somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

তরুন ইউসুফ
কাব্যগ্রন্থ : ট্রাফিক সিগন্যালে প্রজাপতি, না গৃহী না সন্ন্যাসী; রম্যগল্পগ্রন্থ : কান্না হাসি রম্য রাশি। ছোটদের বই : রহস্যে ঘেরা রেইনফরেস্ট ইতিহাস গ্রন্থ: শেরে বাংলা ও যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন কিছু দুষ্প্রাপ্য দলিল

রহস্যময় মৌমাছি ও কুইন্স সাবস্ট্যান্স

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



প্রকৃতি অতি রহস্যময়। প্রকৃতির অনেক রহস্যই আমাদের বিজ্ঞান এখনও ব্যাখ্যা করতে পারেনি। প্রকৃতির এমনি এক রহস্যময় সৃষ্টি মৌমাছি। আমরা অনেকেই জানি মৌমাছির চাক গড়ে ওঠে রানি মৌমাছিকে কেন্দ্র করে যেখানে শুধুমাত্র একটি রানি মৌমাছি থাকে। রানি মৌমাছি সাধারণত চাকের অন্যান্য মৌমাছির চেয়ে বড় হয়। এই রানি মৌমাছিকে ঘিরে বেশকিছু চমকপ্রদ ঘটনা মৌচাকে সংঘটিত হয়। রানিকে কেন্দ্র করে মৌমাছিদের রয়েছে নানা দায়িত্ব। একদল রয়েছে যারা রানিকে খাওয়ায় এবং সেবা করে, একদল আছে যারা কর্মী ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে আর আরেকদল আছে পুরুষ মৌমাছি যাদের দায়িত্ব রানিকে গর্ভবতী করা।

রানির গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টাও অদ্ভুত এবং মজার। কোন এক উজ্জ্বল দিনে রানি মৌমাছি চাক থেকে বের হয়ে আসে। সেই সাথে বেরিয়ে আসে সব পুরুষ মৌমাছির দল। জিবনে ওই একবারই রানি মিলিত হয় তাঁর পুরুষ প্রেমিকের সাথে। শত শত পুরুষের মধ্যে শুধু একজনই মিলিত হতে পারে রানির সাথে। বাকি যে সব পুরুষ মৌমাছি আছে তারা মিলিত হতে পারে না এবং মৌচাকেও ফিরে যায় না। একে একে মারা যায়। অনেকটা দেবদাসের মত প্রেম বিরহে প্রাণত্যাগ।

এবার আসি কুইন্স সাবস্ট্যান্সের কথায়। রানির শরীর থেকে একধরনের অজানা শক্তি প্রবাহিত হয়। কর্মী মৌমাছিরা যখন কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে যায় এবং তাদের শরীরের শক্তি নিঃশেষিত হয়ে যায় তখন তারা দ্রুত চাকে ফিরে এসে রানি মৌমাছির খুব কাছে ভিড় করে। রানির শরীর থেকে যে শক্তি প্রবাহিত হয় তা থেকে কর্মী মৌমাছিরা শক্তি সংগ্রহ করে। অনেকটা ব্যাটারি চার্জের মত বিষয়। বিজ্ঞানিরা এখনও এই শক্তি সম্পর্কে তেমন কোন ধারণা দিতে পারেনি। এই অজানা শক্তিকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় কুইন্স সাবস্ট্যান্স। রহস্যময় নয় কি? প্রকৃতই প্রকৃতি বড়ই রহস্যময়!

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৪
১১টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিয়োগের রূপকথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩



মা বরাবরই পাতে ভাত কম নিতো , বলতো- ভাতে না-কি  বাত বাড়ে।
বিশেষ বিশেষ দিনে বাড়ি পোষা মোরগের ঝোল কিংবা রুই মাছের তরকারীর সবটুকু  আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃষ্টিকটু পোশাক ও দৃষ্টিকটু আচরণ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪



আপডেট - হাফপেন্ট আন্দোলন: ৩০/০৯/২০২৬
হাফপেন্ট পরে মেট্রো ট্রেন ও বাসে চলাচল বাংলাদেশের একটি নাগরিক চাহিদা হতে পারে। যেহেতু সমস্যা মেট্রোতে হয়েছে, আমি ধারণা করেছি বাংলাদেশে ফেসবুকে “হাফপেন্ট আন্দোলন” হওয়ার সম্ভবনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

কঠিনতম সব চ্যালেঞ্জের মুখে বিএনপির ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১০



বিএনপির সামনে অনেক কঠিন সব চ্যালেঞ্জ...

তাদের মোকাবেলা করতে হচ্ছে দ্বিমুখী বিরোধী-দলীয় রাজনীতি বা কর্মকাণ্ড (যেটা কিনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগে কখনো দেখা যায়নি)।

জামাত-এনসিপি যতই লীগের ফিরে আসার বিরুদ্ধে বিএনপির... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার নানা মরহুম শাহাবুদদীন মাহমুদ জায়গীরদার

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:২৫



আমার আম্মার সেঝ চাচা’র লেখা ‘My life is not mine’ বইটি পড়ছি। বইটিতে ‘মাইজম ভাই’ নামের একটি অধ্যায় আছে। এতে সেঝ নানা আমার নানার বিভিন্ন সত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×