মায়েদের বিয়ে হয়;দেখানো হয় স্বামী
কোন প্রেমিক নয় তবু এক সংসার জীবন।
মা বলেছিল তার বিয়েতে একটা শীতল পাটি দিয়েছিল বাবার বাড়ি থেকে
সিলেটি শীতল পাটি।
এই পাটি দেখলে আমার ভেতর এক সিলেট বাস করে!
বিশেষ বিশেষ সময়ে সে পাটি বের করতেন সঞ্চয়ের ঝোলা থেকে
অনেক দামী জিনিসের মতোন এক জিনিস।
দিয়েছিলেন,মোকছেদুল মোমিন।
এখানকার শরিয়াহভিত্তিক চটি।তারা জানতেন আমরা অনেকপর জানি।
এরকম কতো বাসন,চামচ,শাড়ি,ঝাড়ু কতকিছুই তাদের প্রিয়জিনিস ছিল
এখনো নানীর বাসনে ভাত খাই।যদিও তিনি নাই-তার ছবি মাঝে মাঝে মনে আসে।
মায়ের জলপাই প্রিয়,অনেকরকম হাতে বানানো আচার
নানারকম পিঠা-এরকম সক্ষমতা তখনকার বিয়েযোগ্যতা ও বটে।
মা’র ভাগ্য খারাপ- আমি বলি
পিতার দরিদ্র ঘরে তার বিয়ে হয়েছিল;সব দেশী মেয়েদের ভাগ্য এমনই।
তবু কোন প্রেমিক নয় পিতা থেকেগিয়েছিল প্রেমের মতোন
ভয় আতঙ্ক মর্যদাহানির আশঙ্কাই।
মায়ের লেখাপড়া তেমন নাই তবু নানা মাকে নাকি বলতেন, তুই আমার ছেলে
একটু ভুল করে খোদা তোরে মেয়ে বানাইছে- একথা আমরা খুব মানি।
মায়ের সাহস বিস্তর এখনো কতো তীব্র, তেজস্বী কন্ঠস্বর জোরালো—।
নানি বেচেছিল শতবছর মা’রে তেমনটাই চায় আমি
আমার নাই প্রেমিকার মতোন।
তার এক পুরনো আত্মীয় কথাচ্ছলে বলে উঠেছিলো,তোর মা’টাও অনেক নরম হয়েগেছে।
শারীরিক অসুস্থতা ও ভীষণরকম মানসিক চাপ সবচেয়ে নির্ভরতার জায়গায়:এক বিপন্ন পৃথিবী!
মা’ও মাঝে মাঝে বলে—আমি আর কদিন প্রশ্নছুঁড়ে দিল।
সন্তানেরা মা’কে চুষে ফেলে মায়েদের সংসার জীবনে
মা’রা সেটা বুঝতেও পারে না।
মা’দের বিশ্বাস অগাধ।কেউ নতুন পিতারা মাতারা বুঝতে পারেনা।
মা পারেন।
মা’দের কোন প্রেমিক থাকে না।
না পিতা;না তার সন্তান।সর্বত্র ক্লিশে এক মধ্যবিত্ত দরিদ্র মুখ—যারে শুধু মা মা বলে ডাকি।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




