
-ভোগ আর ভালবাসার মধ্যকার দূরত্ব যে বুঝে না সে পুরুষ।
কেন হেরেমের অধিকার চাও?
ইউটোপিয়ান হতে না পার, প্লেটোর ভালবাসাটুকু উঁকি দিক সকালে তোমার উঠোনে।
-কেন ফ্রয়েডকে ভাবো না স্বপ্নের ঘোরে!
বাল্মিকি কেন হয় না প্রচারক ধর্মের?
তুমি বড় স্বার্থপর, বনের মধ্যে পাত বিড়ালের সংসার!
-বিশ্ব সংসার সে তোমার বংশ বিস্তারের ভাগাড় নয়, অর্থনৈতিক অর্জন মানে নারীর প্রেমের সড়কে রথের যাত্রাও নয়।
ফাগুনের রঙ ধরা মনে কোকিলের বসন্ত বিলাস ক্ষণ কালের।
-অর্থের সাথে নৈতিকতার সম্পর্ক ক্ষীণ, পুরুষ মাত্রই তা জানে।
নারীর জন্য রণ কৌশল, সমর নীতি, রাজনীতি। অভিসারের আশায় বনপথিক সাজে বনমালী।
-আমি চর্যাপদের গোপী, মদির চোখের বনমালী ঢের চিনি।
রতিক্লান্ত পুরুষ, সেতো চাল পচানো মদের মত, গন্ধময়।
-ঘাস ফুলের গন্ধ মাখা শরীর, শীতের উনুনে জ্বাল দেয়া রস।
কি এমন বেশী চায় পুরুষ?
-অতি রস পুরুষকে রসাতলে নিয়ে যায়।
যমুনা সাঁতার শেখার জন্য নয় বাবু , সাঁতার কাটার জন্য।
-ডুবেছি সে আদমের কালে,
প্রতিজ্ঞা তবু পর্বত আরোহণে।
-মেরুর দেহ নিয়ে মরুতে ভ্রমন!
পুড়বে নারীর রোষের অনলে।
- চাইলাম অগ্নি, দিলে আগ্নেয়গিরি।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





