জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করে দিয়েছি চিন্তা করতে করতে। কখনো চিন্তা করার উপযুক্ত সময়ে, কখনো পড়তে বসে এমনকি খেতে বসেও চিন্তা করে সময় পার করেছি। চিন্তা করি নিজেকে নিয়েই বেশি। পরিবার, সমাজ, দেশ ধর্ম, সৃষ্টিকর্তা, বহির্বিশ্ব ইত্যাদি কত ব্যাপর নিয়েই নিজ
গোল লাইন প্রযুক্তির প্রয়োজনিয়তা অনেক দিন ধরেই ফুটবলে ছিল। ২০১০ বিশ্বকাপে জার্মানীর বিপক্ষে ইংল্যেন্ডের গোল বাতিলের পর এই দাবী আরো বেশি জোড়ালো হয়। গত কয়েক বছর ধরেই ফিফা এতা নিয়ে পরীক্ষা নিরিক্ষা চালাচ্ছে। খুব সহজে ফূটবলের নিয়ম কানুন পরিবর্তন হয়না।
ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশের ক্লাব ফুটবলে এই প্রযুক্তি চালু হয়েছে। এর থেকে তারা বেশ উপকার পাচ্ছে। কিন্তু লা-লীগার ঘুম ভাঙ্গেনি। স্পেনিশ এই ক্লাব ফুটবল এখন নরে চরে বসতে বাধ্য হয়েছে। গত রাতে মেসির করা একটি গোল পরিষ্কার দেখা গেলেও রেফারী লাইন্সম্যান উভয়ে ছিল ঠিক বিপরীর স্রোতে। ফুটবল ক্রিকেটের মত ভদ্রলোকের খেলা না। গোলকিপার গোল হয়েছে জেনেও এমন ভাব দেখাল যাতে মনে হল গোল তো কি গোলের গন্ধও পায়নি সে। অথচ সেই সব চেয়ে কাছ থেকে দেখেছে যে মেসি গোল করেছে।
আশা করি রাত জেগে লা-লীগা দেখে আর কেউ এমন হতাশ হবেন না।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি । একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট [link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/3039397|১ম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন