১৯৩০ সালে তৈরি করা Kalinin K-7 কে বলা হয় "রাশিয়ার উড়ন্ত কেল্লা"।
২৭ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১৯৩০ সালে তৈরি করা
Kalinin K-7 কে বলা হয় "রাশিয়ার উড়ন্ত কেল্লা"। এটি মূলত বোম ফেলানোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল। বিশাল আকৃতির এই প্লেন চালাতে ১১ জন চালক লাগত। এই উড়োজাহাজে ১২০ যাত্রীর বসার জায়গা ছিল। এটি লম্বায় ছিল ২৮ মিটার আর চওড়ায় ছিল ৪৮৮৬.৮ ফুট। এটি সর্বোচ্চ ৩৮০০০ কেজি ওজন নিয়ে উড়তে সক্ষম ছিল, এর সর্বোচ্চ গতি ছিল ২২৫ কিঃমিঃ প্রতি ঘন্টায়। এটি মূলত বোমাবর্ষনের জন্য বানানো হলেও এতে ছিল ৮*২০ মিঃমিঃ স্বনিয়ন্ত্রিত কামান এবং ৮*৭.৬২ মিঃমিঃ মেশিনগান। সব থেকে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই উড়োজাহাজের মত বড় ল্যান্ডিং গেয়ার আজ পর্যন্ত অন্য কোন উড়োজাহাজে ব্যাবহৃত হয় নাই। ১৯৩৩ সালে প্রথম উড়ানেই এটি ক্রাশ করে, ফলে ১৪ জন পাইলট ও ক্রু মারা যায় । আর ১৯৩৫ সালে রাশিয়া এই বিমানের প্রজেক্ট বন্ধ করে দেয় ।

সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
অর্ক, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩

‘খুব ভালো জঙ্গ চলছে। একের পর এক নাপাক হিন্দু সেনা হালাক (মৃত্যু) হচ্ছে। রাজাকার আলবদরদের নিয়ে পাকিস্তানের বীর সেনা যুদ্ধ জয়ের দ্বারপ্রান্তে। দুয়েক দিনের মধ্যেই হিন্দুস্থান হাঁটু গেড়ে বসে...
...বাকিটুকু পড়ুন
লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি...
...বাকিটুকু পড়ুন
প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা
“শরাব পিনে দে”হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।
সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি...
...বাকিটুকু পড়ুনসংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।
একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?
পড়ালেখার...
...বাকিটুকু পড়ুন