যখন সাকিবেরে অই থার্ড আম্পায়ারের ফাউল আউট টা দিল তখন স্টকে জত গালি সিলো সব গুলা ঝাইরা দিলাম। এইটা ত ছোট একটা বাচ্চাও কইবার পারে আউট হয়নাই। তারপর মুশফিকের প্রথম দিকের কয়েকটা বল ঝিমানি। উফফফফ উত্তেজনাই টয়লেট বন্ধ হয়া গ্যাসে। কিন্তু ইরফান পাঠানোরে যেই মধুর ধুনানিটা দিল, আহ কি শান্তি শান্তি। পাকিস্তানের সাথে ম্যাচটার পর রাতে ঘুমাইতে পারিনাই। আর আজকে কি শান্তি। এত দূরে থাইকাও বুঝতেসি ঢাকার রাস্তা এখন কত গরম। মনে চাইতেসে দউড় দিয়া রাস্তাই নাইমা চীৎকার করি "বাংলাদেশ বাংলাদেশ"।
মনে পরে যেদিন বাংলাদেশ icc trophy জিতলো। স্কুল থেইকা দউড়ায়া রাস্তায় নামসি। দেখি চারিদিকে ফুর্তি আর ফুর্তি। চারিদিকে শুধু রঙ আর রঙ। রাস্তায় যারেই পাইতেসে তারেই রঙ দিতেসে। কেউ রাগ করতেসেনা। কারন সবার মনে তখন রঙ। আমরাও অই রঙ মারা বাহিনির সামনে ঘুরাঘুরি করতেসি কিন্তু কেউ আমাদের পাত্তা দিতেসেনা। তখন দকান থেকে নিজেরাই ১০০০পাওয়ারের রঙ কিনলাম। আখন রঙ গুলাব কৈ? একটা ঘরের চিপা দিয়া ছটো একটা বালতি দেখা জাইতেসিল। আমি দউড় দিয়া অইতা আনতে গিয়া পিছলা খায়া গেলাম। হাত পা ছুইল্লা গেসিল তারপর অ হাউস কমেনাই। সেই রঙ অই বালতিতে পানির সাথে মিশায়া নিজেরাই নিজেদের গায়ে মারসিলাম। আজকেও আমার মনে রঙ লাগসে। বিজয়ের রঙ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



