ক্লাস ফোর ফাইভ থেকে জেন্ডার পড়া শুরু করেছি।মানে জেন্ডার কাকে বলে? কত প্রকার? কিন্তু জেন্ডার কি আসলে বাস্তবিকভাবে কেউই শিখি নাই।এই সমাজে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জেন্ডার বলতে পাঠ্যপুস্তকের জেন্ডার বুঝে।এইরকম জেন্ডার পড়ুয়ারা যখন শিক্ষক হয়,ছাত্র হয়,আমলা হয়,কামলা হয়। কিন্তু জেন্ডার পড়া আর হয় না।
জেন্ডার” এখন সামাজিক বিজ্ঞানের একটা র্কোস হিসেবে বিশ্বে সমাদৃত।বাংলাদেশে তেমন একটা পড়া হয় না এই র্কোসটি।যা পড়ানো হয় সেইটা ক্লাস ফোর-ফাইভের জেন্ডার।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্ভবত এইরকম একটা উপর্কোস চালু হয়েছে সম্প্রতি করেছেন যারা এই বিষয়ে প্রচলিত ধারণার বাইরে জেন্ডার শেখানোর জন্য—যারা আদতে আমরা কেউই জানি না।জানলেও আত্মস্থ করতে পারি না।এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস প্রেজেন্টেশনের জন্য জেন্ডার শিখাতে গিয়ে সমকামী- বাইলিঙ্গুয়াল জেন্ডার কথা বলতে গিয়ে তার বিরুদ্ধে অশালীনতার অভিযোগ আনা হয়েছে!! ছাত্ররা এনেছে আর ডির্পাটমেন্টের শিক্ষকরা গ্রহণ করে তাকে নোটিশ পাঠিয়েছে।আমরা দেখেছি—জুলহাসকে কিভাবে হত্যা করেছে উগ্রবাদীরা।তাই বলছি, এসমাজ আপনাকে আমাকে যা যা শিখিয়েছে তার চেয়ে বেটার শিখতে গেলেই হেফাজতি মনোভাব আমাদের জেগে উঠে!তেঁতুল খাওয়া সহজ ,মানুষ চেনা সহজ নয়।মানুষ চিনতে হলে উল্টেপাল্টে মানুষকে দেখতে হয় এই হলো প্রকৃত শিক্ষা।জ্ঞান আহরণের জন্য যেকোন ধারণা মনোভাব জানা অজানা থেকে জ্ঞান আহরণ করা যায় সেটা বাস্তবিক জীবনে খাটাবেন কি খাটাবেন না তা নিজেদের রুচিবোধের উপর নির্ভর করে।কিন্তু এইটা আমরা কেউ শিখতে চায় না।তবে যারা শিখাতে চায় তাদের কল্লা ধড় থেকে আলাদা করার জন্য এক পায়ে খাঁড়া থাকি!!
সমকামিতা: সব সমাজে সবসময়ে ছিল।বাংলাদেশে ও সমকামিতা আছে।শুধু মানুষ কেন সব প্রাণীকুলের মধ্যেও এই সমকামিতা আছে।হয়ত লক্ষ্য করেননি বলে চক্ষু মেলে দেখা হয়নি।এইজন্য কিভাবে সমকামীতা করে তা নিজেরাই বুঝে উঠতে পারিনা।পশ্চিমি শিক্ষাটা একেবারেই খোলাসা।তারে খোলাসা করে ভাবতে পছন্দ করে।আমাদের সমাজে গোপনে আড়াল করে ভাবি এবং ভোগ করি।এদেশে ভাব মিলিয়ে নারীরা নারীদের সাথে,পুরুষ পুরুষের সাথে আবছা আবছা সমকামিতা করি।যার যার দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবেন উত্তর পেয়ে যাবেন।অর্গানিক ও আনঅর্গানিক দুই জায়গা থেকে সমকামিতা করি।নিজেকে আরেকবার পরীক্ষা করে দেখুনতো।আপনার ফেলে আসা জীবনে কোন সময় কিভাবে কোন পরিস্থিতিতে প্রাক সমকামিতা করেছি বন্ধুদের সাথে,ভাললাগা মানুষের সাথে।।।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক যিনিজেন্ডার বিষয়ে পড়ান তার জন্য সমবেদনা।এইসমাজ রাষ্ট্রে কোথাও কেউ নতুন কিছু পড়তে চায়না শিখতে চায়না।মুসলিম ধর্ম মতে,মহানবীও নতুন কথা বলেছিলেন বলে স্থানচ্যুত হয়েছেন।উপমহাদেশের লালনকে দেখেও সে শিক্ষা পাওয়া যায়।শুধু কি তাই পরিবারের মধ্যেও যদি নতুন কিছু আপনি আমরা ঢুকাতে চায় সেই আপনজনরা ও আপনাকে আমাকে পরিবারচ্যুত করে!!
উদার হোন।সংযত হোন।নিজেকে নিয়ে উন্নতস্তরে নিয়ে ভাবুন।ছোট করে ভাবা সহজ।বড় ভাবনা করতে হলে বড় চোখ করে বিশ্বদেখতে হলে নিজেকে পাল্টাতে হয় ,সহনশীল হতে হয়।অন্যকে শাস্তি দেয়া সহজ।শাস্তি দিয়ে আরেকটা অপরাধ প্রতিষ্ঠিত হয় এই ধ্রুব সত্য কেউ উপলব্ধি করি না।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মার্চ, ২০১৭ সকাল ১০:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


