অনেক স্বপ্ন ও আশা নিয়ে আজ থেকে এক বছর আগে ইউরোপের সম্ভ্রান্ত এক দেশে এসে পড়ি। অজানা অচেনা এক দেশে এসে প্রথম শিক্ষাটাই ছিল > বিদেশের সংস্কৃতিকে ভালোবাসতে হবে, আত্মস্থ করতে হবে। ভিন দেশীয় ভাষার গান, চলচ্চিত্র দেখতে হবে। এক কথায় ভাষাটা শিখতে না পারলে যতই শিক্ষালাভ করি না কেন, কাজ হবে না। আমার জানা দেশের কিছু উচ্চশিক্ষিত মানুষ এদেশে এসে অবলীলায় রেস্টুরেন্টের কাজ করে। কারণ, যার যার দেশে তার তার শিক্ষাব্যবস্থার কদর করে। বড়মাপের শিক্ষালাভ করেও কোন চেয়ার টেবিলে বসা কাজ পায় না। প্রথম এ ধাক্কাটা হজম করতে খুব কষ্ট হয়েছে। ২৪ বছরের অর্জনকে কি তুচ্ছ বলা যায়? যে পরিচয়ে নিজের দেশে বুক ফুলিয়ে চলতাম সে পরিচয় বিদেশে এসে লজ্জা নিয়ে বলতে পারা যায়? নিজের পরিচয় কি এত সহজে বাদ দেয়া যায়? নিজের বাবা নিজের মা, তা সে যতই অসুন্দর আর গরিব হোক না কেন, কেউ তা বদলাতে পারে না। ইউরোপের পরিবেশ প্রথমেই তা বদলে দেয়। বদলে দিতে বাধ্য করে। যে বদলাতে পারে সেই হয় রাবণ। আর যে পারে না সে থাকে হতভাগ্যদের কাতারে।
আমার এ ধারাবাহিক লেখায় নিজের মনের কিছু ব্যথার কথা, দু:খের কথা, স্বপ্ন ভঙ্গের কথা জানাবো। সেই সাথে বাংলাদেশের তরুনদের জন্য কিছু পরামর্শ থাকবে। পাঠক ও ব্লগার বন্ধুদের পরামর্শ ও সহযোগীতা কামনা করি।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



