ধূলোর মূর্তি।ল্যাম্পপোস্ট ও আচ্ছাদিত।
বাদুড়ের ডানায় সন্ধ্যা নামলে ; লক্ষীপেঁচা ঠিক উড়ে আসে
আকাশে আনন্দবাজার বসায়।
হিজল নারীরা ততক্ষণে বসে যায় বৈঠকী আয়োজনে..
প্রদীপের চারপাশে রঙছড়ানো কল্পনার ফোঁটা
কেমন জীবন্ত ফাগুন।ফেলে যাওয়া পালক ; পাখির বিষ্ঠা
জানালার গ্রীলগুলো বুড়িয়ে গেছে আগেভাগেই
কপাট খুলে দেখি অনেকদিন এই শহরে কেউ পা ফেলেনি
চারিদিকে বিমর্ষ দালান.. কোন মানুষ নেই.. মাকড়সার নিপাট বুনন ছাড়া।
ধূলো মুছতেই হেসে উঠে...সোনার দাঁত
বাহ্ চমৎকার.. জৌলুসভরা...প্রত্নপাঠ ।
ততক্ষণে আঁকা হয়ে গেছে
চারচাকার বিকেলে খোদাই করা চলমান নোটবুকে
একটা ফিগার স্কেচ ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

